বুধবার, ১১ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৯শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** আওয়ামী লীগকে ছাড়া ভোট প্রশ্নবিদ্ধই থাকবে, ওয়াশিংটনে কংগ্রেসনাল ব্রিফিং *** মোদি সরকার ভারতমাতাকে বিক্রি করে দিয়েছে: রাহুল গান্ধী *** ভারত-পাকিস্তান সংঘাত পরমাণু যুদ্ধে গড়াত, ১০টি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছিল: ট্রাম্প *** জামায়াতে ইসলামীর নেতারা যেসব কেন্দ্রে ভোট দেবেন *** বিমানবন্দরে আটক জামায়াত নেতার কাছে ছিল ৭৪ লাখ টাকা: পুলিশ *** সৈয়দপুরের মতো দেশব্যাপী আরও ঘটনা ঘটছে: বিএনপি *** এবার কুমিল্লায় ২ লাখ টাকাসহ জামায়াত নেতাকে পুলিশে সোপর্দ *** ‘বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ-বিহীন রাজনীতি ভারত বেশিদিন মেনে নিতে পারবে না’ *** ভোট দিতে না গেলে 'আক্রান্ত' হওয়ার ভয় আওয়ামী লীগের তৃণমূলে, আতঙ্কে নেতাকর্মীরা *** বাংলাদেশ–ভারত ভালো কূটনৈতিক সম্পর্ক দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

সীতাকুণ্ডের শিম যাচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকাসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১০:০৫ পূর্বাহ্ন, ৩রা ফেব্রুয়ারি ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

অন্য বছর গড়ে ১৫০ কোটি টাকার উৎপাদন হলেও এবার প্রায় ২১০ কোটি টাকার শিম উৎপাদন হয়েছে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড কৃষি বিভাগ। অন্যদিকে শিমের বাম্পার ফলনের সঙ্গে ন্যায্য মূল্য পেয়ে খুশি কৃষক। এখানে উৎপাদিত শিম দেশের চাহিদা পূরণ করে ইউরোপ-আমেরিকাসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, সীতাকুণ্ডকে বলা হয় সবজির ভাণ্ডার। এখানে সারা বছর নানা রকম সবজি উৎপাদন হয়। তবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় শিম। কার্তিকোটা, কার্ত্তিকবাটা, বাটা, পুটি, ছুরি, লইট্টা ও রূপবান প্রজাতির শিম চাষ হয়। রূপবান হলো গ্রীষ্মকালীন শিম। যা বিগত কয়েক বছর ধরে চাষ হচ্ছে। অন্য শিম শীত মৌসুমেই হয়ে থাকে।

উপজেলার অন্যতম শিম চাষ এলাকা সৈয়দপুর, বারৈয়াঢালা, পৌরসদর, মুরাদপুর, বাড়বকুণ্ড, বাঁশবাড়িয়া পরিদর্শনকালে কথা হয় চাষিদের সঙ্গে।

বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের টেরিয়াইল গ্রামের কৃষক মো. জামাল উল্লাহ, মুকসেদ আহমদ, আনোয়ার হোসেন ও মানিক শিম চাষ করেন।

কৃষক জামাল উল্লাহ কার্ত্তিকোটা শিম চাষ করেছেন ১০০ শতাংশ জমিতে। এতে বীজ, সার, কীটনাশক, কঞ্চি, শ্রমিক মজুরি বাবদ খরচ হয় আনুমানিক ৮০ হাজার টাকা। গত ১ মাসে তিনি প্রায় ২ লাখ টাকার শিম বিক্রি করেছেন। আরও লক্ষাধিক টাকার শিম বিক্রি হবে বলে আশা করছেন।

তিনি বলেন, ‘এবার তেমন কোনো রোগবালাই হয়নি। সমস্যা দেখা গেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি অফিসার পিপাস কান্তি চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি বলে দেন, কী ওষুধ ব্যবহার করতে হবে। তার কথামতো এসব ব্যবহার করে উপকৃত এবং লাভবান হয়েছি।’

আরও পড়ুন: মাশরুম চাষে ভাগ্য বদল তরুণ উদ্যোক্তা তুষারের

পৌরসভার নুনাছড়া এলাকার কৃষক মো. নুর নবী বলেন, ‘প্রায় ১৫০ শতক জমিতে শিম চাষ করেছি। খরচ হয়েছিল ১ লাখ ১০ হাজার টাকা। শুরুতে চাষ করায় নভেম্বর থেকে শিম বিক্রি শুরু করি। প্রথমদিকে প্রতি কেজি ১২০ টাকায় বিক্রি করেছি। এখনো কেজি ৪০ টাকা বিক্রি করছি। এ পর্যন্ত শিম বিক্রি করেছি প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকার। আরও লক্ষাধিক টাকার বিক্রি হবে।’

এসি/ আই.কে.জে/  


শিম উৎপাদন

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250