বুধবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৩ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নতুন করে কোনো তদন্ত কমিশন হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** ১৮ মাস পর ঢাকা হয়ে কলকাতা-আগরতলা বাস আবার চালু *** ফ্যামিলি কার্ড পেতে আর্থিক লেনদেন ‘বেআইনি’: সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় *** মৃত্যুর আগপর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় *** জনগণের কাছে পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য: প্রধানমন্ত্রী *** ‘ড. ইউনূসের মতো অপরাধীদের জেলে থাকা উচিত’ *** ঈদযাত্রার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হচ্ছে ৩রা মার্চ *** এলপিজির ১২ কেজির সিলিন্ডারে দাম কমল ১৫ টাকা *** ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষিত মামলাগুলোও খতিয়ে দেখবেন নতুন চিফ প্রসিকিউটর *** গভর্নরকে স্বৈরাচার আখ্যা: শোকজের পরদিন তিন কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে বদলি

ভিক্ষুকের বিকাশ-নগদে চাঁদাবাজির ২১ লাখ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, ২৫শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

ভ্রাম্যমাণ ভিক্ষুকদের মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে চাঁদাবাজির টাকা আদায়ের অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গতকাল মঙ্গলবার (২৪শে ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দীন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ সুপার জানান, একটি চক্র বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে চাঁদা দাবি করে সেই অর্থ ভিক্ষুকদের বিকাশ, নগদ ও রকেট অ্যাকাউন্টে আনত। পরে ওই টাকা তুলে নিত চক্রের সদস্যরা। এ ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী মোছা. সুলতানা খাতুন ও মো. মোবারক হোসেনকে ২৩শে ফেব্রুয়ারি রাজশাহী মেট্রোপলিটনের পবা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ২১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, চারটি মোবাইল ফোন ও চারটি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।

সিআইডি জানায়, গত বছরের মার্চে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরের এক সুইডেনপ্রবাসী তরুণীর মায়ের কাছে ফোন করে চক্রটি জানায়, তার মেয়ে দেশে এসে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি এবং চিকিৎসার জন্য জরুরি টাকা প্রয়োজন। বিশ্বাস করে তিনি চক্রের দেওয়া একটি রকেট অ্যাকাউন্টে ৪ লাখ ৮৫ হাজার ৯৬০ টাকা পাঠান। পরে মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রতারণার বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ২৯শে মার্চ গোমস্তাপুর থানায় জিডি করেন, যা পরে মামলায় রূপ নেয়।

তদন্তে সিআইডি জানতে পারে, রাজশাহীর পবা থানাকেন্দ্রিক একটি চক্র এ চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত। মোবারক হোসেন ভিক্ষুকদের সরকারি রেশন ও ভাতার প্রলোভন দেখিয়ে তাদের নামে সিম ও এমএফএস অ্যাকাউন্ট খুলে নিতেন। পরে সেই সিম ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ফোন দিয়ে স্বজন অসুস্থ বা দুর্ঘটনায় মুমূর্ষু—এমন মিথ্যা তথ্য দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেন। কখনো পুরুষ, কখনো নারী কণ্ঠে কথা বলে বিশ্বাস অর্জন করা হতো।

অনেকে যাচাই-বাছাই না করেই আতঙ্কে টাকা পাঠিয়ে দিতেন। অর্থ পাওয়ার পর ব্যবহৃত সিম ও মোবাইল নষ্ট করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা হতো। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।

জে.এস/

অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250