শনিবার, ২১শে মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৭ই চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** যমুনায় সর্বসাধারণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন প্রধানমন্ত্রী *** ঈদের দিনে মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী *** রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত *** এলো খুশির ঈদ *** বাংলাদেশে ‘ফার্স্ট লেডি’ কে—সংবিধান, বাস্তবতা ও বিতর্ক *** ড. ইউনূসকে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ঈদের নামাজে দেখতে চান ডা. তুষার *** ‘আওয়ামী লীগ রাজনীতির মাঠে থাকলে এসব অসভ্য সোজা থাকত’ *** বিএনপি ভুল করলে বাংলাদেশ একাত্তরের পরাজিত শক্তির হাতে চলে যাবে *** ঈদের ২ সিনেমায় কিংবদন্তি সাবিনা ইয়াসমিন ও রুনা লায়লার গান *** মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৫ বাংলাদেশি নিহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ইরানে বিক্ষোভে এই পর্যন্ত নিহতের যে সংখ্যা জানাল দ্য টাইম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১২:৪১ পূর্বাহ্ন, ১৩ই জানুয়ারী ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।

এসব ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ট্রাকের ওপর বসানো ভারী মেশিনগান দিয়ে আবাসিক এলাকায় নির্বিচার গুলি চালানো হচ্ছে, হাসপাতালগুলো গুলিবিদ্ধ আহতদের ভিড়ে উপচে পড়ছে। শত শত মরদেহ জমে গেছে মর্গে। খবর দ্য টাইমের।

তবে সঠিকভাবে নিহতের সংখ্যা নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। স্বীকৃত মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হিসাব কয়েক শতে পৌঁছালেও তারা শুধু শনাক্ত করা মরদেহ গণনায় ধরছে। কিন্তু যোগাযোগব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় এই কাজ অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

তেহরানের কয়েকটি হাসপাতাল থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রবাসী ইরানি শিক্ষাবিদ ও পেশাজীবীদের একটি অনানুষ্ঠানিক দল হিসাব করেছে, গত শনিবার থেকে সোমবার (১২ই জানুয়ারি) পর্যন্ত নিহত বিক্ষোভকারীর সংখ্যা ৬ হাজারে পৌঁছাতে পারে। এই হিসাবে তারা সেই মরদেহগুলো অন্তর্ভুক্ত করেনি, যেগুলো হাসপাতালে না নিয়ে সরাসরি মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এই হিসাব শুরু করা হয় এক তেহরানি চিকিৎসকের জরিপ দিয়ে। তিনি শুক্রবার ছয়টি হাসপাতালে ফোন করে নিহত বিক্ষোভকারীর সংখ্যা জানতে চান। মিলাদ (৭০), ইমাম হোসেন (৭০), ইবনে সিনা (২৩), লাব্বাফি নেজাদ (৭), ফায়াজ বাখশ (১৫) এবং শাহরিয়ার (৩২)—মোট ২১৭ জন নিহত হয় এক রাতেই। পরে বিবিসির একটি প্রতিবেদনে পূর্ব তেহরানের একটি হাসপাতালে ৪০ জনের মৃত্যুর কথা বলা হলে গড় হিসাবে ৩০ ধরা হয়।

তেহরানে মোট ১১৮টি হাসপাতালের মধ্যে ৬৩টি সরকারি বা সামরিক। জরিপকারীরা ধরে নেন, এর অর্ধেক হাসপাতালে মরদেহ এসেছে। এতে গত বৃহস্পতিবার (৮ই জানুয়ারি) রাতেই তেহরানে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৯০০। শুক্রবার আরও ৯০০ এবং শনিবার (তুলনামূলক কম বিক্ষোভে) ৪০০ জন নিহত হয় বলে অনুমান করা হয়। পাশাপাশি পাশের আলবোরজ প্রদেশে আরও ১ হাজার মৃত্যুর হিসাব যোগ করা হয়, যেখানে ২০২২ সালের হিজাব আন্দোলনের সময়ও তীব্র সহিংসতা হয়েছিল।

এভাবে দুই প্রদেশে তিন দিনে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩ হাজার ২০০। অন্যান্য শহরের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি প্রয়োগ করে, জাতিগত ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় সংখ্যা সমন্বয় করা হয়। শেষ পর্যন্ত মোট হিসাব অর্ধেকে নামিয়ে এনে তিন দিনে ৬ হাজার ১৭৮ জন নিহত হয়েছে বলে অনুমান করা হয়।

ইরান

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250