বৃহস্পতিবার, ২৯শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘একাত্তরের গণহত্যাও কি ধর্মের লেবাস চড়িয়েই চালানো হয়নি?’ *** নির্বাচন সামনে রেখে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সুরক্ষার অঙ্গীকার চায় সিপিজে *** টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৯০ ক্রিকেটার ‘চরম ঝুঁকিপূর্ণ’ *** ‘তারেক রহমান মনোনীত ৩০০ গডফাদারকে না বলুন, বাংলাদেশ মুক্তি পাবে’ *** সরকারি কর্মচারীদের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’–এর পক্ষে প্রচার দণ্ডনীয়: ইসি *** যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের টানাপোড়েনে মধ্যস্থতা করতে চায় তুরস্ক *** ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডকে ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করছে ইইউ *** হাজিরা পরোয়ানাকে ‘জামিননামা ভেবে’ হত্যা মামলার ৩ আসামিকে ছেড়ে দিল কারা কর্তৃপক্ষ *** আওয়ামী ভোটব্যাংক: জয়-পরাজয়ের অদৃশ্য সমীকরণ *** ‘সজীব ওয়াজেদ জয়ের যুক্তি অযৌক্তিক নয়’

পাইরেটেড চাইনিজ সফটওয়্যারের কারণে বাংলাদেশের জাতীয় ডেটা সেন্টার ক্ষতির সম্মুখীন

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৪:২২ অপরাহ্ন, ১০ই জুন ২০২৩

#

প্রতীকী ছবি

বর্তমানে বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেডের (বিডিসিএল) ন্যাশনাল ডেটা সেন্টার (এনডিসি) চীনের সরবরাহকৃত লাইসেন্সবিহীন বা পাইরেটেড সফটওয়্যারের কারণে সরকারী ডেটা সংরক্ষণ করতে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

এর আগেও চীন তার প্রতিবেশী দেশগুলোতে নিম্নমানের এবং ত্রুটিপূর্ণ সরঞ্জাম, অস্ত্র ও বিমান সরবরাহের জন্য প্রায়ই সমালোচিত হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশেও চীনের সরবরাহকৃত সফটওয়্যারের কারণে নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হলো দেশটি।

পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহারের ফলে ফায়ারওয়্যাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার আপডেট করতেও সমস্যা হয়েছে এবং ২.১ পেটাবাইট স্টোরেজের ক্ষতিসাধন হয়েছে।

জেডটিই এনডিসি পুনর্গঠনে সাহায্য করতে সম্মত হলেও তা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল। 

মূলত চীনা কোম্পানির কার্যক্রমই এমন, তারা প্রথমে ত্রুটিপূর্ণ সরঞ্জামাদি বিক্রি করে পরবর্তীতে সেই সরঞ্জামাদি ঠিক করতে মোটা অংকের টাকা দাবি করে।

ডাটা সেন্টারের ব্যর্থতার কারণে বাংলাদেশ সরকার এখন তথ্য সংরক্ষণের জন্য বিকল্প রাস্তা খুঁজছে। ইউএস ভিত্তিক ওরাকল ক্লাউড ইতিমধ্যেই বাংলাদেশকে ক্লাউড পরিষেবা প্রদানের জন্য আশ্বস্ত করেছে। তাছাড়াও যুক্তরাজ্যভিত্তিক কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সাথেও এ বিষয়ে আলাপ আলোচনা চলছে।

চলতি বছরের ১২-১৫ ফেব্রুয়ারি সাইবার আক্রমণ থেকে চীনা কোম্পানিগুলো তাদের গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্য রক্ষা করতে ব্যর্থ হলে ব্যাপক সমালোচিত হয়। এ ঘটনায় প্রায় ৪৫ কোটি গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি যায়।

চীনের শীর্ষ নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে একটি, আনহেং ইনফরমেশন কোম্পানি লিমিটেড এ ঘটনার জন্য চ্যাট জিপিটি বা স্বয়ংক্রিয় একটি রোবটকে দায়ী করে।

নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার জন্য চীনা সরকারের ডেটা সুরক্ষা নীতিগুলো এই ঘটনার ফলে সমালোচিত হয়।

আরো পড়ুন: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্থগিত রাখার সুপারিশ জাতিসংঘ বিশেষ দূতের

বর্তমান বিশ্বে ডেটা হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ এবং এর ক্ষতি উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে, এমনকি অর্থনীতির পতন পর্যন্ত ঘটাতে পারে।

বাংলাদেশ সরকারের তাই তথ্যের নিরাপত্তার বিষয়ে আরও সচেতন হতে হবে।

এম এইচ ডি/ আই.কে.জে/

পাইরেটেড সফটওয়্যার চাইনিজ সফটওয়্যার বাংলাদেশ জাতীয় ডেটা সেন্টার

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250