মঙ্গলবার, ৭ই এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৪শে চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী আটক *** আজ থেকে সংসদ চলবে দুই বেলা, প্রথম অধিবেশন সকাল সাড়ে ১০টায় *** এক–এগারোর ‘সুবিধাভোগী’ সাংবাদিকদের জবাবদিহির মুখোমুখি করতে চায় সরকার *** চীন সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্ব *** জুলাই জাতীয় সনদ ঘিরে অনড় সরকার–বিরোধী দল, সমঝোতা নেই *** তারেক রহমান সরকারের প্রথম একনেক সভা *** মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী *** প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ *** নতুন সরকারের প্রথম একনেক বৈঠক আজ, অগ্রাধিকার পাচ্ছে ১৭ প্রকল্প *** নিষিদ্ধ করলেই রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগের শক্তি বিলীন হয়ে যাবে না

মসজিদে মিললো ২০০ বছরের পুরোনো কোরআন

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৫:০২ অপরাহ্ন, ২৭শে আগস্ট ২০২৩

#

হাতে লেখা কোরআনের অনুলিপি। ছবি: বিবিসি

দক্ষিণ আফ্রিকায় ২০০ বছরেরও বেশি সময় পুরনো একটি হাতে লেখা কোরআনের অনুলিপির সন্ধান পাওয়া  গেছে। অনুলিপিটি দেশটির কেপ টাউনের বো কাপ শহরের এক মসজিদে সংরক্ষিত রয়েছে।

অনুলিপিটি নিজ হাতে লিখেছিলেন আফ্রিকার দক্ষিণ প্রান্তে নির্বাসিত হওয়া ইন্দোনেশিয়ার এক ইমাম। কোরআনের অনুলিপিটি ১৯৮০'র দশকে জীর্ণশীর্ণ এক কাগজের ব্যাগের মধ্যে আবিষ্কৃত হয়। খবর বিবিসির।

মসজিদ কমিটির সদস্য ক্যাসেম আবদুল্লাহ বলেন, এটার উপরে অনেক ধুলা পড়েছিল। দেখে মনে হচ্ছিল ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কেউ ওই চিলেকোঠায় প্রবেশ করেনি। নির্মাণকারীরা তুয়ান গুরুর লেখা ধর্মীয় গ্রন্থের একটি বাক্সও খুঁজে পেয়েছিলেন।

গবেষকদের বিশ্বাস, তুয়ান গুরু (শিক্ষক) নামে পরিচিত ইমাম আবদুল্লাহ ইবনে কাদি আবদুস সালাম নিজ হাতে কোরআনের এই অনুলিপি লিখেছিলেন। ডাচ উপনিবেশের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলনে যোগ দেওয়ার অপরাধে শাস্তিস্বরূপ ১৭৮০ সালে ইন্দোনেশিয়ার তিডোর দ্বীপ থেকে রাজনৈতিক বন্দী হিসাবে তুয়ান গুরুকে কেপটাউনে নির্বাসিত করা হয়। এরপরেই তিনি নিজের স্মৃতি থেকে কোরআনের এই অনুলিপিটি রচনা করেন। 

প্রথম কয়েকটি পৃষ্ঠা বাদে পুরো কোরআনটি ভালো অবস্থায় ছিল। তবে এটি বাঁধাই করা না থাকায় পৃষ্ঠাগুলো এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল। যার ফলে ছয় হাজারেরও বেশি আয়াত সম্বলিত কোরআনের পৃষ্ঠাগুলো সঠিক ক্রমান্বয়ে সাজানো গবেষকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। কালো এবং লাল কালিতে আরবি হরফের লিপিগুলো এখনও স্পষ্ট রয়েছে।

উদ্ধারের পর কোরআনের সংরক্ষণ ও পৃষ্ঠাগুলো ক্রমান্বয়ে সাজানো দায়িত্ব পড়ে প্রয়াত মাওলানা ত্বহা করণের উপর। কেপটাউন ভিত্তিক মুসলিম বিচারিক পরিষদের প্রধান আইনবিদ ছিলেন তিনি। বেশ কয়েকজন স্থানীয় কোরআন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে নিয়ে পৃষ্ঠাগুলো সাজানো ও কোরআন বাঁধাইয়ের কাজটি সম্পন্ন করতে তার তিন বছর সময় লেগেছিল।

এরপর থেকে জনসাধারণের জন্য আউয়াল মসজিদে প্রদর্শিত হচ্ছে কোরআনের এই কপিটি। ১৭৯৪ সালে তুয়ান গুরুই এই মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বর্তমানে এটি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম মসজিদ হিসাবে পরিচিত।

চুরি বা যেকোনো বিপর্যয় এড়াতে বছর দশেক আগে কোরআনের এই কপিটি একটি ফায়ার ও বুলেট-প্রুফ বক্সে সংরক্ষণ করা হয়। অন্তত তিনবার চুরির ব্যর্থ চেষ্টার পর সরক্ষণের ব্যাপারে আরও সচেতন হয়ে উঠে ফায়ার ও বুলেট প্রুফ বক্স ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয় সংরক্ষক কমিটি।

এসকে/ 


দক্ষিণ আফ্রিকা হাতে লেখা কোরআনের অনুলিপি গবেষক

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250