সোমবার, ২রা মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৮ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ড. ইউনূস কি মবের ভয়ে ‘কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে’ থাকবেন? *** ইরানে খোমেনির ভাস্কর্য উপড়ে ফেলল উত্তেজিত জনতা *** রাশিয়ায় খামেনিকে অসাধারণ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে স্মরণ করা হবে: পুতিন *** ইরানের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় রাজি ট্রাম্প *** ইসলামি প্রজাতন্ত্র ফেলে দেওয়ার আহ্বান রেজা পাহলভির *** বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও স্বাধীনতা দিবস পালন করতে নেতাকর্মীদের আহবান শেখ হাসিনার *** শিগগিরই নতুন সর্বোচ্চ নেতা পাবে ইরান, জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী *** এক বছর কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে থাকবেন ড. ইউনূস *** ইসলাম ধর্মের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান গার্দিওলার *** গণঅভ্যুত্থানে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নিয়ে কোনো বক্তব্য দেইনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিজিবি–বিএসএফের সীমান্ত সহযোগিতার নতুন অঙ্গীকার

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১১:৫০ অপরাহ্ন, ২০শে ফেব্রুয়ারি ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

সীমান্ত হত্যা ও বেড়া দেওয়া নিয়ে যখনই কোনো প্রশ্ন উঠবে, তখনই বিজিবি ও বিএসএফ যৌথ আলোচনার ভিত্তিতে দ্রুত এর মীমাংসা করবে। বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

নয়াদিল্লিতে দুই বাহিনীর তিনদিনের এই বৈঠকে সীমান্ত হত্যা ও বেড়া দেওয়ার বিষয় দুটিই প্রাধান্য পেয়েছে। আনন্দবাজার পত্রিকা ও পিটিআই আলাদা প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে। 

বৈঠকের শেষ দিনে বৃহস্পতিবার (২০শে ফেব্রুয়ারি) যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেন, সীমান্তে বেড়া দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সীমান্তের দেড় শ মিটার ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ হিসেবে স্বীকৃত। সেটা মেনে নিতে হবে।

বিজিবির মহাপরিচালক আরও বলেন, ‘বেড়া দেওয়া নিয়ে আপত্তি দেখা দিলে বা প্রশ্ন উঠলে দুই বাহিনী যৌথভাবে এলাকা পরিদর্শনের পর সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।’

দুই বাহিনীর বৈঠকের পর আজ ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যে কোনো ধরনের সীমান্ত সমস্যা মেটাতে দুই বাহিনী সমন্বিতভাবে তৎপর হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠলে বিজিবির মহাপরিচালক আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেন, ‘সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগগুলো অতিরঞ্জিত। মিডিয়ার সৃষ্টি।’

তিনি বলেন, ‘বিজিবির আওতায় যেসব এলাকা পড়ে, সীমান্তের ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত সেখানে কোথাও দুর্গাপূজার সময় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। যেগুলো ঘটেছে তার চরিত্র ধর্মীয় নয়, রাজনৈতিক। বহু ক্ষেত্রে সংখ্যালঘুরা জানিয়েছেন, তারা ভীত, সন্ত্রস্ত। বিজিবি তাদের সুরক্ষার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছে।’

৫ই আগস্টের পর ভারত-বাংলাদেশের পুরো সীমান্ত এলাকায় অনুপ্রবেশের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলে উল্লেখ করেন বিজিবির মহাপরিচালক। 

বিএসএফের মহাপরিচালক দলজিৎ সিং চৌধুরীও সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ৫ই আগস্টের পর ভারতে অনুপ্রবেশের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

হা.শা./ আই.কে.জে

বিজিবি–বিএসএফ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250