ছবি: সংগৃহীত
সকালে আটকের পর সন্ধ্যায় মুক্তি পেয়েছেন ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসের ছোট ভাই সাবেক প্রিন্স অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন উইন্ডসর। কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কয়েক মাস ধরে নিজ দেশে তীব্র সমালোচনার মধ্যে ছিলেন সাবেক ব্রিটিশ প্রিন্স অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর। এই অভিযোগে তার প্রিন্স উপাধি ও সম্মাননাও বাতিল করেন বড় ভাই ও রাজা তৃতীয় চার্লস।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৯শে ফেব্রুয়ারি) সরকারি পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে পুলিশের হাতে আটক হন অ্যান্ড্রু। যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। তবে তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য পুলিশ।
তবে সকালে আটক করা হলেও সন্ধ্যায় তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। এদিন নরফোকোর একটি পুলিশ স্টেশন থেকে তাকে বের হতে দেখা যায়। ব্রিটিশ গণমাধ্যমের প্রকাশিত একটি ছবিতে এটি গাড়ির পেছনে তাকে হেলান দিয়ে বসে থাকতে দেখা যায়।
এ ঘটনায় টেমস ভ্যালি পুলিশ জানায়, জেফরি এপস্টেইনের মাধ্যমে এক নারীকে যুক্তরাজ্যে পাচার করে অ্যান্ড্রুর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে।
এ ছাড়া, যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে অ্যান্ড্রু এপস্টেইনের সঙ্গে সংবেদনশীল তথ্য আদান-প্রদান করার অভিযোগও তদন্ত করা হচ্ছে। অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অভিযোগ গঠন করা হয়নি। তদন্তের প্রয়োজনে তাকে আবার ডাকা হতে পারে বলে জানায় পুলিশ।
এদিকে, অ্যান্ড্রুর আটকের পর গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তার বড় ভাই ও রাজা তৃতীয় চার্লস। এমনকি তার আটকের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলেন, এটি রাজপরিবারের ওপর খুব খারাপ প্রভাব ফেলবে।
এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রু সম্পর্কের বিষয়টি সামনে আসার পর ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে উইন্ডসর শহরের রয়্যাল লজ ছেড়ে নরফোকের স্যান্ড্রিংহাম এস্টেটে চলে যান অ্যান্ড্রু। পরে বাকিংহাম প্যালেস জানায়, ২০২৬ সালের শুরুতে অ্যান্ড্রুকে রয়্যাল লজ ছাড়তে হবে। তবে এপস্টিন সম্পর্কিত সর্বশেষ নথি প্রকাশের পর বাড়ি ছাড়ার প্রক্রিয়া দ্রুতগতিতে এগিয়ে যায়।
জে.এস/
খবরটি শেয়ার করুন