ফাইল ছবি
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ যে ১৫ জন ব্যক্তি এবং পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ দেওয়ার জন্য সরকার মনোনীত করেছে সে তালিকায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নামও রয়েছে।
এবার তিনিসহ সাতজনকে মরণোত্তর এ সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। তবে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পাওয়া ব্যক্তিদের তালিকা অনুযায়ী জাফরুল্লাহ চৌধুরী ১৯৭৭ সালেই এ পুরস্কার পেয়েছিলেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত স্বাধীনতা পুরস্কার পাওয়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তালিকায় দেখা যায়, প্রবর্তনের প্রথম বছরেই ১০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। সেই তালিকায় জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ক্ষেত্রে অবদানের জন্য জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নাম রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ই মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সমাজসেবা ও জনসেবা ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে আবারও মনোনীত করা হয়েছে।
স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা। ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবময় ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। সাধারণত একজন ব্যক্তি একবারই এ সম্মাননা পান। এ ধরনের পরিস্থিতি নিয়ে বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকেও একই ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানীকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার আলোচনা প্রসঙ্গে গত বছর প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় এক বিবৃতিতে বলেছিল, “এর আগে কোনো বাংলাদেশির দুইবার দেশের সর্বোচ্চ পুরস্কার পাওয়ার নজির নেই।”
ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ওসমানী ১৯৮৫ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার পাওয়ায় তাকে আবার পুরস্কার দেওয়ার আলোচনা পরে বাদ দেওয়া হয়।
খবরটি শেয়ার করুন