বুধবার, ১৮ই মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩রা চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ড. ইউনূসের চেয়ে বড় বাটপার বাংলাদেশের সরকারে কেউ আসেননি: আনিস আলমগীর *** সরকার গঠনের ২৮ দিনে প্রধানমন্ত্রীর ২৮ পদক্ষেপ ‘অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ’ *** মুসলিম হও, নয়তো মৃত্যু—নাইজেরিয়ায় খ্রিষ্টান সম্প্রদায়কে জঙ্গিদের হুমকি *** ইরান যুদ্ধের মধ্যেই কিউবা দখলের হুমকি, ট্রাম্পের মতিগতি কী? *** ধর্ষণ প্রতিকারে বিশেষ পদক্ষেপ নেবে সরকার *** চা বিক্রেতা বৃদ্ধা ও নাতনির কাছে ঈদ উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী *** কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপ দাবি আওয়ামী লীগের *** কারাবন্দি আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের জন্য দোয়ার আয়োজন, অতঃপর... *** ১০ বছরে বাংলাদেশে শ্রমবাজারে প্রবেশ করা অর্ধেক তরুণই কাজ পায়নি: বিশ্বব্যাংক *** ‘জামায়াতের সঙ্গে বিএনপি আপস করায় প্রধানমন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ করা উচিত’

শিল্পাঞ্চলে অস্থিতিশীলতা, নেপথ্যের ইন্ধনদাতাদের খুঁজতে হবে

উপ-সম্পাদকীয়

🕒 প্রকাশ: ০১:১৯ অপরাহ্ন, ৮ই সেপ্টেম্বর ২০২৪

#

ছবি - সংগৃহীত

গত কয়েকদিন ধরে গাজীপুর, আশুলিয়া ও সাভার এলাকার শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষের কারণে শত শত কারখানা বন্ধ হয়েছে। বেশকিছু কারখানায় ভাঙচুর করা হয়েছে। যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিজিএমইএ নেতারা বলেছেন, কারখানার অভ্যন্তরীণ সমস্যা খুবই কম। বহিরাগতরা বিক্ষোভ করছে, ভাঙচুর চালাচ্ছে। বহিরাগতদের ইন্ধনের কারণেই শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

দেশের অর্থনীতির অন্যতম মূল চালিকাশক্তি গার্মেন্টস শিল্প। এর সাথে জড়িত দেশের কোটি মানুষের জীবিকা। এই শিল্পকে স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসতে যা যা করণীয় দ্রুতই তা সরকারকে করতে হবে। যেহেতু শ্রমিক অসন্তোষের নেপথ্যে বহিরাগতদের ইন্ধন আছে, সেহেতু এ বিষয়ে ইন্ধনদাতাদের দ্রুত খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো প্রকার রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব দেখানো যাবে না। প্রকৃত অপরাধীদেরকে গ্রেফতার করতে হবে।

কোটা সংস্কার ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় দেশে ব্যাপক নাশকতা হয়েছে। সে সময় গার্মেন্টসসহ অন্যান্য শিল্প খাতও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় দুই মাস অনেক প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক কার্যক্রম চলতে পারেনি। তখন প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া ইন্টারনেট স্লো কিংবা বন্ধ থাকার কারণে এইসব শিল্প প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। ৫ই আগস্ট সরকার পতনের পরও বেশকিছু শিল্প প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। সামগ্রিকভাবে শিল্প খাতগুলোতে বেশ কিছুদিন ধরেই একপ্রকার মন্দা পরিস্থিতি বিরাজ করছিল।

নতুন সরকার আসার পর দেশে একটি স্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি  হওয়ার কারণে গার্মেন্টস শিল্প যখন ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিল, ঠিক তখনই এই শিল্পে শ্রমিক অসন্তোষ শুরু হয়। যা গার্মেন্টস মালিকদের কাছে বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো একটি অবস্থা। বেতন বৈষম্য, শ্রমিকদের মধ্যে নারী-পুরুষের সমতার দাবি করা হলেও এসব ঠুনকো অভিযোগ। মূলত সরকার পরিবর্তনের পর এক শ্রেণীর রাজনৈতিক নেতাদের ঝুট ব্যবসা দখল নেয়ার জন্য সুপরিকল্পিতভাবে শ্রমিকদের ব্যবহার করা হচ্ছে।

সরকার পক্ষ থেকে কঠোর অবস্থানের কথা বলা হয়েছে। সেনাবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবির নেতৃত্বে যৌথবাহিনী অভিযান পরিচালনা করছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শ্রমিকদের গ্রেফতার করে এর সমাধান সম্ভব নয়। নেপথ্যে থাকা ইন্ধনদাতাদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হলেই কেবলমাত্র শ্রমিক অসন্তোষের অবসান ঘটবে। তাহলেই শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে দ্রুত কর্মপরিবেশ ফিরে আসবে।

আই.কে.জে/

শিল্পাঞ্চল

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250