বৃহস্পতিবার, ২৯শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘একাত্তরের গণহত্যাও কি ধর্মের লেবাস চড়িয়েই চালানো হয়নি?’ *** নির্বাচন সামনে রেখে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সুরক্ষার অঙ্গীকার চায় সিপিজে *** টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৯০ ক্রিকেটার ‘চরম ঝুঁকিপূর্ণ’ *** ‘তারেক রহমান মনোনীত ৩০০ গডফাদারকে না বলুন, বাংলাদেশ মুক্তি পাবে’ *** সরকারি কর্মচারীদের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’–এর পক্ষে প্রচার দণ্ডনীয়: ইসি *** যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের টানাপোড়েনে মধ্যস্থতা করতে চায় তুরস্ক *** ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডকে ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করছে ইইউ *** হাজিরা পরোয়ানাকে ‘জামিননামা ভেবে’ হত্যা মামলার ৩ আসামিকে ছেড়ে দিল কারা কর্তৃপক্ষ *** আওয়ামী ভোটব্যাংক: জয়-পরাজয়ের অদৃশ্য সমীকরণ *** ‘সজীব ওয়াজেদ জয়ের যুক্তি অযৌক্তিক নয়’

বন্ধুত্ব গড়ার চেষ্টা করছে ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি শিশুরা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১১:২৫ পূর্বাহ্ন, ১৪ই অক্টোবর ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি সাইপ্রাসে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ শিশু শিবিরকে ঘিরে তৈরি হয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের একটি পডকাস্ট। ‘ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি শিশুরা বন্ধুত্ব গড়ার চেষ্টা করছে’ শিরোনামে সোমবার (১৩ই অক্টোবর) প্রকাশিত ওই পডকাস্ট মূল্যবান একটি অনুসন্ধানে পরিণত হয়েছে।

পডকাস্ট থেকে জানা গেছে, ‘প্যারেন্ট সার্কেল ফ্যামিলি’স নামে একটি সংস্থা ওই শিশু শিবিরের আয়োজন করেছিল। এর উদ্দেশ্য হলো—ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত বা ক্ষয়ক্ষতির ছায়া মোকাবিলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সন্তানদের মধ্যে সংলাপ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া গড়ে তোলা।

গার্ডিয়ানের পডকাস্ট প্রতিবেদক নাতালি টেনার চোখে, গৃহযুদ্ধ ও রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এমন একটি উদ্যোগ বিশেষভাবে চ্যালেঞ্জিং।

শিবিরে অংশগ্রহণকারী কিশোরদের অধিকাংশই সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সংঘাত, দাঙ্গা, অপসারণ বা অন্য কোনো রূপে ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে। বিশেষ করে, ঘর হারানো, স্বজন হারানো, চলাচলে সীমাবদ্ধতা—এমন নানা অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে তাদের যেতে হয়েছে। শিবিরে তাদের আরও ভালোভাবে নিজেদের কাহিনি বলার, শোনার এবং বোঝাপড়া গড়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

এই সমাবেশে তারা অংশ নেয় বিভিন্ন কর্মশালা ও আলোচনাসভায়। এসব কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সময় নিজেদের মধ্যে কিছু মিল খুঁজে পায় ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি শিশু-কিশোরেরা। একে অপরের প্রতি এ সময় তাদের ব্যবহার করা কিছু বাক্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে পডকাস্টে, যেমন—‘আমি তোমার সঙ্গে কিছুটা মিল পাচ্ছি’, ‘আমি তোমার দুঃখ শুনতে চাই’, এমনকি ‘আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি’।

পারস্পরিক সাদৃশ্য এবং মানবিক অনুভূতির মেলবন্ধন করা হয়েছে ওই শিবিরে। পডকাস্টে শোনা যায়— একজন ফিলিস্তিনি মেয়ে বলছে, ‘আমি কখনো ভাবিনি, তার মতো একজন ইসরায়েলি বন্ধুকে এভাবে হাসাতে পারব।’

গাজায় সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির প্রেক্ষাপটে এই শিবিরের প্রভাব কতটা স্থায়ী হতে পারে, তা সময়ই বলে দেবে। গার্ডিয়ানের প্রতিবেদক নাতালি টেনা আশাবাদ ব্যক্ত করেন—গাজার যুদ্ধবিরতির পরিপ্রেক্ষিতে এই ধরনের উদ্যোগও একটি দিকনির্দেশ হতে পারে।

সর্বোপরি, আজকের পৃথিবীতে যখন বিভাজন আরও গভীর, তখন এমন সাহসিক প্রচেষ্টা স্মরণ করিয়ে দেয়, মানবিক দূরত্ব কমানোই শান্তির সূচনা হতে পারে।

জে.এস/

ফিলিস্তিনি-ইসরায়েল

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250