ছবি: সংগৃহীত
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদি অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে যে আলোচনা চলছিল শুরু থেকেই, তা নতুন করে সামনে এসেছে রাজনীতিবিদদের সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্য ও দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের আলোচনার সূত্র ধরে। বিশেষ করে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার মন্তব্যের রেশ ধরে বিষয়টি আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে।
তিনি দাবি করেন, একটি ‘ডিপ স্টেট’ থেকে অন্তর্বর্তী সরকারকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে সরকার সেই প্রস্তাবে সায় দেয়নি।
রাজধানীর বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক আলোচনা সভায় দেওয়া এই বক্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—আসলেই কি এমন কোনো পরিকল্পনা ছিল, এবং থাকলে কেন তা বাস্তবায়ন হয়নি?
ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পারেননি কেন? সাবেক উপদেষ্টার এমন বক্তব্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। কখন, কী শর্তে এমন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বা ‘ডিপ স্টেট’ বলতে কাদের বুঝিয়েছেন—এখন সেই প্রশ্নও সামনে আসছে।
প্রস্তাব ও রাজনৈতিক বার্তা
ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের বক্তব্যে অতীতে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষমতায় থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। ২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল এক বক্তব্যে সরকারের তৎকালীন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উল্লেখ করেছিলেন, জনগণের একটি অংশ তাদের আরও কয়েক বছর ক্ষমতায় দেখতে চায়।
এর মাত্র দুই দিন পর, ১২ এপ্রিল আরেক আলোচনায় অন্তর্বর্তী সরকারের তখনের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, এই সরকারকে ‘ছাত্র-জনতা’ গঠন করেছে এবং তাদের দৃষ্টিতে এটি এক ধরনের গণ-সমর্থিত কাঠামো। তার এই মন্তব্যে অনির্বাচিত সরকারের বৈধতা নিয়ে একটি ভিন্ন রাজনৈতিক ব্যাখ্যা উঠে আসে।
এসব বক্তব্য একত্রে বিবেচনা করলে একটি ধারণা তৈরি হয় যে, অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরে বা আশপাশে অন্তত কিছু মহলে দীর্ঘমেয়াদি শাসনের চিন্তা ছিল। যদিও আসিফ মাহমুদ ছাড়া ওই সরকারের আর কোনো উপদেষ্টা এখন পর্যন্ত সরাসরি ডিপ স্টেট বা ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার প্রস্তাব ছিল—এমন কিছু বলেননি।
এনসিপির আহ্বায়ক ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম ১০ মার্চ রাজশাহীতে এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, ‘শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনে জড়িত ছিল ডিপ স্টেট।’ তিনিও ডিপ স্টেট কারা, সেটা স্পষ্ট করে বলেননি।
সাধারণত সরকারের বাইরে থেকেও রাষ্ট্রের নীতি ও ক্ষমতার ওপর প্রভাব খাটাতে সক্ষম প্রভাবশালী গোষ্ঠীকে বোঝাতে ‘ডিপ স্টেট’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এটি কোনো আনুষ্ঠানিক কাঠামো নয়, রাজনৈতিক আলোচনায় ব্যবহৃত একটি ধারণা। আসিফ মাহমুদের উল্লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে ডিপ স্টেটের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
শেখ হাসিনার বক্তব্যে তোলপাড়
২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার প্রায় দেড় বছরের বেশি সময় পর এই প্রথম বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক বক্তব্য নিয়ে সম্প্রতি ভারতে তোলপাড় শুরু হয়। আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার কোনো বক্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয় ভারতীয় গণমাধ্যমে। দেশটির কেন্দ্রীয় পর্যায়ের প্রথম সারির এবং বিভিন্ন রাজ্য থেকে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমগুলোতে শেখ হাসিনার ওই বক্তব্য নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা চলে।
২০২৪ সালের ২৩ মে দেওয়া ওই বক্তব্যে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের একটি অংশ নিয়ে “পূর্ব তিমুরের মতো একটি খ্রিষ্টান রাষ্ট্র” গঠনের ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করেছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে এই বক্তব্য পুনরায় সামনে এনে ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে আলোচনার ঝড় উঠে। প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে শেখ হাসিনা কেন এমন একটি বক্তব্য দিয়েছিলেন—এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ভারতীয় গণমাধ্যম।
