মঙ্গলবার, ১০ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৭শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বিসিবির চাওয়া পূরণ করল আইসিসি *** জামায়াতের ভোটের প্রচারের সময় টাকা দিলেন আইনজীবী শাহরিয়ার, ভিডিও ভাইরাল *** বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক কমল ১ শতাংশ *** ‘আনোয়ার হোসেন মঞ্জু—দ্য মিডিয়া বস’ *** ভোট বর্জন করলেন আওয়ামী লীগের কারাবন্দী সাবেক এমপি আসাদ ও এনামুল *** জামায়াতকে ভোট দিলে ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে: মির্জা ফখরুল *** সরকার গঠন করলে ফজর নামাজ পড়েই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করব: জামায়াত আমির *** রাষ্ট্র পরিচালনায় বিএনপির মূলমন্ত্র হবে মহানবীর মহান আদর্শ-ন্যায়পরায়ণতা: তারেক রহমান *** দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেন, জান্নাত অবধারিত: জামায়াত প্রার্থী *** ‘আমি গায়ের জোরেই দল করি, এটা তারেক রহমানও জানেন’

র‍্যাব ও ডিজিএফআই-এর বিলুপ্তি চাইলেন সাবেক সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৩:২১ অপরাহ্ন, ৯ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

র‍্যাব ও ডিজিএফআইয়ের বিলুপ্তি চেয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া। আজ সোমবার (৯ই ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

সাবেক সেনাপ্রধান বলেন, ‘আয়নাঘরের মতো অপসংস্কৃতির জন্ম দেওয়ার পর ডিজিএফআই টিকে থাকার বৈধতা হারিয়েছে।’

গুম-খুনের ঘটনায় ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের (বরখাস্ত) বিরুদ্ধে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রথম জবানবন্দি দেন তিনি।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই জবানবন্দি নেওয়া হয়।

জবানবন্দি শেষ হলে ইকবাল করিম ভূঁইয়াকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী। তবে জেরা শেষ না হওয়ায় ১৮ই ফেব্রুয়ারি পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়।

এর আগে গতকাল রোববার জবানবন্দিতে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন, মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাহিনীপ্রধানদের মধ্যে সুপার চিফ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, যেমন ডিজিএফআই, এনএসআই, র‍্যাব, এনটিএমসি, আনসার ও বিজিবিকে তার নিয়ন্ত্রণে নেন।

তিনি বলেন, এর মাধ্যমে চারটি চক্রের উদ্ভব ঘটে। প্রথম চক্রটি হচ্ছে অপরাধ চক্র; যেটি ডিজিএফআই, এনএসআই, র‍্যাব ও এনটিএমসিকে নিয়ে তিনি পরিচালনা করতেন। এর মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমনপীড়ন, হত্যা ও গুমের মতো ঘটনা সংঘটিত হতে থাকে।

এ ছাড়া ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে ভারত ও আওয়ামী লীগ বিদ্বেষ তীব্র হয়। সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে বিভাজন ব্যাপক রূপ ধারণ করে।’

ইকবাল করিম ভূঁইয়া

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250