বৃহস্পতিবার, ২রা এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৯শে চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘মাহফুজ আনাম শেখ হাসিনার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন, খালেদা জিয়া–তারেক রহমানের কাছে নয়’ *** সংসদে অচলাবস্থা, বাইরে আন্দোলনের ইঙ্গিত *** ‘জনগণকে সঙ্গে নিয়ে’ রাজপথে আন্দোলনের ঘোষণা জামায়াত আমিরের *** বাসস সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদের নিয়োগ বাতিল *** মার্চে প্রবাসী আয় এসেছে রেকর্ড ৩.৭৫ বিলিয়ন ডলার *** শেখ হাসিনার রায় বাতিলের দাবি জানিয়ে ট্রাইব্যুনালে যুক্তরাজ্যের ল ফার্মের চিঠি *** শিক্ষামন্ত্রীর এই উদ্ভট চিন্তা কেন? *** লুবাবার বিয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকে আইন অমান্য করেছে: নারীপক্ষ *** যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি-শূন্য প্রথম দেশ হওয়ার ঝুঁকিতে বাংলাদেশ *** যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বোঝা উচিত, বিশ্বে এখন আর তাদের আধিপত্য নেই: ইরানের রাষ্ট্রদূত

চট্টগ্রাম বন্দর কাউকে দিচ্ছি না, সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ চলছে: প্রেস সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৩:২৮ অপরাহ্ন, ২৫শে মে ২০২৫

#

চট্টগ্রাম বন্দর কাউকে দেওয়া হচ্ছে না। বিনিয়োগ আনার জন্য বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

আজ রোববার (২৫শে মে) রাজধানীর পল্টনে পুঁজিবাজার নিয়ে কাজ করা রিপোর্টারদের সংগঠন ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরাম (সিএমজেএফ) আয়োজিত এক সংলাপে এসব কথা বলেন তিনি।

সিএমজেএফ সভাপতি গোলাম সামদানী ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে ‘সিএমজেএফ টক উইথ শফিকুল আলম’ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আবু আলী।

শফিকুল আলম বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দর আমরা কাউকে দিচ্ছি না। শুধু বন্দরের টার্মিনাল যাতে তারা উন্নতভাবে ব্যবস্থাপনা করতে পারে এবং সেখানে বিনিয়োগ করে, আমরা সেই কাজটি করছি। এখন পর্যন্ত ৩০০ কোটি ডলারের (৩ বিলিয়ন) নিশ্চয়তা পেয়েছি। অর্থাৎ চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নয়নে তারা (বিদেশি কোম্পানি) এ অর্থ বিনিয়োগ করবে। চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়লে দেশের পুরো অর্থনীতিতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।’

বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশের চেয়ে ভালো গন্তব্য পুরো বিশ্বে নেই বলে দাবি করেন প্রেস সচিব। তিনি বলেন, ‘এ জন্য প্রধান উপদেষ্টা চাচ্ছেন বাংলাদেশকে একটি উৎপাদনমুখী কেন্দ্র (ম্যানুফ্যাকচারিং হাব) হিসেবে তৈরি করা। কিন্তু ম্যানুফ্যাকচারিং হাব তৈরি করার মূল শর্ত হচ্ছে সবার আগে বন্দরকে এফিশিয়েন্ট করতে হবে।

শফিকুল আলম বলেন, ‘বন্দরকে অন্য মাত্রায় নিয়ে যাওয়ার প্রযুক্তি আমাদের কাছে নেই। আমাদের সে সম্পর্কিত অভিজ্ঞতা নেই, দক্ষতাও নেই। এ জন্য আমরা বিদেশের সবচেয়ে বড় বড় কোম্পানির সঙ্গে কথা বলছি। দুবাইয়ের ডিপি ওয়ার্ল্ড, এ পি মোলার মায়ার্সক, পোর্ট অব সিঙ্গাপুর অথোরিটির সঙ্গে কথা বলছি। তারা এলে আমাদের বন্দরের এফিশিয়েন্সি বাড়বে।’

শফিকুল আলম বলেন, শেখ হাসিনার আমলে দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অধিকাংশ অর্থনৈতিক অঞ্চলই খালি পড়ে রয়েছে, মহিষের বাগান হয়ে গেছে। এসব অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করে জমি অধিগ্রহণ করে রাখা হয়েছে, কিন্তু কোনো বিনিয়োগকারী আসছেন না। এর অন্যতম প্রধান কারণ বন্দরের কাঙ্ক্ষিত সক্ষমতা নেই।

এইচ.এস/

প্রেস সচিব

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250