রবিবার, ৮ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৬শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ক্ষমতায় গেলে নাহিদকে মন্ত্রী করার প্রতিশ্রুতি জামায়াত আমিরের *** করোনার পর দেশে অ্যালার্জির ওষুধ বিক্রি বেড়েছে *** ‘একেকটা জঙ্গি ছেলে এখন জাতীয় নেতা হয়ে বসে আছে’ *** সংবাদকর্মীদের তুলে নেওয়া মুক্ত গণমাধ্যমের জন্য ‘ভীতিমূলক দৃষ্টান্ত’: টিআইবি *** ঢাকার ৬ স্থানে তারেক রহমানের জনসভা আজ *** মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচারণা *** ‘ঘুষখোর পণ্ডিত’ নামে আপত্তি, বিজেপির রোষে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা *** সাবেক প্রিন্স অ্যান্ড্রুর দুই মেয়ের সঙ্গেও কুখ্যাত এপস্টেনের দেখাসাক্ষাৎ ছিল *** তারেক রহমানকে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘সবার আগে হাসিমুখ’ *** ক্ষমতায় গেলে ‘বিডিআর’ নাম পুনর্বহাল করবে বিএনপি

ইউরোপজুড়ে অভিবাসনবিরোধী বক্তব্য ও নীতি জোরালো হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, ১৫ই ডিসেম্বর ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপজুড়ে অভিবাসনবিরোধী মনোভাব তীব্র হয়ে উঠছে। গত বছরে অভিবাসনবিরোধী মনোভাব পোষণকারী হাজারো মানুষ ‘ওদের দেশে ফেরত পাঠাও!’ স্লোগান দিয়ে লন্ডনের রাস্তায় মিছিল করেছে।

যুক্তরাজ্যের এক আইনপ্রণেতা অভিযোগ করেছেন, তিনি এখন টেলিভিশনে অশ্বেতাঙ্গ মুখ দেখছেন বেশি। দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের রাজনীতিবিদেরাও অভিবাসীদের দেশছাড়া করার পক্ষে কথা বলছেন। খবর এপির।

যুক্তরাজ্য ও ইউরোপজুড়ে অভিবাসী ও অভিবাসী–বংশোদ্ভূতদের প্রকাশ্যভাবে দানব হিসেবে উপস্থাপনের প্রবণতা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে অভিবাসন উঠে আসছে। এ বিষয় নিয়ে প্রচারে থাকা ডানপন্থী দলগুলোর জনপ্রিয়তাও বাড়ছে।

ইউরোপের কয়েকটি দেশে অভিবাসনকে জাতীয় পরিচয়ের জন্য হুমকি হিসেবে তুলে ধরা রাজনৈতিক দলগুলো জনমত জরিপে শীর্ষে বা শীর্ষের কাছাকাছি অবস্থান করছে। এসব দলের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্যের রিফর্ম ইউকে, জার্মানির অলায়েন্স ফর জার্মানি ও ফ্রান্সের ন্যাশনাল র‍্যালি।

গত এক দশকে ইউরোপের কয়েকটি দেশে অভিবাসন নাটকীয়ভাবে বেড়েছে। এর পেছনে আংশিকভাবে রয়েছে আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেনের সংঘাত থেকে পালিয়ে আসা লাখ লাখ আশ্রয়প্রার্থীর ইউরোপে আসার বিষয়টি। তবে মোট অভিবাসনের তুলনায় আশ্রয়প্রার্থীদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈচিত্র্য ও অভিবাসনের প্রতি বিরূপ মনোভাবের পেছনে একাধিক কারণ কাজ করছে। ২০০৮ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের পর থেকে অর্থনৈতিক স্থবিরতা, ক্যারিশম্যাটিক জাতীয়তাবাদী রাজনীতিকদের উত্থান এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভাজনমূলক প্রভাব—সবকিছুই এতে ভূমিকা রেখেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিভাজনের মনোভাবকে আরও উসকে দিয়েছে। বিশেষ করে এক্স (সাবেক টুইটার), যেখানে অ্যালগরিদম বিভাজনমূলক কনটেন্টকে প্রাধান্য দেয় এবং যার মালিক ইলন মাস্ক কট্টর ডানপন্থী পোস্ট সমর্থনসূচকভাবে রিটুইট করেন।

ইউরোপজুড়ে ডানপন্থী দলগুলোর মধ্যে জার্মানির অলায়েন্স ফর জার্মানি, ফ্রান্সের ন্যাশনাল র‍্যালি এবং হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবানের ফিদেজ পার্টি জাতিগত জাতীয়তাবাদকে উৎসাহ দিচ্ছে। এখন তা ট্রাম্প প্রশাসনের সমর্থনও পাচ্ছে। এই শত্রুতাপূর্ণ ভাষা বহু ইউরোপীয় রাজনীতিবিদদের মনে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

যেসব নীতি একসময় চরমপন্থী বলে বিবেচিত হতো, সেগুলোই এখন দৃঢ়ভাবে রাজনৈতিক এজেন্ডায় জায়গা করে নিয়েছে। জনমত জরিপে নিয়মিত শীর্ষে থাকা কট্টর ডানপন্থী দল রিফর্ম ইউকে বলছে, ক্ষমতায় এলে তারা অভিবাসীদের স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা কেড়ে নেবে—এমনকি তারা যদি দশকের পর দশক যুক্তরাজ্যে থেকেও থাকে। বিরোধী দল কনজারভেটিভরা বলছে, যেসব দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ব্রিটিশ নাগরিক অপরাধ করবে, তাদের দেশছাড়া করা হবে।

জে.এস/

অভিবাসনবিরোধী বক্তব্য

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250