রবিবার, ৮ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৬শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘একেকটা জঙ্গি ছেলে এখন জাতীয় নেতা হয়ে বসে আছে’ *** সংবাদকর্মীদের তুলে নেওয়া মুক্ত গণমাধ্যমের জন্য ‘ভীতিমূলক দৃষ্টান্ত’: টিআইবি *** ঢাকার ৬ স্থানে তারেক রহমানের জনসভা আজ *** মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচারণা *** ‘ঘুষখোর পণ্ডিত’ নামে আপত্তি, বিজেপির রোষে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা *** সাবেক প্রিন্স অ্যান্ড্রুর দুই মেয়ের সঙ্গেও কুখ্যাত এপস্টেনের দেখাসাক্ষাৎ ছিল *** তারেক রহমানকে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘সবার আগে হাসিমুখ’ *** ক্ষমতায় গেলে ‘বিডিআর’ নাম পুনর্বহাল করবে বিএনপি *** পুলিশের এমন আগ্রাসী মনোভাবের কারণ কী, প্রশ্ন আজহারির *** যৌন হয়রানির অভিযোগে বেরোবির ২ শিক্ষককে বরখাস্ত

হার্টের রিংয়ের দাম কমল ৩ থেকে ৮৮ হাজার টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০১:৪২ অপরাহ্ন, ৫ই আগস্ট ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

মানবদেহের হৃৎপিণ্ডের রিং বা স্টেন্টের দাম কমিয়েছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। এতে রিং-ভেদে দাম ৩ হাজার থেকে ৮৮ হাজার টাকা পর্যন্ত কমেছে। গত রোববার (৩রা আগস্ট) স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় নতুন মূল্যতালিকার অনুমোদন দেয়।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের সই করা অনুমোদনপত্রে বলা হয়, তিনটি কোম্পানির ১১ ধরনের স্টেন্টের (করোনারি স্টেন্ট) দাম কমিয়ে নতুন করে নির্ধারণ করা হয়। স্টেন্ট আমদানি প্রতিষ্ঠানভেদে খুচরা মূল্য সর্বনিম্ন ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দাম সর্বোচ্চ ৪৬ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।

মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে, অনুমোদিত মূল্যতালিকা ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণসহ হাসপাতালগুলো কর্তৃক যেন স্টেন্টের ক্ষেত্রে সার্ভিস চার্জ হিসেবে ৫ শতাংশের অতিরিক্ত অর্থ আদায় না করা হয় এবং অনুমোদিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) ছাড়া কোনো কার্ডিওভাসকুলার ও নিউরো ইমপ্ল্যান্ট ডিভাইস যেন ক্রয় না করা হয়, এ বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, স্টেন্ট বা রিং পরানো দেশে হার্টের চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি। কারও হৃৎপিণ্ডে রক্ত সঞ্চালনে ব্লক বা বাধার সৃষ্টি হলে চিকিৎসক তাকে এক বা একাধিক রিং পরানোর পরামর্শ দেন। হার্টে রিং পরানোর পদ্ধতিকে অ্যানজিওপ্লাস্টি বলা হয়। এই পদ্ধতিতে একটি সরু ক্যাথেটার ব্যবহার করে ধমনিতে একটি ছোট জাল আকৃতির নল (স্টেন্ট) স্থাপন করা হয়। এটি রক্তনালিকে খোলা রাখতে সাহায্য করে এবং হৃৎপিণ্ডে রক্তসঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে।

করোনারি স্টেন্ট বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। আমেরিকা, জার্মানি, পোল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, জাপান, নেদারল্যান্ডস ও আয়ারল্যান্ড থেকে রিং আসে বাংলাদেশে। আমদানি করা এসব রিংয়ের মূল্যতালিকা বিভিন্ন হাসপাতালে টানানো থাকে। রোগীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ তালিকা থেকে বেছে নেওয়া রিং রোগীর হার্টে প্রতিস্থাপন করেন চিকিৎসকেরা।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩রা এপ্রিল ২৩ ধরনের রিংয়ের দাম নির্ধারণ করেছিল ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। এর মাস কয়েক আগে তিনটি রিংয়ের দাম কমানো হয়েছিল।

জে.এস/

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় হৃৎপিণ্ডের রিং

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250