বৃহস্পতিবার, ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩০শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** দুপুর ২টা পর্যন্ত নির্বাচনে ৪৮৬ কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা, ৫৯ কেন্দ্রে জালভোট *** একটি রাজনৈতিক দল বারবার অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে: তারেক রহমান *** ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা, পুকুরে নামিয়ে শাস্তি *** ঢাকা–১৪ ও ১৫ আসন: ভোট দিতে না পারার অভিযোগ কয়েকজন ভোটারের *** সারাদেশের ভোটদানের চিত্র পর্যবেক্ষণ প্রধান উপদেষ্টার *** নির্বাচন ঘিরে ভোটারদের উদ্দেশে তারেক রহমানের বিশেষ বার্তা *** আজকে নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন: প্রধান উপদেষ্টা *** ভোট দিলেন প্রধান উপদেষ্টা *** নির্বিঘ্নে ভোট হলে ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া সম্ভব: তারেক রহমান *** আমরা সরকার গঠনের ব্যাপারে আশাবাদী, ভোট দিয়ে জামায়াত আমির

খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে সরকারি জমি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৯:৪২ অপরাহ্ন, ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০২৩

#

ছবি : সংগৃহীত

দেশের নাগরিকদের প্রয়োজনীয় খাদ্যের যোগান দিতে এবং দেশের খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে সরকারি মালিকানাধীন জমিগুলোকে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী।

দেশের রাজনীতি ও পররাষ্ট্রনীতিতে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করার পর এবার কৃষিক্ষেত্রেও নিজেদের প্রভাব বিস্তারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী, যা ইতিমধ্যে দেশের জনগণের মনে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান সেনাবাহিনী পূর্ব পাঞ্জাব প্রদেশের ১০ লাখ একর বা ৪ লক্ষ ৫ হাজার হেক্টর জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

চোলিস্তান মরুভূমিতে অবস্থিত এ জমিগুলো মূলত শুষ্ক প্রকৃতির এবং জলের অভাবও এখানে দৃশ্যমান।

জানা যায়, জমিটি ৩০ বছরের জন্য পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে বন্ধক দেওয়া হবে। সেনাবাহিনী এখানে গম, তুলা এবং আখের মতো অর্থকরী ফসল এবং কিছু শাকসবজি ও ফলের চাষ করবে। লাভের ২০ শতাংশ দেশের গবেষণা ও উন্নয়নের কাজে ব্যয় করা হবে। বাকি অর্থ সেনাবাহিনী এবং রাজ্য সরকারের মধ্যে সমানভাগে বিভক্ত হবে।

সমালোচকদের দাবি, এতসব জমি সেনাবাহিনীকে বন্ধক হিসেবে দেওয়া হলে দেশের বৃহত্তর পরিমাণের জমির মালিক হিসেবে সেনাবাহিনী নিজের স্থান দৃঢ় করে নিবে। তাদের দাবি, এ জমিগুলো সেনাবাহিনীকে প্রদানের পরিবর্তে ২৫০ লাখ দরিদ্র নাগরিকদের চাষের জন্য দেওয়া যেতে পারে।

জমি হস্তান্তর স্থগিত করার জন্য লাহোর হাইকোর্টে মামলা করে এ সিদ্ধান্ত স্থগিত করার চেষ্টা করা হলেও শেষ রক্ষা হয়নি।

২৫ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে, সামরিক বাহিনীর মিডিয়া উইং এবং ইন্টার-সার্ভিস পাবলিক রিলেশন্সের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরীকে কর্পোরেট ফার্মিং প্রকল্প সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে, তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা পাকিস্তানের জন্য এখন অনেক বড় একটি চ্যালেঞ্জ। উন্নয়নশীল ও উন্নত দেশগুলো কৃষিখাতের উন্নয়নে তাদের সামরিক বাহিনীকে বিভিন্নভাবে ব্যবহার করছে। 

তবে জমিগুলোকে চাষযোগ্য করে তোলার জন্য সামরিক বাহিনীর ভূমিকা সম্পর্কিত সকল ধরনের সিদ্ধান্ত প্রাদেশিক এবং ফেডারেল সরকারই গ্রহণ করবে।

এসকে/ এএম/ 




পাকিস্তান সেনাবাহিনী সরকারি খাদ্য উৎপাদন

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250