ছবি: সংগৃহীত
কুড়িগ্রামে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় ব্যানার টানিয়েছেন নেতা-কর্মীরা। তবে কয়েক ঘণ্টা পর পতাকা ও ব্যানার খুলে ফেলেছে বৈষম্যবিরোধীরা। আজ বুধবার (১৮ই ফেব্রুয়ারি) শহরের শাপলা চত্বর এলাকায় জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
আজ বুধবার ভোরে ছাত্রলীগ পরিচয়ে সাত-আটজন তরুণ জেলা আওয়ামী লীগের বিধ্বস্ত কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও ব্যানার লাগিয়ে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে থাকেন। পরে এর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আন নাফে নাঈফ লুবধক, ছাত্রলীগ নেতা আশিক মিঞা টেমপিল, হান্নান সরকার, এমদাদুল হক এন্তা এবং কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য মো. রাব্বী ইসলাম বাঁধন আ. লীগ কার্যালয়ে পতাকা ও ব্যানার টানিয়ে স্লোগান দেন।
এদিকে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক নেতা আব্দুল আজিজ নাহিদ ও আলমগীরের নেতৃত্বে নেতা-কর্মী ঘটনাস্থল থেকে জাতীয় পতাকা ও আওয়ামী লীগের ব্যানার সরিয়ে ফেলেন। এ সময় তারা টিনের বেড়াও ভেঙে ফেলেন।
জানতে চাইলে আব্দুল আজিজ বলেন, ‘কয়েক দিন আগে আপনারা শুনেছিলেন প্রত্যেকটি আওয়ামী লীগ কার্যালয় খোলা হবে। আজ তারই অংশ হিসেবে কুড়িগ্রাম আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ব্যানার ও পতাকা টাঙানো হয়েছিল। ইতিপূর্বে আমরা এটি ভেঙে দিয়েছিলাম। কুড়িগ্রাম তো দূরের কথা বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কার্যালয় থাকবে না। আমরা এখানে গণশৌচাগার নির্মাণ করব।’
এ বিষয়ে কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি বলেন, পুলিশের অগোচরে আকস্মিক ঘটনাটি ঘটেছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যালয় যারা চালুর চেষ্টা করেছে, তাদের খুঁজে বের করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
খবরটি শেয়ার করুন