সোমবার, ৬ই এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৩শে চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** চীন সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্ব *** জুলাই জাতীয় সনদ ঘিরে অনড় সরকার–বিরোধী দল, সমঝোতা নেই *** তারেক রহমান সরকারের প্রথম একনেক সভা *** মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী *** প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ *** নতুন সরকারের প্রথম একনেক বৈঠক আজ, অগ্রাধিকার পাচ্ছে ১৭ প্রকল্প *** নিষিদ্ধ করলেই রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগের শক্তি বিলীন হয়ে যাবে না *** ইরানে যুদ্ধের প্রভাবে ভারতে কনডমের দাম বাড়তে পারে *** সোমবার ইরানের শেষ সুযোগ, মঙ্গলবার পাওয়ার প্ল্যান্ট গুঁড়িয়ে দেবেন ট্রাম্প *** সড়ক পরিবহনমন্ত্রী আ.লীগের মন্ত্রীদের মতো উত্তর দিয়েছেন: বিএনপির এমপি মনিরুল

মাটির নিচে গোপন শহর!

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৫:০৮ অপরাহ্ন, ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৪

#

ছবি : সংগৃহীত

১৯৬৩ সালের দিকে খোঁজ মিলেছে বিষ্ময়কর এক শহরের, যার অবস্থান তুরস্কের কাপাডোশিয়াতে। ভূগর্ভস্থ এই শহর কবে, কীভাবে মাটির নীচে চাপা পড়ে গিয়েছিল তার কারণ জানা যায় না। পাথরের নরম শিলা খোদাই করে তৈরি করা এই শহরে রয়েছে বড় বড় সুড়ঙ্গ পথ। আর এই সুড়ঙ্গ পথগুলো যুক্ত করেছে শহরের খোদাইকৃত অন্যান্য গুহাকে। 

১৯৬৩ সালে এই শহর কিছুটা অদ্ভুতভাবেই আবিষ্কার করে ফেলেন এক ব্যক্তি। জানা যায়, এক ব্যক্তি নিজের বাসা মেরামত করছিলেন। হঠাৎ তার বাসার একটি দেয়াল ভেঙে যায়। সঙ্গে সঙ্গে ঘরের মেঝে ধ্বসে পড়ে মাটির নিচের অন্ধকার এক কক্ষে। তিনি স্থানীয় প্রশাসনকে জানানোর পরেই রীতিমতো হইচই পড়ে যায়।

পরে দেখা যায়, জীবন যাপনের প্রয়োজনীয় অনেক কিছুই ছিল ওই শহরে। যেমন স্কুল, গীর্জা, বাজার, গোয়ালঘর, কুয়া, গণ জমায়েতের জায়গা, এমনকি অস্ত্র জমার রাখার ঘরও ছিল। ভূগর্ভস্থ শহরটিতে আরও ছিল খাবারের দোকান, মদের ভান্ডার এবং কবরস্থান। শহরের নাম ডেরিংকুয়ো। এই শহরকে বলা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভূগর্ভস্থ শহর। পরিকল্পিত এই শহরটিতে আনুমানিক ২০ হাজার লোক বসবাস করতেন। 

আরো পড়ুন : মেয়ের সুরক্ষায় মাথায় সিসি ক্যামেরা বসালেন বাবা!

ডয়চে ভেলের তথ্য, তিনশো শতকের দিকে নির্যাতনের শিকার খ্রিষ্টানরা কাপাডোশিয়ার পাথুরে ভূমিতে গড়ে তুলেছিলেন এই শহর। 

মাটির নিচে বিরল স্থাপনার নিদর্শনও এটি। ভূগর্ভস্থ শহরে পৌঁছানোর জন্য সিঁড়ির ব্যবস্থা আছে। এই শহরের প্রতিটি ঘরের প্রবেশ মুখ অনেকটা  কুয়ার মতো। ঘরের ভেতরে রয়েছে প্রশস্ত জায়গা। এই শহরের মানুষেরা  ছাগল, ভেড়া, গরু পুষতেন। নিরাপত্তার দিক দিয়ে বেশ সতর্ক ছিলো ভূগর্ভস্থ এই শহরবাসী। শহরে প্রবেশের পথগুলো পাঁচ ফুট চওড়া এবং ৫০০ কেজি ওজনের বিশাল পাথরের দরজা দিয়ে বন্ধ থাকতো। দরজাগুলো দেখতে গোলাকার। দরজাগুলো এমনভাবে বসানো হয়েছিল, যাতে প্রতিটি স্তর বন্ধ করা যায় আলাদা আলাদা ভাবে।  

এছাড়া আস্ত একটি নদী প্রবাহিত ছিলো ডেরিংকুয়ো শহরের তলদেশ দিয়ে। ভূগর্ভস্থ মানুষের পানি সরবরাহের  জন্য ছিলো অনেক কুয়া। এসব কুয়া সেই নদীর সাথে সংযুক্ত ছিল। এর মাধ্যমে নিত্যদিনের খাবার পানি সংগ্রহ করতো শহরবাসী। ১৯৬৯ সাল থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে ডেরিংকুয়ো। যদিও শহরের ১৮ টি স্তরের মধ্যে মাত্র আটটিতে প্রবেশ করতে পারেন পর্যটকরা। বাকিগুলোতে প্রবেশের অনুমতি নেই। এখনও শহরটির সবকিছু আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি।

এস/কেবি


গোপন শহর

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250