বৃহস্পতিবার, ২রা এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৯শে চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বজ্রপাতের মতো হঠাৎ এসেছে হাম, আমাদের প্রস্তুতি ছিল না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী *** ‘মাহফুজ আনাম শেখ হাসিনার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন, খালেদা জিয়া–তারেক রহমানের কাছে নয়’ *** সংসদে অচলাবস্থা, বাইরে আন্দোলনের ইঙ্গিত *** ‘জনগণকে সঙ্গে নিয়ে’ রাজপথে আন্দোলনের ঘোষণা জামায়াত আমিরের *** বাসস সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদের নিয়োগ বাতিল *** মার্চে প্রবাসী আয় এসেছে রেকর্ড ৩.৭৫ বিলিয়ন ডলার *** শেখ হাসিনার রায় বাতিলের দাবি জানিয়ে ট্রাইব্যুনালে যুক্তরাজ্যের ল ফার্মের চিঠি *** শিক্ষামন্ত্রীর এই উদ্ভট চিন্তা কেন? *** লুবাবার বিয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকে আইন অমান্য করেছে: নারীপক্ষ *** যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি-শূন্য প্রথম দেশ হওয়ার ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

ভার্টিক্যাল ফার্মিং প্রযুক্তিতে বছরে কোটি টাকা পর্যন্ত আয়

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, ৭ই অক্টোবর ২০২৩

#

ছবি-ফাইল

ভার্টিক্যাল ফার্মিং প্রযুক্তি মূলত অল্প জমিতে অধিক চাষ ও অধিক আয়ের একটি নতুন পদ্ধতি। বর্তমান সময়ে যেভাবে ভারতের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে সেই  তুলনায় চাষের আয়তন দ্রুত গতিতে সংকুচিত হতে শুরু করেছে। এমতাবস্থায় সেই দিন দূরে নয় যখন ফল এবং সবজি ক্ষেতের পরিবর্তে সব জায়গায় তৈরি হবে কারখানা। 

এবার নতুন এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষি কাজ শুরু করেছে ইজরাইল। নতুন প্রযুক্তির নাম দেওয়া হয়েছে ভার্টিক্যাল ফার্মিং এবং ভারতেও বর্তমানে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে চাষ শুরু হয়েছে। বিভিন্ন এগ্রো প্রজেক্ট কোম্পানি এই ধরনের প্রকল্প চালানো শুরু করেছে এবং মহারাষ্ট্রের এই মুহূর্তে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে ভার্টিকাল ফার্মিং। এর মাধ্যমে হলুদ চাষ করছে বিভিন্ন কোম্পানি।

এই ভার্টিকাল চার্জ হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে আপনি ১ একর চাষ করে ১০০ একরের সমান ফলন পেতে পারেন। অর্থাৎ আপনি যদি এক একর জমিতে আপনি ফসল ফলানোর চেষ্টা করেন তাহলে আপনি ১০০ একরের সমান ফসল ফলাতে পারবেন। বলতে গেলে এই প্রযুক্তিতে ফসল ফলানোর জন্য বিশেষ জমির প্রয়োজন নেই।

মূলত মাটির উপরে কয়েকটি স্তরে এই চাষ করা হয়ে থাকে। এই চাষের জন্য একটি বড় সেট তৈরি করা হয় এবং এর তাপমাত্রা রাখা হয় ১২ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। তারপর বিভিন্ন পাইপ বিছিয়ে দেওয়া হয় একেবারে উলম্বভাবে এবং এর উপরের অংশ খোলা রাখা হয়। এই পদ্ধতিতে এই মুহূর্তে হলুদ চাষ করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন: দেশে বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে মাশরুম

বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষ হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে উলঙ্গ চাষ করে থাকেন। তবে এক্ষেত্রে মাটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তাপমাত্রার নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি বিশেষ ফগার স্থাপন করা হয় যা তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য জলের স্প্রে ব্যবহার করে। জিগ জ্যাগ পদ্ধতিতে বীজ বপন করে আপনি খুব ভালো হলুদের চাষ করতে পারবেন। 

মাত্র ৯ মাসের মধ্যে হলুদ প্রস্তুত হয়ে যায় এবং হলুদ কাটার পর এই আবারো নতুন করে ফসল রোপন করা যায়। এই পদ্ধতিতে আপনি বছরে তিন থেকে চারবার পর্যন্ত হলুদের ফসল তুলতে পারবেন।

এক্ষেত্রে কোনরকম পোকামাকড় বা ঝড়ে ক্ষতি হবার কোন সম্ভাবনা থাকে না। তবে, জলের সাশ্রয় হবে একই সাথে। আপনি মোটামুটি প্রতিবছর কোটি টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন এই চাষ করে।

এসি/ আই.কে.জে/


ভার্টিক্যাল ফার্মিং প্রযুক্তি

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250