২০২৪ সালের ২৩ মে গণভবনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের এক বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, বাংলাদেশে একটি বিদেশি শক্তি এয়ারবেস নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে তিনি স্পষ্ট করে কোনো দেশের নাম উল্লেখ করেননি। একই বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের একটি অংশ নিয়ে একটি খ্রিষ্টান রাষ্ট্র গঠনের চক্রান্ত চলছে।
শেখ হাসিনার ভাষায়, “চক্রান্ত এখনও আছে। পূর্ব তিমুরের মতো বাংলাদেশের একটি অংশ নিয়ে... তারপর চট্টগ্রাম, মিয়ানমার এখানে একটা খ্রিষ্টান দেশ বানাবে, বঙ্গোপসাগরে একটা ঘাঁটি করবে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “তার কারণ বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরে প্রাচীনকাল থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য চলে। এ জায়গাটার ওপর অনেকেরই নজর। সেটা আমি হতে দিচ্ছি না। এটাও আমার একটা অপরাধ।” এই বক্তব্য দেওয়ার আড়াই মাসের মধ্যে শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়।
২০২৪ সালে ছাত্রদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা যে আন্দোলনে আওয়ামী লীগের সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়, সেই আন্দোলনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডিপ স্টেটের ভূমিকা ছিল বলে গণমাধ্যমগুলো বরাবরই বলে আসছে।
ডিপ স্টেট কারা
যুক্তরাষ্ট্রে ‘ডিপ স্টেট’ বলতে কেন্দ্রীয় সরকারের সদস্যদের, বিশেষ করে এফবিআই ও সিআইএর কর্মকর্তাদের গোপন নেটওয়ার্ককে বোঝানো হয়ে থাকে। গোপন এই নেটওয়ার্কে অনির্বাচিত সরকারি-বেসরকারি প্রভাবশালী লোকজন থাকেন। রাজনৈতিক সরকারের সমান্তরালে নিজেদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে স্বাধীনভাবে এই নেটওয়ার্ক কাজ করার চেষ্টা করে থাকে।
অর্থাৎ, ডিপ স্টেট বলতে বোঝায় কোনো দেশের অনির্বাচিত ব্যক্তিদের সংগঠিত বলয়, যারা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করে এবং নিজেদের স্বার্থকে সমুন্নত রাখে। যুক্তরাষ্ট্রের এই ‘ডিপ স্টেট’ হলো এমন একটি ধারণা বা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব, যা দ্বারা নির্বাচিত সরকারের বাইরে গোয়েন্দা, সামরিক ও আমলাতান্ত্রিক গোপন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় নীতি নিয়ন্ত্রিত হয়। বাংলাদেশে অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক আলোচনায় 'ডিপ স্টেটের' প্রভাব নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের অস্বীকার
বাংলাদেশে ক্ষমতার পটপরিবর্তন বা নির্দিষ্ট কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণে এই 'ডিপ স্টেট' বা অদৃশ্য শক্তির ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে সরব আলোচনা চলে ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর, যা গণমাধ্যমে 'ডিপ স্টেটের ফাদ' বা 'ছায়া রাষ্ট্র' হিসেবেও আলোচিত হয়। অবশ্য বাংলাদেশের ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঘটনাবলিতে ‘ডিপ স্টেটের’ কোনো ভূমিকা থাকার বিষয়টি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে নাকচ করে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তবে আসিফ মাহমুদ আজ শুক্রবার গণমাধ্যমকে তার গতকালের বক্তব্যের প্রসঙ্গে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম তিন-চার-পাঁচ মাসে বিভিন্ন আলোচনায় ডিপ স্টেটের দিক থেকে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল যে তাদের কিছু স্বার্থ রক্ষা করলে তারা অন্তর্বর্তী সরকারকে দীর্ঘদিন রাখতে আগ্রহী। দেন-দরবারের অংশ হিসেবে আমাদের অ্যাপ্রোচ করা হয়েছিল, হয়তো অন্য উপদেষ্টাদের সঙ্গেও তারা কথা বলেছিল।’
আওয়ামী লীগের শাসনের কার্যক্রমকে বৈধতা দেওয়ার মতো বিষয়ও সেই প্রস্তাবে ছিল বলে দাবি করেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার ডিপ স্টেটের সেই প্রস্তাবে আগ্রহ দেখায়নি। সরকার নির্বাচন দেওয়ার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিল। ফলে সরকার তাদের (ডিপ স্টেট) সঙ্গে সমঝোতায় যায়নি।’
বাস্তবতা নাকি রাজনৈতিক ভাষ্য?
মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সাবেক সরকারের ক্ষেত্রে ‘ডিপ স্টেট’ শব্দটির ব্যবহার নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ‘ডিপ স্টেট’ বলতে সাধারণত রাষ্ট্রের ভেতরে অপ্রকাশ্য প্রভাবশালী শক্তিকে বোঝানো হয়, যারা নীতিনির্ধারণে সরাসরি দৃশ্যমান না হলেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে এই ধরনের শক্তি আদৌ ২০২৯ পর্যন্ত সরকারকে ক্ষমতায় রাখতে চেয়েছিল কি না—এ বিষয়ে নিরপেক্ষ বা যাচাইকৃত কোনো প্রমাণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে বিষয়টি অনেকাংশেই রাজনৈতিক বক্তব্যের পর্যায়েই রয়েছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, কয়েকটি কারণ এই সম্ভাব্য পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপ নিতে দেয়নি—১. ড. ইউনূস আমলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সামাজিক অস্থিরতা: দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা, চাঁদাবাজি ও তথাকথিত ‘মব কালচার’ নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। বিশেষ করে ‘জুলাই সমন্বয়কদের’ বিরুদ্ধে ওঠা চাঁদাবাজির অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।
২. আন্তর্জাতিক চাপ ও প্রত্যাশা: বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বরাবরই আন্তর্জাতিক মহলের নজরে থাকে। বিভিন্ন উন্নয়ন অংশীদার ও প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলো একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ওপর গুরুত্ব দেয়। বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ সময় অনির্বাচিত সরকারের অবস্থান আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে প্রশ্ন তৈরি করে। ফলে মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারকে সরাতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের চাপ বাড়তে থাকে।
৩. অভ্যন্তরীণ বৈধতার সংকট: যদিও কিছু মহল ‘জনসমর্থন’ বা ‘অভ্যুত্থানের বৈধতা’ উল্লেখ করেছে, তবুও একটি নির্বাচিত সরকারের অভাব দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে। বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি, বিশেষ করে দেশের অন্যতম প্রধান দল বিএনপি এবং নাগরিক সমাজের একটি অংশ তখন নির্বাচনের দাবিতে সোচ্চার ছিল।
৪. রাজনৈতিক বাস্তবতা ও সমঝোতা: শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে সমঝোতার প্রয়োজনীয়তা একটি নির্বাচনের পথকে অনিবার্য করে তোলে বলে মনে করা হচ্ছে। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি সরকার করে। বিএনপির জনপ্রিয়তা বিবেচনায় বিদেশি সংবাদমাধ্যমগুলো তারেক রহমানকে ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সম্বোধন করতে থাকে নির্বাচনের আগেই।
অন্তর্বর্তী সরকারের ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার সম্ভাবনা নিয়ে যে আলোচনা তৈরি হয়েছিল, তা মূলত বিভিন্ন বক্তব্য, রাজনৈতিক ব্যাখ্যা এবং পরিস্থিতিগত বিশ্লেষণের ওপর নির্ভরশীল। তবে বাস্তবে সেই পথ অনুসরণ করা হয়নি—এর পেছনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক চাপ, এবং রাজনৈতিক বৈধতার প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
ফলে প্রশ্নটি এখনো রয়ে গেছে—এটি কি সত্যিই একটি সুসংগঠিত পরিকল্পনা ছিল, নাকি রাজনৈতিক বক্তব্যের অংশ? এই উত্তর নির্ভর করছে ভবিষ্যতে আরও তথ্য ও প্রমাণ প্রকাশের ওপর। অনেকে মনে করেন, ‘ডিপ স্টেট’ থেকে অন্তর্বর্তী সরকারকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকার এই প্রস্তাবে সায় দেয়নি বলে আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া যে দাবি করেছেন, সেটা মিথ্যাচার হতে পারে।
কারণ, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অজনপ্রিয় ও বিতর্কিত সরকারকে একটা পর্যায়ে দেশের জনগণসহ দেশি-বিদেশি শক্তি এবং বন্ধু রাষ্ট্রগুলো ক্ষমতায় আর দেখতে চায়নি। তারা বিতর্কমুক্ত একটি জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনপ্রতিনিধিত্বশীল সরকারকে দেখতে চায়। এসবের পরিপ্রেক্ষিতে ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভূমিধস জয় পেয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি।
খবরটি শেয়ার করুন