মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩রা চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানি নিহত, দাবি ইসরায়েলের *** নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিল আমিরাত *** সিটির বিপক্ষে ফিরতি লেগে স্কোয়াডে ফিরেছেন এমবাপ্পে *** যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের ‘র’ ও আরএসএসের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আহ্বান *** জানা গেল সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ *** বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ব্যাপক হামলা ইরানের *** ফ্যামিলি কার্ড ও টাকা দেওয়ার নামে অনলাইন চক্রের ‘ডিপফেক’ প্রতারণা *** আওয়ামী লীগের ‘পুনর্বাসন কেন্দ্র’ থেকে বিএনপির ‘পুনর্বাসন কেন্দ্র’ *** স্বেচ্ছাসেবক লীগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত *** বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন আজ

ঘন নাকি পাতলা ডাল, কোনটি বেশি উপকারী?

লাইফস্টাইল ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, ৩রা আগস্ট ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

বাড়িতে আমাদের পাতে প্রায় প্রতি বেলায় ডাল থাকে। ভাতের হোটেল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আবাসিক হল কিংবা অফিসের ক্যানটিনেও ডাল নিত্যদিনের পদ। ডাল আমিষের উৎস। যদিও উদ্ভিজ্জ সব আমিষই ‘দ্বিতীয়’ শ্রেণির আমিষ, তবু তা থেকে রোজকার পুষ্টির এক গুরুত্বপূর্ণ অংশের জোগান পাই আমরা।

পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের পাতে হয়তো রোজ মাছ-মাংস বা গোটা একটা ডিম তুলে দেওয়ার সুযোগ হয় না অনেকেরই। সুযোগ হয় না সবাইকে এক গ্লাস করে দুধ খেতে দেওয়ার। শেষ পর্যন্ত ডালই কারও কারও আমিষের প্রধান উৎস হয়ে দাঁড়ায়।

ডাল কীভাবে খেলে পুষ্টিগুণ সবচেয়ে ভালোভাবে পাওয়া যায়, সে প্রশ্ন অনেকের। সবিস্তার জানালেন রাজধানীর আজিমপুরের গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লায়েড হিউম্যান সায়েন্সের খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শম্পা শারমিন খান।

পর্যাপ্ত আমিষ পেতে হলে ডাল একটু ঘন করেই খাওয়া উচিত। একেবারে পাতলা ডালে আমিষের পরিমাণ থাকে খুব কম। যদিও কেউ কেউ পানির মতো পাতলা ডাল খেতেই পছন্দ করেন, তবু একটু ঘন ডাল খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যদি কারও খাদ্যতালিকায় ডালই হয় আমিষের প্রধান উৎস।

তবে তারা পাতলা ডাল খেতে চাইলেও কিন্তু ক্ষতি নেই, যদি তারা ডালের পাত্রের নিচের দিককার ঘন অংশটা অন্য কোনোভাবে গ্রহণ করতে পারেন। যেমন এই অংশ দিয়ে আলাদাভাবে ভর্তা করে খাওয়ার সুযোগ থাকে। তাতে খাবারের প্রথাগত পদের বাইরে গিয়ে একটু ভিন্ন স্বাদও আসে।

আর্থিক অসংগতি, ধর্মীয় বিধিনিষেধ কিংবা প্রাণিকুলের প্রতি সহানুভূতিশীলতার কারণে অনেকেই মাছ-মাংস খান না। যে কারণেই হোক না কেন, আপনার খাদ্যতালিকায় যদি আমিষের কোনো প্রাণিজ উৎস না থাকে, তাহলে আপনার জন্য ঘন ডাল খুবই প্রয়োজনীয়। ঘন করে ডাল খেতে হলে আপনি অনায়াসেই কাজে লাগাতে পারেন মুগডাল। আবার দু-তিন রকম ডাল একসঙ্গে করেও (কিংবা পাঁচমিশালি ডাল) খেতে পারেন।

তাতে বিভিন্ন ডাল থেকে আপনি বিভিন্ন ধরনের অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড পাবেন। সেদিক বিবেচনায় খিচুড়ি কিংবা হালিম দারুণ পদ। তবে মনে রাখতে হবে, শৈশব–কৈশোর ও গর্ভাবস্থায় পুষ্টির চাহিদা থাকে অন্য রকম। এই বিশেষ সময়গুলোয় কিন্তু প্রাণিজ কোনো না কোনো উপাদান থেকে আমিষ গ্রহণ করা জরুরি। মাছ-মাংস একেবারে না খেলেও ডিম-দুধ থেকে অবশ্য সেই চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

জে.এস/

ঘন নাকি পাতলা ডাল

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250