শনিবার, ২১শে মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৭ই চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** যমুনায় সর্বসাধারণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন প্রধানমন্ত্রী *** ঈদের দিনে মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী *** রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত *** এলো খুশির ঈদ *** বাংলাদেশে ‘ফার্স্ট লেডি’ কে—সংবিধান, বাস্তবতা ও বিতর্ক *** ড. ইউনূসকে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ঈদের নামাজে দেখতে চান ডা. তুষার *** ‘আওয়ামী লীগ রাজনীতির মাঠে থাকলে এসব অসভ্য সোজা থাকত’ *** বিএনপি ভুল করলে বাংলাদেশ একাত্তরের পরাজিত শক্তির হাতে চলে যাবে *** ঈদের ২ সিনেমায় কিংবদন্তি সাবিনা ইয়াসমিন ও রুনা লায়লার গান *** মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৫ বাংলাদেশি নিহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নতুন কাস্টমস আইন

বিমানবন্দরে লাগেজের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য দিলে লাখ টাকা জরিমানা

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, ২রা জুন ২০২৪

#

ফাইল ছবি (সংগৃহীত)

বিদেশ থেকে আসা কোনো যাত্রী নিজের লাগেজ সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিলে বা ঘোষণা বহির্ভূত পণ্য আনলে ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হবে এবং তার লাগেজে থাকা পণ্য রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হবে। এ ছাড়া নিষিদ্ধ পণ্য বহন করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। কাস্টমসের নতুন আইন-২০২৩ অনুসারে এমন বিধান রাখা হয়েছে; যা আগামী ৬ জুন থেকে কার্যকর হচ্ছে।

গত ৩০শে মে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের সই করা এক প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

কাস্টমস আইনের ১৫৪ ধারায় বলা আছে, বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের কাস্টমসের কাছে তার লাগেজ সম্পর্কে তথ্য দিতে হবে। যাত্রী বা ক্রু লাগেজে রক্ষিত পণ্য সম্পর্কে কাস্টমস কর্মকর্তার কাছে লিখিত বা মৌখিক ঘোষণা দিতে পারবেন ও কাস্টমস কর্মকর্তার প্রশ্নের জবাব দিতে হবে। লাগেজ তল্লাশির আগে যাত্রী যদি রক্ষিত পণ্য সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে ব্যর্থ হন এবং তল্লাশিকালে ঘোষণা বহির্ভূত পণ্য পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কাস্টমস কর্মকর্তা সর্বনিম্ন ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা করতে পারবেন। এ ছাড়া, সংশ্লিষ্ট পণ্য বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে।

এর আগে, ২০২৩ সালের ৩১শে অক্টোবর জাতীয় সংসদে কাস্টমস আইন-২০২৩ পাস হয়। পুরোনো আইনে ২২৩টি ধারা ছিল। নতুন আইনে ২৬৯টি ধারা রয়েছে। রাজস্ব সংগ্রহ ও বাণিজ্য সহজীকরণের লক্ষ্যে বিশ্ব কাস্টমস সংস্থার (ডব্লিউসিও) অনুমোদিত আন্তর্জাতিক চুক্তি ও কনভেনশন অনুযায়ী এবং আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চা, যেমন- অনুমোদিত অর্থনৈতিক অপারেটর (এইও), পারস্পরিক স্বীকৃতি চুক্তি (এমআরএ), ইলেকট্রনিক ঘোষণা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, পোস্ট ক্লিয়ারেন্স অডিট (পিসিএ) ইত্যাদি নতুন আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, কাস্টমস আইন ১৯৬৯ অনুযায়ী, পণ্যের ক্ষেত্রে অসত্য তথ্য দিলে বা কোনো প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার অথবা ব্যর্থ হলে, সেক্ষেত্রে যাত্রীকে ওই পণ্য-মূল্যের অনধিক তিনগুণ পরিমাণ অর্থদণ্ডের বিধান ছিল।

ওআ/ আই.কে.জে/


বিমানবন্দর

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250