যমুনা সার কারখানার প্রধান ফটক। ছবি: সংগৃহীত
তীব্র গ্যাস সংকটে দেশের ছয়টি ইউরিয়া সার কারখানার মধ্যে পাঁচটিই বন্ধ হয়ে গেছে। এতে দেশে সার সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) অধীনে পাঁচটি ইউরিয়া কারখানা আছে। এগুলো হলো ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার, শাহজালাল ফার্টিলাইজার, চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার, যমুনা ফার্টিলাইজার ও আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি।
এগুলোর মধ্যে শুধু শাহজালাল ফার্টিলাইজার কারখানার উৎপাদন চালু আছে। বিসিআইসি পরিচালক (উৎপাদন ও গবেষণা) মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এছাড়া, বেসরকারিভাবে পরিচালিত কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডও (কাফকো) গ্যাস সংকটে উৎপাদন বন্ধ রেখেছে। অর্থাৎ, দেশের ৬টি সার কারখানার মধ্যে ৫টির উৎপাদনই বর্তমানে বর্তমানে বন্ধ আছে।
বিসিআইসি পরিচালক জানান, সরকারি ৫টি কারখানার দৈনিক মোট উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৭ হাজার ১০০ টন। শাহজালাল ফার্টিলাইজারের উৎপাদনও যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
তিনি বলেন, 'গ্যাস সংকটের কারণে চারটি কারখানায় উৎপাদন গত বুধবার (৪ঠা মার্চ) দুপুরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।' তিনি আরও জানান, এই পাঁচ কারখানা পূর্ণ সক্ষমতায় চালাতে প্রতিদিন প্রায় ১৯৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন।
কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের কর্মকর্তারা জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বুধবার বিকেল ৩টা থেকে চট্টগ্রামের দুই সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে।
খবরটি শেয়ার করুন