মঙ্গলবার, ৭ই এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৩শে চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** এক–এগারোর ‘সুবিধাভোগী’ সাংবাদিকদের জবাবদিহির মুখোমুখি করতে চায় সরকার *** চীন সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্ব *** জুলাই জাতীয় সনদ ঘিরে অনড় সরকার–বিরোধী দল, সমঝোতা নেই *** তারেক রহমান সরকারের প্রথম একনেক সভা *** মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী *** প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ *** নতুন সরকারের প্রথম একনেক বৈঠক আজ, অগ্রাধিকার পাচ্ছে ১৭ প্রকল্প *** নিষিদ্ধ করলেই রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগের শক্তি বিলীন হয়ে যাবে না *** ইরানে যুদ্ধের প্রভাবে ভারতে কনডমের দাম বাড়তে পারে *** সোমবার ইরানের শেষ সুযোগ, মঙ্গলবার পাওয়ার প্ল্যান্ট গুঁড়িয়ে দেবেন ট্রাম্প

যেভাবে পবিত্র মসজিদুল হারামের ৩৫ হাজার কার্পেট পরিষ্কার করা হয়

ধর্ম ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০২:২৪ অপরাহ্ন, ৮ই আগস্ট ২০২৩

#

ছবি: আরব নিউজ

মক্কায় অবস্থিত পবিত্র মসজিদুল হারামে প্রতিদিন লাখ লাখ মুসল্লির জমায়েত হয়। বিশেষত রমজান মাস ও হজের সময় সেখানে ২০ লাখের বেশি লোকের সমাবেশ ঘটে। এ সময় মসজিদের মেঝে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। পবিত্র মসজিদুল হারামের মেঝেতে আছে ৩৫ হাজারের বেশি কার্পেট। সব সময় তা পরিচ্ছন্ন ও সুগন্ধিযুক্ত রাখার পেছনে আছে বিশাল কর্মযজ্ঞ। প্রতি সপ্তাহে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে দুই হাজার কার্পেট পরিষ্কার করে তাতে সুগন্ধি দেওয়া হয়। মক্কার কুদাইয়ে অবস্থিত বিশেষায়িত একটি প্রতিষ্ঠানে এসব কাজ সম্পন্ন হয়।

এ প্রসঙ্গে সৌদি সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের সঙ্গে কথা হয় মসজিদ পরিচালনা পর্ষদের সেবাবিষয়ক প্রধান জাবের আহমদ আল-ওয়াদানির। তিনি বলেন, ‘পবিত্র মসজিদুল হারামের ৩৫ হাজারের বেশি কার্পেট রয়েছে। মানুষ যেন স্বাচ্ছন্দ্যে নামাজ ও ইবাদত করতে পারে তাই সেখানে খুবই উন্নত মানের ও বিলাসবহুল কার্পেট বিছানো হয়েছে। এসব কার্পেটের রং সবুজ; মানুষের মন-মানসিকতায় যেন এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে তাই এই রং ব্যবহার করা হয়েছে।’

আল-ওয়াদানি আরো জানান, মূলত পবিত্র মসজিদুল হারামের জন্য নরম সুতা ও মোটা স্তূপ থেকে এসব বিলাসবহুল কার্পেট তৈরি করা হয়। এগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়, যেন বারবার ধোয়া হলেও তাতে কোনো সমস্যা না হয়। কার্পেটের মান বজায় রেখে অত্যাধুনিক উচ্চ প্রযুক্তির যন্ত্রপাতির মাধ্যমে তা পরিষ্কার করা হয়। কার্পেট পরিচ্ছন্নতা বিভাগের একটি বিশেষজ্ঞ দল রয়েছে, যারা সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ত্রুটিমুক্ত উপায়ে পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করে।

তিন ধাপে পরিষ্কার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় জানিয়ে তিনি বলেন, প্রথম ধাপে উন্নত মানের প্রযুক্তি ব্যবহার করে কার্পেট থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ময়লা ও ধুলা দূর করা হয়। দ্বিতীয় ধাপে জীবাণুনাশক, পানি ও বিশেষ ডিটারজেন্ট ব্যবহার করে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ধোয়া হয় এবং জীবাণুমুক্ত করা হয়। তৃতীয় ধাপে অতিরিক্ত পানি দূর করতে কার্পেটগুলো বিশেষ টিউবে বসানো হয়। সব শেষে সূর্য ও বাতাসে শুকাতে কার্পেটগুলো বিছানো হয়। দ্রুত শুকাতে ফ্যানও ব্যবহার করা হয়। এরপর অত্যাধুনিক ঝাড়ু দিয়ে তা মোছা হয় এবং তাতে তায়েফের বিখ্যাত গোলাপজলের সুগন্ধি দেওয়া হয়। অতঃপর প্যাকেট করে রাখা হয়।

আরো পড়ুন: বিশ্বের সেরা পাঁচ মসজিদ

আল-ওয়াদানি বলেন, প্রতি ঘণ্টায় ২৪০ মিটার ধোয়া হয়। এরপর তা বিশেষ গুদামে সংরক্ষিত রাখা হয়। তাতে পবিত্র গ্র্যান্ড মসজিদে পরিবহনের জন্য প্রস্তুত ২৬ হাজার কার্পেট জমা করা হয়। কার্পেটগুলোকে ক্ষতি থেকে সুরক্ষিত রাখতে পরিচ্ছন্নতা বিভাগে অত্যাধুনিক মেশিনের একটি পরীক্ষাগার রয়েছে।

তথ্যসূত্র : আরব নিউজ

এম এইচ ডি/ আই. কে. জে/ 

সৌদি আরব পবিত্র মসজিদুল হারাম কার্পেট পরিষ্কার জীবাণূমুক্ত মক্কা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250