মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩রা চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানি নিহত, দাবি ইসরায়েলের *** নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিল আমিরাত *** সিটির বিপক্ষে ফিরতি লেগে স্কোয়াডে ফিরেছেন এমবাপ্পে *** যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের ‘র’ ও আরএসএসের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আহ্বান *** জানা গেল সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ *** বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ব্যাপক হামলা ইরানের *** ফ্যামিলি কার্ড ও টাকা দেওয়ার নামে অনলাইন চক্রের ‘ডিপফেক’ প্রতারণা *** আওয়ামী লীগের ‘পুনর্বাসন কেন্দ্র’ থেকে বিএনপির ‘পুনর্বাসন কেন্দ্র’ *** স্বেচ্ছাসেবক লীগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত *** বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন আজ

ফেসবুকে তারেক রহমানের চেয়ে তাসনিম জারার অনুসারী বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, ২৬শে জানুয়ারী ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার এখন আর নতুন কিছু নয়। এটা অনেক ভোটারের সঙ্গে প্রার্থীর সহজে যোগাযোগের বড় একটি মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকে জনসভা, পথসভা এবং মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি ব্যাপক জোর দিচ্ছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় ফেসবুক। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিজস্ব পেজ ও অ্যাকাউন্ট রয়েছে। কৌতূহলের বিষয় হলো, ফেসবুকে কার কত অনুসারী।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রধান দুই নেতার ফেসবুক পেজ রয়েছে। ফেসবুকে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অনুসারীর সংখ্যা ৫৬ লাখ। জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের অনুসারীর সংখ্যা ২৩ লাখ। ফেসবুকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের অনুসারী ১২ লাখ।

দলের প্রধান নেতার বাইরে অন্য নেতাদেরও লাখ লাখ অনুসারী রয়েছে। আবার স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যেও অনেকে ফেসবুকে সক্রিয়। তাদের অনুসারীর সংখ্যাও বেশি। যেমন তাসনিম জারার অনুসারী ৭১ লাখের বেশি। তাসনিম জারার অনুসারীর সংখ্যা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চেয়েও বেশি।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারী বেশি থাকলে প্রচারে সুবিধা হয়। প্রার্থীর নিজস্ব পরিচিতি তৈরি হয়। তবে অনুসারী বেশি মানেই ভোটে ভালো করার সম্ভাবনা—এমন নিশ্চয়তা নেই। তবে ভালো করার ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার একটি উপায় হিসেবে গণ্য হয়।

২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বারাক ওবামা ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের পাশাপাশি অভিনব উপায় হিসেবে ব্যবহার শুরু করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।

ফেসবুক, টুইটার, স্ন্যাপচ্যাট, ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবে নির্বাচনী প্রচার চালিয়েছিলেন তিনি। ইউটিউবে তার বক্তব্য নিয়ে তৈরি ‘ইয়েস উই ক্যান’ মিউজিক ভিডিও দ্রুত ভাইরাল (ছড়িয়ে পড়া) হয়েছিল।

তাসনিম জারা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250