রবিবার, ৫ই এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২২শে চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ইরানে যুদ্ধের প্রভাবে ভারতে কনডমের দাম বাড়তে পারে *** সোমবার ইরানের শেষ সুযোগ, মঙ্গলবার পাওয়ার প্ল্যান্ট গুঁড়িয়ে দেবেন ট্রাম্প *** সড়ক পরিবহনমন্ত্রী আ.লীগের মন্ত্রীদের মতো উত্তর দিয়েছেন: বিএনপির এমপি মনিরুল *** সরকারি চাকরির বয়সসীমা ৩২ করে সংসদে বিল পাস *** ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় হামের বিশেষ টিকাদান *** ধর্ম পালন করায় মানসিক নিপীড়ন, মেডিকেল শিক্ষার্থীর মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য *** ‘গয়েশ্বর রায়ের কাছে ব্যক্তিত্বের মূল্য মন্ত্রণালয়ের চেয়েও বড়’ *** এলডিসি থেকে উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতি দুর্বল: জাতিসংঘের প্রতিবেদন *** প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন ও ছালেহ শিবলী *** ‘নরক’ নামানোর হুমকি ট্রাম্পের, পালটা যে পরিণতির বার্তা দিল ইরান

ক্যানসার হবে কি না ৭ বছর আগেই জানতে পারবেন!

স্বাস্থ্য ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৪:০১ অপরাহ্ন, ১৮ই মে ২০২৪

#

ছবি : সংগৃহীত

কমবেশি সবাই আঁতকে ওঠেন ক্যানসারের নাম শুনলেই। কঠিন এই রোগ থেকে বাঁচতে সচেতনতা জরুরি। ক্যানসার রোগের আগাম খবর পেতে বিশ্বজুড়েই গবেষণা চলছে। এর মধ্যেই সাফল্য দুটি বিদেশি গবেষণায়।

সংবাদমাধ্যম আইএনএএস’র সূত্র অনুযায়ী, ক্যানসার হবে কি না তা ৭ বছর আগেই জানা যাবে। আর জানা যাবে কিছু প্রোটিনের মাধ্যমে। ক্যানসার রিসার্চ ইউকে’র তত্ত্বাবধানে এই গবেষণা চলছে।

এই গবেষণার জন্য প্রায় ৪৪ হাজার ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করা হয়। প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতেই জানা গেছে নতুন এই তথ্য। গবেষণা জানাচ্ছে, ক্যানসারের মূল কারণ হলো প্রোটিন। আর সেই প্রোটিনই খবর দেবে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি আছে কতটা।

গবেষকরা সম্প্রতি এমন প্রায় ৬১৮ প্রোটিন খুঁজে বের করেছেন। রক্তে এদের উপস্থিতি জানান দেবে কোনো ব্যাক্তির ক্যানসার হতে পারে কি না। এর মধ্যে আবার ১০৯টি প্রোটিনের একটি বিশেষ গ্রুপ আছে বলেও জানিয়েছেন গবেষকরা।

মোট ১৯ রকম ক্যানসারের সন্ধান মিলবে বলে জানা গেছে গবেষণায়। ওই ৬১৮টি প্রোটিন মোট ১৯ রকম আলাদা আলাদা ক্যানসারের সঙ্গে জড়িত থাকে।

আরো পড়ুন : রক্তের আত্মীয়কে বিয়ে করা যাবে কি-না, জানালেন গবেষকরা

গবেষকদের মতে, ক্যানসারের সবচেয়ে প্রাথমিক স্টেজেই এই প্রোটিনগুলো ধরা পড়ে। ফলে প্রোটিনের খোঁজ পেলেই ক্যানসার শনাক্ত ও তা নির্মূল করা যাবে। ক্যানসারকে প্রতিরোধ করাও সম্ভব একই উপায়ে।

এই গবেষণায় প্রোটিওমিক পদ্ধতির সাহায্য নেওয়া হয়েছিল। এটি একটি শক্তিশালী প্রযুক্তি। এর সাহায্যে সহজেই বিভিন্ন কোষের ভিতরকার প্রোটিনগুলোর কার্যকলাপ দেখা যায়।

একটি কোষের প্রোটিনের কার্যকলাপ অন্য কোষের প্রোটিনের থেকে আলাদা না এক, তাও দেখা যায় প্রোটিওমিক পদ্ধতিতে। এই পদ্ধতিতে একসঙ্গে অনেকগুলো প্রোটিনের সেটকে পরীক্ষা করা সম্ভব।

ক্যানসারকে নির্মূল করতে আরও ভালো করে এর নেপথ্যে থাকা প্রোটিনগুলোকে চিনতে হবে। এমনটিই সংবাদমাধ্যমকে জানান চিকিৎসক অক্সফোর্ড পপুলেশন হেলথের সিনিয়র নিউট্রিশনাল এপিডেমিওলজিস্ট কেরেন প্যাপিয়ার। এই গবেষণার অন্যতম লেখক তিনি।

তার মতে, হাজার হাজার মানুষের কাছ থেকে এই সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এই প্রোটিনগুলোকে নিয়ে আরও গবেষণা করলে ক্যানসারের রহস্য আরও স্পষ্ট হবে।

সূত্র: এবিপি নিউজ/নিউজ মেডিকেল/দ্য গার্ডিয়ান/এমএসএন

এস/  আই.কে.জে

ক্যানসার গবেষক

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250