ফাইল ছবি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বাকি আর মাত্র তিন দিন। এই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অনুমতি পায়নি দেশের প্রাচীন ও অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যেই এই নির্বাচনকে ‘অগণতান্ত্রিক’ আখ্যা দিয়ে বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তথ্যসূত্র: এই সময় অনলাইন।
এবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দাবিকে সম্মতি দিয়ে ভোট বয়কটের ডাক দিল বাংলাদেশের পেশাজীবীদের ৫টি সংগঠন। একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছে তারা। সেখানে স্বাক্ষর রয়েছে মোট ১৬৭৫ জনের। তাদের মধ্যে সাংবাদিক রয়েছেন ১৩৬ জন, চিকিৎসক রয়েছেন ১১১ জন, ইঞ্জিনিয়ার রয়েছেন ২৬২ জন, কৃষিবিদ রয়েছেন ৪০১ জন, আইনজীবী রয়েছেন ৭৬৫ জন।
তাদের অভিযোগ, এই মুহূর্তে বাংলাদেশে গ্রহণযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক, অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন করার জন্য নূন্যতম রাজনৈতিক, আইনি, প্রাতিষ্ঠানিক বা নিরাপত্তাগত পরিবেশ নেই। এই নির্বাচন কোনো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হবে না, বরং একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রহসন হতে চলেছে।
নির্বাচনটি হলে তা দেশকে দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতার দিকে ঠেলে দেবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে এই বিবৃতিতে। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়েও সেখানে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ভেঙে দিয়ে সমস্ত দলকে নিয়ে একটি নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করার প্রস্তাবও সেখানে দেওয়া হয়েছে। সেই সরকার গঠন করার পরে রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা সমস্ত মামলা প্রত্যাহারের কথাও বিবৃতিতে উল্লেখ রয়েছে।
খবরটি শেয়ার করুন