ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল। তারা জানিয়েছে, আয়াতুল্লাহ খামেনি গতকাল শনিবার (১লা মার্চ) ভোরে তার দপ্তরে ‘দায়িত্ব পালনরত অবস্থায়’ নিহত হন। খবর বিবিসির।
বিবিসি ভেরিফাই স্যাটেলাইট চিত্র ব্যবহার করে তেহরানে খামেনির দপ্তর ‘লিডারশিপ হাউস’ প্রাঙ্গণের কিছু অংশে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, নিজ দপ্তরে খামেনির মৃত্যু প্রমাণ করে যে, তার আত্মগোপনে থাকার খবরগুলো ছিল মূলত ‘শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ।’
এর আগে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে ইরানি গণমাধ্যম ফার্স নিউজ। তাঁর মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করা হয়।
ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি খামেনির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছে, তিনি তার ‘নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালনকালে মারা গেছেন।’ প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গতকাল শনিবার ভোরের দিকে তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুতে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণার কথাও জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।
এর আগে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই দাবি করেন।
তিনি খামেনিকে ইতিহাসের অন্যতম ‘নিকৃষ্ট ব্যক্তি’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, এটি কেবল ইরানি জনগণের জন্য নয়, বরং সারা বিশ্বের জন্য ন্যায়বিচার।
খবরটি শেয়ার করুন