বৃহস্পতিবার, ২রা এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৯শে চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** নারী এমপিদের নিয়ে জামায়াতের আমির হামজার ‘বডি শেমিং’ মন্তব্যে তীব্র ক্ষোভ *** অন্তর্বর্তী সরকারের ২০ অধ্যাদেশ আটকে দেওয়ার সুপারিশ বিশেষ কমিটির *** শেখ হাসিনার আমলের প্রকল্প হওয়ায় রোষানলে পড়ে ইউনূসের *** শনিবার রাজধানীতে ১১ দলের বিক্ষোভ সমাবেশ-মিছিল *** ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথে *** ফরাসি সিনেমা ‘লা ভেনাস ইলেকট্রিক’ দিয়ে শুরু হবে কান উৎসব *** দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে ইরানে তীব্র আক্রমণের ঘোষণা ট্রাম্পের *** ১২ কেজির এলপিজির দাম বেড়ে ১৭২৮ টাকা *** মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে আমিরাতের প্রতি বাংলাদেশের সংহতি *** মাইকে ঘোষণা দিয়ে মব সৃষ্টি করে পুলিশকে মারধর, আসামি ছিনতাই

নির্বাচনের আগে চেনাজানা মানুষের কাছে ৩৬ কোটি টাকা সহায়তা চাইলেন মান্না

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, ২৮শে ডিসেম্বর ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

৩৬ কোটি টাকা খেলাপি ঋণের কারণে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। এমন পরিস্থিতিতে ঋণখেলাপি না হতে চেনাজানা মানুষের কাছে আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

গতকাল শনিবার (২৭শে ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর তোপখানা রোডে নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মান্না এ কথা জানান। এ সময় সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ২০০৭–০৮ সালের দিকে নিজ এলাকায় ঋণ নিয়ে একটি হিমাগার করেছিলেন। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমস্যা দেখা দেওয়ার পর তিনি জেলে যান। সে সময় তার ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন ইউনিয়ন পর্যায়ের এক আওয়ামী লীগ নেতা। তিনি গ্রেপ্তারের পর ওই ব্যবসা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। তার ব্যবসায়িক অংশীদার এর এমডি হয়ে যান।

মান্না বলেন, ১০-১২ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলেন, যা এখন ৩৬ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। ৫ই আগস্টের পর ওই এমডির নামে হত্যা মামলা, মানি লন্ডারিংয়ের মামলা হয়েছে। এ জন্য তিনি স্ত্রীসহ দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। ঋণখেলাপি থেকে বাঁচতে হলে ওই এমডিকে আদালতে হাজির করতে হবে। তবে তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন, এমন কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

মাহমুদুর রহমান মান্না ঋণ পুনঃ তফসিলের আবেদন করেছিলেন জানিয়ে বলেন, আদালতে গেলে তার পক্ষে আদেশ এসেছে, যাতে তার নামটি খেলাপির তালিকায় না থাকে। কিন্তু দুপুরে দেওয়া ওই আদেশ সন্ধ্যায় স্থগিত করা হয়েছে। একটি শ্রেণি সেটি আটকে দিয়েছে, যাতে তিনি নির্বাচন করতে না পারেন। বগুড়ায় বিএনপির স্থানীয় সভাপতি একজন সংসদ সদস্য প্রার্থী। তিনি তার প্রভাব দলগতভাবে ব্যবহার করছেন। দলের একটি অংশ আদালতেও সেই প্রভাব ব্যবহার করছে। অভ্যুত্থানের পর বিচারব্যবস্থা এখনো প্রভাবিত বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি বলেন, তিনি আদালতের কাছে কিছুটা সময় চেয়েছেন। এর মধ্যে নির্বাচনী মনোনয়ন ফরমও জমা দিতে হবে। তাই তিনি চাচ্ছেন, সিআইবি (ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোতে ঋণখেলাপিদের তথ্য সংরক্ষণ) যাতে স্থগিত করা হয়। ঋণখেলাপির তালিকা থেকে তার নাম যেন বাদ রাখা হয়।

ঋণখেলাপির তালিকা থেকে নাম বাদ দিতে চেম্বার আদালতে গিয়েছেন জানিয়ে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, রোববার (আজ) একটি রায় হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে তিনি ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন। রায় যদি তার অনুকূলে না আসে, তাহলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

তবে সবদিক বিবেচনায় রায় তার পক্ষে আসা উচিত বলে মনে করেন মান্না। তিনি বলেন, যারা তাকে জানেন, ভালোবাসেন, সেই বিশ্বাস থেকে কেউ যদি এই টাকা দিয়ে সহযোগিতা করেন, তাহলে তিনি নির্বাচন করতে চান।

মাহমুদুর রহমান মান্না

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250