সোমবার, ২৩শে মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৯ই চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তাসকিন-নাইমার পথচলা শুরু যেভাবে

ক্রীড়া প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৫:৩১ অপরাহ্ন, ২৩শে মার্চ ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি ক্রীড়াবিষয়ক একটি অনলাইনে ঈদ ফেস্টে অতিথি ছিলেন দেশের গতিময় পেস বোলার তাসকিন আহমেদ ও তার স্ত্রী সৈয়দা নাইমা রাবেয়া। সেখানে একসাথে পথচলার স্মৃতিচারণ করেন দুজনে।

তাসকিন আহমেদ এবং সৈয়দা নাইমা রাবেয়া পারিবারিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন ২০১৭ সালে। দুজনের একসাথে পথচলা শুরু হয়েছিল একসাথে স্কুলে পড়া অবস্থা থেকে।

২০১০ সালে তাসকিনের ছোট বোনের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে অংশ নেন সৈয়দা নাইমা রাবেয়া। সেই অনুষ্ঠান থেকেই নাইমার প্রতি ভালো লাগা শুরু তাসকিনের। যা পূর্ণতা পেয়েছে ২০১৭ সালে।

এব্যাপারে তাসকিন আহমেদ বলেছেন, ‘ঈদ সবসময় স্পেশাল। দেখা গেছে বিয়ের আগের ঈদ অন্যরকম মুহূর্ত ছিল। বেশি আনন্দের ছিল বিয়ের আগের ঈদগুলো। কারণ আমি তখন আরও ছোট ছিলাম। সালামি নেওয়ার তাড়না এবং ঈদের শপিংয়ের এক্সাইটমেন্ট। অই জিনিসগুলো যত দিন যাচ্ছে, যত বড় হচ্ছি, কমছে। ঈদ অবশ্যই স্পেশাল। বিয়ের পরের ঈদও স্পেশাল ছিল শুরুর দিকে। বাবু হওয়ার পর একটু ভিন্ন অনুভূতি। বাবুর দিকে, পরিবারের দিকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়, নিজের থেকে বেশি।’

তাসকিন আরও বলেছেন, ‘এখনও ঈদ অনেক স্পেশাল। তবে অই জিনিসটা মাথায় থাকে ঈদ কীভাবে আরও পরিবারের সবার জন্য স্পেশাল করা যায়। আমি তো বছরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে ২৬৫ দিনই খেলার কাজে ব্যস্ত থাকি। টিম হোটেলে থাকি, মাঝেমধ্যে আমার পরিবার যাওয়া আসার মধ্যেই থাকে। তারপরেও মা হিসেবে (নাইমার) ৩টা বাচ্চা সামলানো অনেক কঠিন। মাঝেমধ্যে আমার আব্বা-আম্মার কাছেও থাকে, তাদের নাতি-নাতনি অনেক প্রিয়। আমি চেষ্টা করি যেভাবে পরিবারের সবাইকে খুশি রাখা যায়।’

ঈদ পালনের ব্যাপারে নাইমা বলেন, ‘সব থেকে বড় সালামিটা আমি ওর কাছ থেকেই পাই। হ্যাঁ অবশ্যই নেই। সকালে নেই, দুপুরে নেই, রাতেও নেই। ৫০ হাজার পর্যন্ত (সালামি নেওয়া হয়েছে)। বিয়ের আগে ঈদ ছিল উপভোগের, এখন হয়ে গেছে স্পেশাল, জামাইয়ের কাছ থেকে নিতে নিতে।’

নিজেদের চেনা জানার ব্যাপারে তাসকিন বলেছেন, ‘আমরা একসাথে স্কুলে পড়তাম। ভালো লাগা শুরু হয়েছে আমার ছোট বোন রোজার জন্মদিনে বোরকা ছাড়া প্রথম দেখার পর। তখন মনে হল এখন তো সুন্দর লাগতেছে। আমি তখন অনেক ব্যস্ত ছিলাম, যেহেতু একমাত্র ছেলে। যদিও তখনও অনেক ছোট, অনূর্ধ্ব-১৯ খেলতাম। এরপর থেকে ফোনে কথা শুরু। আমি যেহেতু ক্রিকেট নিয়ে ব্যস্ত থাকতাম, পড়া নেওয়া, সিলেবাস নেওয়া (এসব নিয়ে কথা হত)।’

তাসকিন আরও বলেন, ‘শুকরিয়া আমার যে সৎ একজন জীবনসঙ্গী পেয়েছি। ২০১৪ সালে অভিষেক হওয়ার পর থেকে ভালো সময় যাচ্ছিল ২০১৫ সালে বিশ্বকাপে ভালো করলাম। ২ বছরের মধ্যে ১৫-১৬টা এন্ডোরসমেন্ট পেয়ে গেলাম। আমার মনে হচ্ছিল ‘ওয়াট এ লাইফ!’

এছাড়া নাইমা বলেছেন, ‘অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগে যখন স্যুট দেয়, তখন সে বাসার নিচে গিয়েছিল মিট করতে, দেখা করতে, যে দেখো।’

তাসকিনের প্রতি নারী ভক্তদের ভালো লাগার ব্যাপারটিও ভালোই জানেন নাইমা। এ ব্যাপারে নাইমা বলেছেন, ‘একটা সময় অনেক (নারী ভক্তকে ফেসবুক থেকে) ব্লক করতে হয়েছে। ২০ জনের বেশি (নারীভক্তকে) ব্লক করা হয়েছে একদিন।’

জে.এস/

তাসকিন আহমেদ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250