শুক্রবার, ৩০শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** মাহফুজদের খুশি করতে গণভোট কিনা, ‘সন্দেহ’ রেহমান সোবহানের *** ‘একাত্তরের গণহত্যাও কি ধর্মের লেবাস চড়িয়েই চালানো হয়নি?’ *** নির্বাচন সামনে রেখে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সুরক্ষার অঙ্গীকার চায় সিপিজে *** টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৯০ ক্রিকেটার ‘চরম ঝুঁকিপূর্ণ’ *** ‘তারেক রহমান মনোনীত ৩০০ গডফাদারকে না বলুন, বাংলাদেশ মুক্তি পাবে’ *** সরকারি কর্মচারীদের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’–এর পক্ষে প্রচার দণ্ডনীয়: ইসি *** যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের টানাপোড়েনে মধ্যস্থতা করতে চায় তুরস্ক *** ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডকে ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করছে ইইউ *** হাজিরা পরোয়ানাকে ‘জামিননামা ভেবে’ হত্যা মামলার ৩ আসামিকে ছেড়ে দিল কারা কর্তৃপক্ষ *** আওয়ামী ভোটব্যাংক: জয়-পরাজয়ের অদৃশ্য সমীকরণ

এই গরমে কতটুকু পানি পান করবেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, ২৩শে এপ্রিল ২০২৪

#

ছবি: সুখবর

বাইরে প্রচণ্ড তাপদাহ। রোদের প্রখরতায় অনেকেই অসুস্থ হচ্ছে। পানি খাওয়ার প্রবণতাও যেন ঠিকঠাক নিয়মে নেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন স্বাভাবিক নিয়মের থেকে এসময় একটু বেশি পানি পান করতে হয়। তবে এই গরমে কতটুকু পানি খাবেন সে বিয়য়ে অনেকেরই অজানা, চলুন জেনে নেওয়া যাক- 

প্রথমত, শরীরে পানির অভাব হচ্ছে কি না, তা বোঝার জন্য আমাদের মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস অংশে পিপাসা কেন্দ্র আছে। যখনই পানির অভাব হয়, এই কেন্দ্র জানান দেয় যে পানি পান করতে হবে। অবশ্য খুব ছোট শিশু ও বৃদ্ধ বা স্মৃতিভ্রম, স্ট্রোকের রোগী বা মানসিক রোগীরা নিজের চাহিদা ভালো করে বুঝতে পারেন না বা প্রকাশ করতে পারেন না। তাই তাদের ক্ষেত্রে চাই সতর্কতা। আমাদের আবহাওয়ায় একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষ বা নারীর দৈনিক সাত থেকে আট গ্লাস পানি পান করলে মোটামুটি চাহিদা মেটে। কিন্তু জ্বর, ডায়রিয়া, বমি, বেশি ঘাম এই চাহিদা বাড়িয়ে দিতে পারে।

দ্বিতীয়ত, পানি বেশি পানও ভালো নয়। ওভারহাইড্রেশন হলে রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা কমে যেতে পারে, কারও আবার শরীর ফুলে যেতেও পারে। কিডনি, যকৃৎ ও হৃদ্‌রোগীদের চিকিৎসক পানি মেপে খেতে বলেন, সে জায়গায় অতিরিক্ত পানি পান করা বিপজ্জনক হতে পারে। 

আরো পড়ুন : এই গরমে শিশুদের নিরাপদ রাখতে কী করবেন?

অ্যাথলেট বা খেলোয়াড়েরা প্রচুর ঘামেন, যাতে লবণপানি দুটিই হারায় শরীর, সে ক্ষেত্রে তারা যদি শুধু বারবার পানি পান করেন, তাহলে রক্তে লবণের ভারসাম্যহীনতা হতে পারে। তাদের উচিত ইলেকট্রোলাইটসহ পানি, ডাবের পানি, স্যালাইন পানি পান করা। 

অথবা শুধু পানির সঙ্গে মাঝেমধ্যে লবণাক্ত স্ন্যাকস খাওয়া। আর কিডনি, যকৃৎ বা হৃদ্‌রোগীরা কতটুকু পানি পান করবেন, তা তাদের প্রস্রাবের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে। ২৪ ঘণ্টায় যতটুকু প্রস্রাব হয়েছে, তার চেয়ে ৫০০ মিলিলিটারের মতো বেশি খেলেই হলো।

তৃতীয়ত, পানিশূন্যতা হলে আমাদের মাথা ফাঁকা লাগে, ত্বক ঢিলে হয়ে যায়, চোখ গর্তে ঢুকে যায়। সবচেয়ে বড় কথা, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায় বা প্রস্রাবের রং গাঢ় হয়। বিশেষ করে শিশুদের এসব লক্ষণ দেখলে বুঝবেন যে পানিশূন্যতা হচ্ছে, পানি পূরণ করতে হবে। আরেকটা কথা, পানির বদলে চিনিযুক্ত ড্রিংকস, কোলা বা জুস খেলে তাতে পানিশূন্যতা দূর হয় না, বরং এগুলো রক্তের ঘনত্ব আরও বাড়ায়।

এস/ আই.কে.জে/


পানি স্বাস্থ্য পরামর্শ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250