সোমবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১১ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** প্রথমবারের মতো সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে অফিস করলেন তারেক রহমান *** খলিলুরকে ইসহাক দারের ফোন, ভবিষ্যৎমুখী অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠায় সম্মত *** এশিয়ার মুসলিম শিক্ষার্থীদের ওপর নজর তুরস্কের *** ‘বিএনপিকে হারাতে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং চেয়েছেন অনেক উপদেষ্টা’ *** ‘তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীকে এভাবে আটক রাখা ট্রাইব্যুনালের নিজস্ব কার্যবিধির অধীনেও অবৈধ’ *** চাঁদাবাজবিরোধী আন্দোলন এখন সময়ের দাবি: জামায়াত আমির *** ডিজিএফআইয়ে নতুন ডিজি, আগের ডিজি পররাষ্ট্রে *** ইরানে হামলা চালাতে যেসব কৌশল নিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র *** বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী ভারত *** ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে পারে’

গুম কমিশনের প্রতিবেদন

শব্দনিরোধক কক্ষে জমটুপি পরিয়ে ১০ কায়দায় চলত নির্যাতন

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৭:২৫ অপরাহ্ন, ১লা জুলাই ২০২৫

#

প্রধান উপদেষ্টার কাছে বন্দী জীবনের বর্ণনা দেন এক ভুক্তভোগী। ফাইল ছবি

গুম করে ভুক্তোভোগীদের নির্যাতনের জন্য শব্দনিরোধক বিশেষ কক্ষ তৈরি করেছিল র‍্যাব। যাতে নির্যাতনের সময় ভুক্তোভোগীদের কান্নার শব্দ বাইরে থেকে না শোনা যায়। ভুক্তোভোগীদের ১০ ধরনের শারীরিক নির্যাতন করা হতো। নির্যাতনে শরীরে ক্ষত সৃষ্টি হলে ওষুধ ও মলম দেওয়া হতো। এরপর শরীরের দাগ মুছলে তাদের জনসমক্ষে আসামি হিসেবে উপস্থাপন করা হতো।

এসব তথ্য উঠে এসেছে গুম সংক্রান্ত কমিশনের প্রতিবেদনে। আজ মঙ্গলবার (১লা জুলাই) বিকেলে গুম সংক্রান্ত কমিশন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুম ও নির্যাতনের প্রাতিষ্ঠানিক দিক উন্মোচন করে প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে গত বছরের ৫ই আগস্টের আগে যে গুমের সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল, তার পদ্ধতিগত চর্চা উন্মোচনের চেষ্টা করে কমিশন। গুম করে মানুষকে গোপন বন্দিশালায় মাস ও বছরের পর বছর রাখা হতো। এসব ব্যক্তিদের নির্যাতনের জন্য আলাদা কক্ষ তৈরি করা হয়েছিল। 

এতে বলা হয়, এসব কক্ষ বিশেষ কায়দায় শব্দনিরোধক করে তৈরি করা হতো। নির্যাতনের জন্য সেখানে বৈদ্যুতিক শর্ট দেওয়ার চেয়ার, ঘূর্ণয়মান চেয়ার, হাত–পা বাধার বিশেষ রশি, নখ তুলে ফেলাসহ শারীরিক নির্যাতন করতে বিভিন্ন ষন্ত্র রাখা হতো। এসব কক্ষ র‍্যাব ও ডিজিএফআই ব্যবহার করতো।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভুক্তোভোগীদের নির্যাতনের জন্য র‍্যাব ২–এ সিপিসি ৩–এ বৈদ্যুতিক ঘূর্ণায়মান চেয়ার, টিএফআই সেলে মানুষকে ঝুলিয়ে রাখার জন্য পুলি–সিস্টেম এবং একাধিক স্থানে শব্দনিরোধক কক্ষ তৈরি করেছিল তারা।

গুম সংক্রান্ত কমিশন নির্যাতনের গুম হওয়া মানুষের উপর চালানো নির্যাতনের দশটি দিক তুলে ধরেছে প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কমিশনের কাছে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৮৫০টি অভিযোগ এসেছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৩৫০টি অভিযোগ যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজ ৩৪৫ জন।

গুম কমিশনের প্রতিবেদন

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250