বৃহস্পতিবার, ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩০শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ভোট দেওয়ায় স্ত্রীকে তালাক দিলেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা *** বিএনপি প্রার্থীকে অভিনন্দন জানালেন জামায়াতের শিশির মনির *** কুমিল্লা-৪ আসনে ভোট গ্রহণ শেষে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিলেন বিএনপি–সমর্থিত প্রার্থী *** কয়েকটি আসনে অনিয়মের অভিযোগ জামায়াতের, স্থগিত করার দাবি *** উপদেষ্টাদের ‘সেফ এক্সিট’ বিতর্ক *** উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হলো ভোট *** ভোটগ্রহণের সময় শেষ, অপেক্ষা গণনার *** কুমিল্লায় ভোটকেন্দ্রে হঠাৎ ককটেল বিস্ফোরণ, ভোটারদের ছোটাছুটি *** বেশ কিছু জায়গায় কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করেছেন বিএনপির সমর্থকেরা: জামায়াত আমির *** দুপুর ২টা পর্যন্ত নির্বাচনে ৪৮৬ কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা, ৫৯ কেন্দ্রে জালভোট

নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও অপরাধে সাজা বাড়ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, ১৮ই সেপ্টেম্বর ২০২৫

#

ছবি: পিআইডি

নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও অপরাধের সাজা বাড়ছে। নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন ১৯৯১ (১৯৯১ সালের ১৩ নম্বর আইন) সংশোধন করে অধ্যাদেশের খসড়ায় এমন বিধান রাখা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ই সেপ্টেম্বর) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আইন ২০০৯ (২০০৯ সালের ৫ নম্বর আইন) সংশোধন এবং ‘অর্থসংক্রান্ত কতিপয় আইন (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আজ অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এসব প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভার সারসংক্ষেপ জানাতে পরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকের সামনে বৈঠকের সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন।

প্রেস সচিব বলেন, নির্বাচনসংক্রান্ত দুটি আইন সংশোধনের ফলে নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং নির্বাচন পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা যাবে। বিশেষ করে নির্বাচনী দায়িত্বে অবহেলা করলে শাস্তির বিধান আরও স্পষ্ট হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন ১৯৯১-এর সংশোধনে ধারা ২, ধারা ৫ ও ধারা ৬-এ গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মধ্যে নির্বাচন কর্মকর্তার সংজ্ঞা নতুনভাবে নির্ধারণ, শৃঙ্খলামূলক শাস্তিসংক্রান্ত ধারা হালনাগাদ এবং নতুন উপধারা সংযোজন ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) ১৯৯১-এর সংশোধন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি নির্বাচন কর্মকর্তা নিযুক্ত হলে তিনি গ্রহণযোগ্য কোনো কারণ ছাড়া দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি জানাতে পারবেন না। বিদ্যমান আইনে অস্বীকৃতি জানালে তার সাজা এক বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়ার বিধান আছে। এখন অর্থদণ্ডের পরিমাণ বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, কোনো কর্মকর্তা নির্বাচনী দায়িত্বে অসদাচরণ করলে বিদ্যমান আইনে তার সাজা আছে ছয় মাসের কারাদণ্ড বা দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড। সেটা বাড়ানো হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন এক বছর থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়ার বিধান করা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250