সোমবার, ১৬ই মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২রা চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** রাজধানীতে প্রকাশ্যে গুলি করে কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে হত্যা, আটক ১ *** লালমনিরহাটের ‘এমপি সাহেবের থার্টি পারসেন্টের’ কথোপকথনের অডিও ভাইরাল *** এখনো মরেননি নেতানিয়াহু, ভিডিওতে দেখালেন হাতের ৫ আঙুল *** দলীয় পদে থাকা কারাবন্দী ও মামলার শিকার সাংবাদিকদের বিষয়ে সরকারের অবস্থান কী হবে *** বৈষম্য, গ্রেপ্তার, মৃত্যু ও যুদ্ধের নীরব ভুক্তভোগী বাংলাদেশিরা *** ইরানে আরও তিন সপ্তাহ হামলা চালাবে ইসরায়েল *** সংবিধান সংস্কার পরিষদের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন, সরকারি ও বিরোধী দলের বাহাস *** ‘রাষ্ট্রপতি অস্তিত্বহীন সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকতে পারেন না’ *** ‘৩২ নম্বর বাড়ি ভাঙার নির্দেশ কারা দিয়েছেন, তা খতিয়ে দেখা দরকার’ *** ডিজিএফআই–প্রধানের দিল্লি সফরে সম্পর্কের বরফ গলার আভাস

কেমন দিনে মন ফুরফুরে থাকে- মেঘলা, না রৌদ্রোজ্জ্বল?

লাইফস্টাইল ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, ৩০শে এপ্রিল ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

সূর্য আলো ছড়ালে আমরা খোশমেজাজে থাকি। অর্থাৎ, রৌদ্রোজ্জ্বল দিন সুখানুভূতি দেয়। আর এ বিষয়ে গবেষণার ফলাফলও উল্টো পথে যায়নি। আমেরিকার ব্রিগহাম ইয়ং ইউনিভার্সিটির এক গবেষণা এ কথাই বলছে। 

এতে জানা যায়, মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতির ক্ষেত্রে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের মধ্যবর্তী সময়ের স্থায়ীত্ব অন্যান্য আবহাওয়ার পরিবর্তনগুলোর চেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

এ গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন একজন মনোবিজ্ঞানী, পদার্থবিদ ও পরিসংখ্যানবিদ। তারা দেখেছেন রৌদ্রোজ্জ্বল ও মেঘাচ্ছন্ন দিন, তাপমাত্রা, বৃষ্টি ও দূষণের সঙ্গে ব্যক্তির আবেগ ও অনুভূতি কীভাবে যুক্ত। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব দিন তেমন রোদ থাকে না, সেসব দিনে মানসিক যন্ত্রণায় ভোগার আশঙ্কা বেশি থাকে।

গৎবাঁধা তরিকায় কমবেশি সবাই ভাবায় বিশ্বাসী যে, গরমে তীব্র ঘাম, বৃষ্টি ও ভারী দূষণের দিনগুলোয় আমরা খারাপ বোধ করি বা এসব দিন আমাদের বিষণ্নতায় ভরিয়ে দেয়। কিন্তু এ গবেষণায় বিস্ময়কর তথ্য জানা গেছে যে, সূর্যের আলো গায়ে পড়লেই মিলিয়ে যায় বিষণ্নতা। 

দিন ছোট হয়ে গেলে যখন সূর্যের আলো দেওয়ার সময়টি কমে আসে, তখনই মানসিক অবসাদ কাজ করতে থাকে। রৌদ্রতাপ সহ্য করার চেয়ে দিনের আলোর কম স্থায়ীত্ব বেশি মানসিক পীড়া দেয় মানুষকে। আর এ কারণেই শীতের সময় বিষণ্নতা কাজ করে। এ সময় সাইকোথেরাপিস্টদের কাজও বেড়ে যায়।

গবেষণা বলছে, ঋতু বা আবহাওয়ার সঙ্গে কখনো কখনো মুড সুইং হয়। এখানে কিছু যুক্তি রয়েছে। বিশেষত শীতের দিকে সূর্যের আধিপত্য কম থাকে, তখন শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেমিক্যাল, যাকে আমরা সেরোটোনিন বলি, তার মাত্রা কমে যায়।

এ সেরোটোনিনের মাত্রা কমে গেলে বিষণ্নবোধ হতে পারে। আর এ কারণে অনেক সময় রোদে দাঁড়িয়ে থাকতে বলা হয়। ত্বকে রোদ পড়লে সেরোটোনিনের স্তর বাড়ে। এ স্তর যত বাড়ে, তত বেশি মন ভালো থাকে। এটা হচ্ছে মূল বিষয়।

এইচ.এস/

মন

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

ট্রাম্পের সাহস থাকলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ পাঠাক: ইরানের চ্যালেঞ্জ

🕒 প্রকাশ: ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, ১৬ই মার্চ ২০২৬

‘বিজয় ঘোষণার সময় হয়নি’, ইরানিরা কেন রাস্তায় নামছে না—কারণ জানেন ট্রাম্প

🕒 প্রকাশ: ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, ১৬ই মার্চ ২০২৬

খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

🕒 প্রকাশ: ০২:১৪ অপরাহ্ন, ১৬ই মার্চ ২০২৬

আওয়ামী লীগের ইফতার অনুষ্ঠান ভারত সরকার ‘বর্জনের’ যে ব্যাখ্যা দিলেন সাংবাদিক জুলকারনাইন

🕒 প্রকাশ: ০২:১৪ অপরাহ্ন, ১৬ই মার্চ ২০২৬

ভারতের হিন্দুত্ববাদী সংগঠন আরএসএসের ওপর নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ মার্কিন সরকারি সংস্থার

🕒 প্রকাশ: ০১:৪৫ অপরাহ্ন, ১৬ই মার্চ ২০২৬

Footer Up 970x250