সোমবার, ১৬ই মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২রা চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** রাজধানীতে প্রকাশ্যে গুলি করে কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে হত্যা, আটক ১ *** লালমনিরহাটের ‘এমপি সাহেবের থার্টি পারসেন্টের’ কথোপকথনের অডিও ভাইরাল *** এখনো মরেননি নেতানিয়াহু, ভিডিওতে দেখালেন হাতের ৫ আঙুল *** দলীয় পদে থাকা কারাবন্দী ও মামলার শিকার সাংবাদিকদের বিষয়ে সরকারের অবস্থান কী হবে *** বৈষম্য, গ্রেপ্তার, মৃত্যু ও যুদ্ধের নীরব ভুক্তভোগী বাংলাদেশিরা *** ইরানে আরও তিন সপ্তাহ হামলা চালাবে ইসরায়েল *** সংবিধান সংস্কার পরিষদের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন, সরকারি ও বিরোধী দলের বাহাস *** ‘রাষ্ট্রপতি অস্তিত্বহীন সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকতে পারেন না’ *** ‘৩২ নম্বর বাড়ি ভাঙার নির্দেশ কারা দিয়েছেন, তা খতিয়ে দেখা দরকার’ *** ডিজিএফআই–প্রধানের দিল্লি সফরে সম্পর্কের বরফ গলার আভাস

বড়দিনের আদর্শ খাবার মানেই টার্কি! প্রচলন হয়েছিল কীভাবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৯:০৮ অপরাহ্ন, ২৫শে ডিসেম্বর ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

বড়দিন বা ক্রিসমাস মানেই ডাইনিং টেবিলে সাজানো বড়সড় এক টার্কি রোস্ট। কিন্তু উত্তর আমেরিকার আদি নিবাসী এই পাখিটি কীভাবে ইউরোপীয়দের উৎসবের প্রধান অনুষঙ্গ হয়ে উঠল, তা বেশ কৌতূহল উদ্দীপক। ১৬শ শতাব্দীর শুরুতে স্পেনীয় অভিযাত্রীদের মাধ্যমে টার্কি প্রথম ইউরোপে আসে। তার আগে উৎসবের ভোজ বলতে ছিল রাজহাঁস, ময়ূর বা রাজহাঁসের মাংস।

ইংল্যান্ডের রাজা হেনরি অষ্টম প্রথম ব্রিটিশ সম্রাট হিসেবে বড়দিনের ভোজে টার্কি খেয়েছিলেন বলে ধারণা করা হয়। তবে টার্কিকে জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে দেওয়ার মূল কৃতিত্ব ভিক্টোরিয়ান যুগের। রানি ভিক্টোরিয়া যখন তার রাজকীয় ক্রিসমাস ভোজে টার্কি খাওয়া শুরু করেন, তখন থেকেই এটি আভিজাত্যের প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়।

রাজকীয় পছন্দের বাইরে সাধারণ মানুষের ঘরে টার্কিকে জনপ্রিয় করার পেছনে বড় ভূমিকা ছিল লেখক চার্লস ডিকেন্সের। ১৮৪৩ সালে প্রকাশিত তার বিখ্যাত উপন্যাস ‘এ ক্রিসমাস ক্যারল’-এ দেখা যায়, একসময়ের কৃপণ ইবেনেজার স্ক্রুজ বড়দিনে ক্র্যাচিট পরিবারকে একটি বিশাল টার্কি উপহার পাঠাচ্ছেন। এই গল্পটি সাধারণ মানুষের মনে গেঁথে দেয় যে বড়দিনের আদর্শ খাবার মানেই টার্কি।

টার্কি জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে কিছু ব্যবহারিক কারণও রয়েছে। আকার ও উপযোগিতা—গরু দুধ দেয় আর মুরগি দেয় ডিম; কিন্তু টার্কির অন্য কোনো ব্যবহার নেই। এ ছাড়া একটি বড় টার্কি দিয়ে অনায়াসেই পুরো পরিবারের ভোজ সম্পন্ন করা যায়। অনেকগুলো ছোট পাখি রান্না করার চেয়ে একটি বড় পাখি রান্না করা অনেক বেশি সাশ্রয়ী।

হিমায়িত বা ফ্রোজেন টার্কি—রেফ্রিজারেশন বা ফ্রিজ আবিষ্কারের আগে টাটকা টার্কি কেনা ছিল বেশ ঝক্কির কাজ। কিন্তু ফ্রোজেন টার্কি বাজারে আসার পর মানুষ আগে থেকেই পরিকল্পনা করে এটি কিনতে শুরু করে, যা এর জনপ্রিয়তা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

পরদিনের চমৎকার নাশতা—বড়দিনের পরদিন অর্থাৎ ‘বক্সিং ডে’তে টার্কির বেঁচে যাওয়া মাংস (Leftovers) দিয়ে স্যান্ডউইচ, স্টু, কারি বা পাই তৈরি করা যায়। বিশেষ করে টার্কি কারি এখন অনেক দেশেই বেশ জনপ্রিয়।

যুক্তরাজ্যে টার্কির একটি দীর্ঘ ঐতিহাসিক ঐতিহ্য রয়েছে। সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতাতেই আজও ক্রিসমাসে টার্কি খাওয়ার রীতি বজায় আছে।

শুভ বড়দিন

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

ট্রাম্পের সাহস থাকলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ পাঠাক: ইরানের চ্যালেঞ্জ

🕒 প্রকাশ: ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, ১৬ই মার্চ ২০২৬

‘বিজয় ঘোষণার সময় হয়নি’, ইরানিরা কেন রাস্তায় নামছে না—কারণ জানেন ট্রাম্প

🕒 প্রকাশ: ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, ১৬ই মার্চ ২০২৬

খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

🕒 প্রকাশ: ০২:১৪ অপরাহ্ন, ১৬ই মার্চ ২০২৬

আওয়ামী লীগের ইফতার অনুষ্ঠান ভারত সরকার ‘বর্জনের’ যে ব্যাখ্যা দিলেন সাংবাদিক জুলকারনাইন

🕒 প্রকাশ: ০২:১৪ অপরাহ্ন, ১৬ই মার্চ ২০২৬

ভারতের হিন্দুত্ববাদী সংগঠন আরএসএসের ওপর নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ মার্কিন সরকারি সংস্থার

🕒 প্রকাশ: ০১:৪৫ অপরাহ্ন, ১৬ই মার্চ ২০২৬

Footer Up 970x250