শনিবার, ২১শে মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৭ই চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** যমুনায় সর্বসাধারণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন প্রধানমন্ত্রী *** ঈদের দিনে মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী *** রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত *** এলো খুশির ঈদ *** বাংলাদেশে ‘ফার্স্ট লেডি’ কে—সংবিধান, বাস্তবতা ও বিতর্ক *** ড. ইউনূসকে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ঈদের নামাজে দেখতে চান ডা. তুষার *** ‘আওয়ামী লীগ রাজনীতির মাঠে থাকলে এসব অসভ্য সোজা থাকত’ *** বিএনপি ভুল করলে বাংলাদেশ একাত্তরের পরাজিত শক্তির হাতে চলে যাবে *** ঈদের ২ সিনেমায় কিংবদন্তি সাবিনা ইয়াসমিন ও রুনা লায়লার গান *** মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৫ বাংলাদেশি নিহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিকের ৩১ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য বড় সুখবর

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, ১৬ই নভেম্বর ২০২৫

#

ফাইল ছবি

দেশের ১৫০টি উপজেলার ৩১ লাখ ১৩ হাজার শিক্ষার্থী স্কুল ফিডিং পাবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। শনিবার (১৫ই নভেম্বর) নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন ও প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে এক শীর্ষক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিধান রঞ্জন রায় বলেন, প্রাইমারি স্কুলের পড়াশোনা উদ্দেশ্য—সব বই শেখা নয়। উদ্দেশ্য হচ্ছে, একজন শিশু যেন তার মাতৃভাষায় শিখতে পারে, মাতৃভাষায় পড়ে বুঝতে পারে এবং মাতৃভাষায় যেন তার মনের ভাবটি প্রকাশ করতে পারে।

তিনি বলেন, শিশুরা যেন প্রাথমিকে গণিতের সাধারণ নিয়ম যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ বুঝতে পারে। সে সাবলীলভাবে লিখতে পারে, বুঝতে পারে। শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করতে পারলে, সে নিজের উদ্যোগে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। আমাদের সন্তানদের মুখস্থবিদ্যা নয়, প্রকৃত শিক্ষায় গড়তে হবে।

উপদেষ্টা বলেন, আমাদের সন্তানেরা মুখস্থ করে পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাচ্ছে কিন্তু ভর্তি পরীক্ষায় বেশির ভাগ ফেল করছে। এ কাগজের বৃত্তির কোনো দাম নেই। আমাদের প্রকৃত শিক্ষায় শিখতে হবে। প্রাইমারিতে একজন শিশু যেন সাবলীলভাবে মাতৃভাষায় সঠিক শিক্ষা শিখতে পারে, সে তার মনের ভাবগুলো লিখতে পারে। শিশুরা যদি প্রাথমিকে এসব অর্জন করতে পারে, তাহলে নিশ্চিতভাবে মাধ্যমিকে ভালো করবে, উচ্চশিক্ষায় ভালো কররেব। জীবনে একজন সফল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মাসুদ রানা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক আবু নুর মোহাম্মদ শামসুজ্জামান প্রমুখ।

‘কর্মসূচি’র প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখা এবং পুষ্টি উন্নয়নে সারাদেশের নির্বাচিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে ‘স্কুল ফিডিং’ কার্যক্রম নাটোর থেকে শুরু হয়েছে।

তিনি জানান, এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক, সমতাভিত্তিক ও গুণগত শিক্ষা অর্জনে সহায়তা এবং পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহের মাধ্যমে তাদের পুষ্টিগত অবস্থার উন্নয়ন সাধন করা। যাতে বিদ্যালয়ে শিশুদের উপস্থিতির হার শতকরা ৮০ ভাগের বেশি হয় এবং ঝরে পড়া কমে আসে।  

উল্লেখ্য, ২০২৭ সাল পর্যন্ত এ প্রকল্প মেয়াদকালে দেশের নির্বাচিত ১৫০টি উপজেলার ১৯ হাজার ৪১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩১ লাখ ১৩ হাজার শিক্ষার্থীকে সপ্তাহে পাঁচ স্কুল কর্মদিবসে ফর্টিফাইড বিস্কুট, কলা বা মৌসুমি ফল, বনরুটি, ডিম এবং ইউএইচটি দুধ তথা পুষ্টিকর খাবার প্রদান করা হবে।

বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250