বৃহস্পতিবার, ২রা এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৯শে চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** শনিবার রাজধানীতে ১১ দলের বিক্ষোভ সমাবেশ-মিছিল *** ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথে *** ফরাসি সিনেমা ‘লা ভেনাস ইলেকট্রিক’ দিয়ে শুরু হবে কান উৎসব *** দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে ইরানে তীব্র আক্রমণের ঘোষণা ট্রাম্পের *** ১২ কেজির এলপিজির দাম বেড়ে ১৭২৮ টাকা *** মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে আমিরাতের প্রতি বাংলাদেশের সংহতি *** মাইকে ঘোষণা দিয়ে মব সৃষ্টি করে পুলিশকে মারধর, আসামি ছিনতাই *** বজ্রপাতের মতো হঠাৎ এসেছে হাম, আমাদের প্রস্তুতি ছিল না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী *** ‘মাহফুজ আনাম শেখ হাসিনার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন, খালেদা জিয়া–তারেক রহমানের কাছে নয়’ *** সংসদে অচলাবস্থা, বাইরে আন্দোলনের ইঙ্গিত

‘ডিপ স্টেট’ ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার প্রস্তাব দিয়েছিল: আসিফ মাহমুদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, ২৭শে মার্চ ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া দাবি করেছেন, ‘ডিপ স্টেট’ তাদের ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার প্রস্তাব দিয়েছিল।

তিনি বলেছেন, ‘আমরা (অন্তর্বর্তী সরকার) যখন সরকারের দায়িত্বে ছিলাম, শুরুর দিকে আমাদেরকে বিভিন্ন শক্তিশালী ইনস্টিটিউশন, যাদেরকে ডিপ স্টেট বলা হয়, তাদের থেকে আমাদের অফার করা হয়েছিল—‘‘আপনারা শেখ হাসিনার যে মেয়াদ আছে, ২০২৯ সাল পর্যন্ত শেষ করেন। আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব।’’’

রাজধানীতে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত বিশেষ আলোচনা সভায় এ দাবি করেন আসিফ মাহমুদ।

আসিফ বলেন, ‘তাদের (ডিপ স্টেটের) কিছু শর্ত ছিল, তাদেরকে কিছু কিছু জায়গায় ফ্যাসিলিটেট (সুবিধা) করা। তারা রোডম্যাপ করে নিয়ে আসছিল যে, বিএনপির নেতাদের সাজা আছে। সাজা থাকলে সাধারণভাবে নির্বাচন দিলেও তারা নির্বাচন করতে পারবে না। আদালতের তারিখ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে তাদের সাজাগুলো আদালতের মাধ্যমে দীর্ঘ করা। (প্রধানমন্ত্রী) তারেক রহমানের নিজের নামে সাজা ছিল। তিনি যদি সাজাপ্রাপ্ত অবস্থায় থাকতেন, নির্বাচন হলেও তিনি অংশ নিতে পারতেন না। তারা (ডিপ স্টেট) পুরো স্ট্র্যাটেজি (কৌশল) আমাদেরকে সাজিয়ে দিয়েছিল—কীভাবে ক্ষমতায় থাকা যায়, তাদের সঙ্গে একধরনের দর-কষাকষির সমঝোতার ভিত্তিতে। আমরা সেটাতে সায় দিইনি।’

এনসিপির মুখপাত্র জানান, তারা কেবল একটি সুষ্ঠু নির্বাচন চেয়েছিলেন। নির্বাচন যেন প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, সে জন্য নিজেরা আগ বাড়িয়ে অন্তর্বর্তী সরকার থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা দেখলাম, বিগত সরকারের দুজন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি বর্তমান সরকারের মন্ত্রী পদমর্যাদায় আছেন। যদিও এই সরকার দলই সে সময় আমাদের পদত্যাগ চেয়েছিল। নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের (সমান সুযোগ) একধরনের যুক্তি দাঁড় করিয়েছিল। তারাই আগের সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দুজন দায়িত্বশীলকে তাদের মন্ত্রী হিসেবে নিল।’

আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, এটা বোঝা যায়, তারা নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার জন্য এই মানুষগুলোকে পুরস্কৃত করে তাদের ব্যবহার করেছে।

সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার প্রসঙ্গ তুলে আসিফ জানান, ডিপ স্টেট বলে পরিচিত সংস্থাগুলোর প্রস্তাব গ্রহণ করলে তাদের পক্ষে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার বয়ান উৎপাদিত হতো।

তিনি বলেন, ‘ডিপ স্টেট এজেন্সি যদি সঙ্গে থাকত, তাহলে সবাই বলতে পারত, সংবিধান অনুযায়ী ২০২৯ সালে নির্বাচন হওয়া উচিত। তাহলে সরকার থাক ২০২৯ সাল পর্যন্ত। আমরা সেই সমঝোতা করি নাই।’

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম প্রমুখ।

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250