শনিবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৯ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘শেখ হাসিনার নির্দেশে নেতা-কর্মীরা দলীয় কার্যালয় খুলছেন, নতুন কর্মসূচি আসছে’ *** ৭৪ বছরে প্রথমবার শহীদ মিনারে জামায়াত, ব্যাখ্যায় যা বললেন দলের আমির *** প্রথমবারের মতো তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান *** মন্ত্রীদের কথায় লাগাম টানতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ সোহেল রানার *** ট্রাম্পের শুল্ক আদালতের রায়ে অবৈধ, বাংলাদেশ এখন কী করবে *** আলাদা শপথের দরকার নেই, গণভোট সংসদে কার্যকর হবে: শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি *** ঈদের আগে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী দেবে সরকার *** শহীদ মিনারে জামায়াত আমিরকে দেখে ‘রাজাকার’ ও ‘একাত্তরের দালাল’ স্লোগান *** একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা *** ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক বাতিল করলেন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ভাতা বাড়ল ১৫ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০১:৫৫ অপরাহ্ন, ২১শে অক্টোবর ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা মূল বেতনের ১৫ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। অর্থ দুই ধাপে পাবেন শিক্ষক-কর্মচারিরা। ১৫ শতাংশের মধ্য ৭ দশমিক ৫ শতাংশ (ন্যূনতম দুই হাজার টাকা) কার্যকর হবে এ বছরের ১লা নভেম্বর থেকে। আরও সাড়ে ৭ শতাংশ কার্যকর হবে আগামী বছরের ১লা জুলাই থেকে।

আজ মঙ্গলবার (২১শে অক্টোবর) অর্থ মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে।

এর আগে সরকার এমপিওভূক্ত শিক্ষক–কর্মচারিদের বাড়িভাড়া মূল বেতনের ৫ শতাংশ (ন্যূনতম ২ হাজার টাকা) বাড়ানো সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু তা প্রতাখ্যান করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলেন শিক্ষক–কর্মচারিরা।

বাড়ি ভাড়া বাড়ানোসহ তিন দফা দাবিতে গত ১২ই অক্টোবর থেকে আন্দোলন করছেন এমপিওভূক্ত শিক্ষক–কর্মচারিরা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আজকের এই মুহূর্তটা শিক্ষা বিভাগের জন্য সত্যিই ঐতিহাসিক। এমপিওভুক্ত শিক্ষক–কর্মচারীদের জন্য চলতি নভেম্বরের ১ তারিখ হতে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়িভাড়া (ন্যূনতম ২০০০ টাকা) এবং ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ মোট ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়া কার্যকর হবে।

শিক্ষকদের দাবি অনুযায়ী শতাংশ হারে এই ভাতা নিশ্চিত করতে পেরে একজন শিক্ষক হিসেবে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, শিক্ষকেরা আরও অধিক সম্মানের দাবিদার এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে রাষ্ট্রের সচেষ্ট থাকা দরকার।

উপদেষ্টা বলেন, এই পথটা সহজ ছিল না। নানা মতভেদ, বিতর্ক, অভিযোগ সবকিছুই ছিল। কোনো বিতর্কের উত্তর না দিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ক্রমাগত একটা ন্যায্য, টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করে গেছে। শিক্ষা উপদেষ্টা ও মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, উপদেষ্টা পরিষদ, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কাজ করে গেছেন যেন শিক্ষকদের দাবি শোনা হয়, বোঝা হয়।

জে.এস/

শিক্ষকদের বাড়িভাড়া

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250