ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন একজন শীর্ষ ইসরায়েলি কর্মকর্তা।
ওই ইসরায়েলি কর্মকর্তা ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, শনিবার (২৮শে ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েলি-মার্কিন যৌথ হামলায় খামেনি নিহত হয়েছেন এবং তার দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
এই দাবির বিরুদ্ধে ইরানের সরকারের কেউ এখনো পর্যন্ত কোনো নিশ্চিত ঘোষণা দিতে পারেননি। তবে এই দাবি ওঠার আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, তার জানা মতে খামেনি এবং ইরানের অন্যান্য শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক কর্মকর্তারা এখনো জীবিত আছেন।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি আর ‘বেঁচে নেই এমন লক্ষণ পাওয়া গেছে’ বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি খামেনির নিহত হওয়ার কথা সরাসরি নিশ্চিত করেননি। রয়টার্স ও এএফপির খবরে বলা হয়, নেতানিয়াহু সংক্ষিপ্ত বার্তায় এ কথা জানিয়েছেন।প্রধানমন্ত্রীর জীবনী
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সম্ভবত আর নেই। তিনি শুধু বলেছেন, যেসব তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যাচ্ছে, তাতে ক্রমেই আভাস স্পষ্ট হচ্ছে যে ইরানের ‘স্বৈরশাসক’ আর নেই।
বাংলাদেশ সময় শনিবার দিবাগত রাতে টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ তথ্য দাবি করেন নেতানিয়াহু। তবে ইরানের তরফ থেকে এ ব্যাপারে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট তথ্য আসেনি।
অবশ্য এর আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছিলেন, খামেনি কী অবস্থায় আছেন, তা স্পষ্ট করে বলার মতো অবস্থায় নেই তিনি।
টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে নেতানিয়াহু বলেন, ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে যে ‘স্বৈরশাসক’ আর নেই। ইসরায়েল তার বাসভবন ধ্বংস করে দিয়েছে। এই দাবি করলেও নেতানিয়াহু ইরানের জনগণের প্রতি সরকার পতনে সড়কে নামার আহ্বানও জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানের শাসকগোষ্ঠীকে হটানোর এই সুযোগ এক প্রজন্মে একবারই পাওয়া যাবে।
ইরানি জনগণের উদ্দেশ্যে নেতানিয়াহু বলেন, সড়কে নামুন, বিক্ষোভ করুন, কাজ শেষ করুন। এক জোট হওয়ার জন্য এটাই আপনাদের বড় সুযোগ। ঐতিহাসিক কাজ সম্পাদনে এক জোট হোন।
নেতানিয়াহু আরও বলেছেন, ইরানে যে অভিযান শুরু হয়েছে, তা শেষ করতে ধৈর্যধারণ করতে হবে। যত সময় প্রয়োজন, ততটা নিয়েই এই অভিযান শেষ হবে। এই যুদ্ধ চূড়ান্ত শান্তির পথে নিয়ে যাবে।
খবরটি শেয়ার করুন