বৃহস্পতিবার, ২৯শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বিশ্বজুড়ে ব্যাংকিং খাতে বঞ্চনার শিকার মুসলিমরা *** সরকারি কর্মচারীদের পাঁচ বছরের বেশি থাকা ঠিক না: প্রধান উপদেষ্টা *** আড়াই মাস চেষ্টা করেও আল জাজিরা তারেক রহমানের সাক্ষাৎকার নিতে পারেনি *** শীতে পিঠ ব্যথা করে—টাইম ম্যাগাজিনকে তারেক রহমান *** অজিত পাওয়ারকে বহনকারী বিমান বিধ্বস্তের আগে ‘রহস্যজনক নীরবতা’ *** ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার প্রত্যাহারের সংকেত বুঝতে পারছে না সরকার *** ‘আমি কিন্তু আমলা, আপনি সুবিচার করেননি’ *** প্রধান উপদেষ্টার কাছে অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি *** ভারত-ইউরোপের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ও বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি *** ‘গ্রিনল্যান্ড: মার্কিন হুমকি বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের বিষয়’

ঘন নাকি পাতলা ডাল, কোনটি বেশি উপকারী?

লাইফস্টাইল ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, ৩রা আগস্ট ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

বাড়িতে আমাদের পাতে প্রায় প্রতি বেলায় ডাল থাকে। ভাতের হোটেল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আবাসিক হল কিংবা অফিসের ক্যানটিনেও ডাল নিত্যদিনের পদ। ডাল আমিষের উৎস। যদিও উদ্ভিজ্জ সব আমিষই ‘দ্বিতীয়’ শ্রেণির আমিষ, তবু তা থেকে রোজকার পুষ্টির এক গুরুত্বপূর্ণ অংশের জোগান পাই আমরা।

পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের পাতে হয়তো রোজ মাছ-মাংস বা গোটা একটা ডিম তুলে দেওয়ার সুযোগ হয় না অনেকেরই। সুযোগ হয় না সবাইকে এক গ্লাস করে দুধ খেতে দেওয়ার। শেষ পর্যন্ত ডালই কারও কারও আমিষের প্রধান উৎস হয়ে দাঁড়ায়।

ডাল কীভাবে খেলে পুষ্টিগুণ সবচেয়ে ভালোভাবে পাওয়া যায়, সে প্রশ্ন অনেকের। সবিস্তার জানালেন রাজধানীর আজিমপুরের গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লায়েড হিউম্যান সায়েন্সের খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শম্পা শারমিন খান।

পর্যাপ্ত আমিষ পেতে হলে ডাল একটু ঘন করেই খাওয়া উচিত। একেবারে পাতলা ডালে আমিষের পরিমাণ থাকে খুব কম। যদিও কেউ কেউ পানির মতো পাতলা ডাল খেতেই পছন্দ করেন, তবু একটু ঘন ডাল খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যদি কারও খাদ্যতালিকায় ডালই হয় আমিষের প্রধান উৎস।

তবে তারা পাতলা ডাল খেতে চাইলেও কিন্তু ক্ষতি নেই, যদি তারা ডালের পাত্রের নিচের দিককার ঘন অংশটা অন্য কোনোভাবে গ্রহণ করতে পারেন। যেমন এই অংশ দিয়ে আলাদাভাবে ভর্তা করে খাওয়ার সুযোগ থাকে। তাতে খাবারের প্রথাগত পদের বাইরে গিয়ে একটু ভিন্ন স্বাদও আসে।

আর্থিক অসংগতি, ধর্মীয় বিধিনিষেধ কিংবা প্রাণিকুলের প্রতি সহানুভূতিশীলতার কারণে অনেকেই মাছ-মাংস খান না। যে কারণেই হোক না কেন, আপনার খাদ্যতালিকায় যদি আমিষের কোনো প্রাণিজ উৎস না থাকে, তাহলে আপনার জন্য ঘন ডাল খুবই প্রয়োজনীয়। ঘন করে ডাল খেতে হলে আপনি অনায়াসেই কাজে লাগাতে পারেন মুগডাল। আবার দু-তিন রকম ডাল একসঙ্গে করেও (কিংবা পাঁচমিশালি ডাল) খেতে পারেন।

তাতে বিভিন্ন ডাল থেকে আপনি বিভিন্ন ধরনের অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড পাবেন। সেদিক বিবেচনায় খিচুড়ি কিংবা হালিম দারুণ পদ। তবে মনে রাখতে হবে, শৈশব–কৈশোর ও গর্ভাবস্থায় পুষ্টির চাহিদা থাকে অন্য রকম। এই বিশেষ সময়গুলোয় কিন্তু প্রাণিজ কোনো না কোনো উপাদান থেকে আমিষ গ্রহণ করা জরুরি। মাছ-মাংস একেবারে না খেলেও ডিম-দুধ থেকে অবশ্য সেই চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

জে.এস/

ঘন নাকি পাতলা ডাল

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250