রবিবার, ৮ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৬শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা ও উগ্র মতাদর্শ নারীবিদ্বেষকে উসকে দিচ্ছে: ফারাহ কবির *** নারীর অধিকার কোনো একটি সরকারের দান নয়: সারা হোসেন *** ঢাকায় প্রায় ৪০টি খেলার মাঠ করার প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের *** প্রায় ২৪ হাজার রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার *** ইসলামাবাদ হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ আটক, ভারত সংশ্লিষ্টতার দাবি পাকিস্তানের *** লাহোরে আইসিসি-পিসিবির বৈঠকে কী পেতে পারে বাংলাদেশ *** ‘নির্বাচন যথেষ্ট অন্তর্ভুক্তিমূলক নয়, অংশগ্রহণমূলক করার সুযোগ আছে’ *** পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে ভারত-আওয়ামী লীগ বিদ্বেষ তীব্র হয়: সাবেক সেনাপ্রধান *** ‘সংখ্যালঘুদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকে পরিণত করেছে অন্তর্বর্তী সরকার’ *** কমিশনে দায়িত্ব পালন করলেও সরকারের অংশ ছিলাম না: বদিউল আলম মজুমদার

৪১ জনকে ব্রিটেনে নেওয়ার সুপারিশ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত লেবার মেয়রের, অতঃপর...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০২:৫১ অপরাহ্ন, ২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২৫

#

২০২৪ সালের মে মাসে মেয়র হিসেবে অভিষেক হয় আমিরুল ইসলামের। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ থেকে ৪১ জন বন্ধু ও পরিবারের সদস্যের ভিসা দিতে ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ হাইকমিশনে সুপারিশমূলক চিঠি দেন লেবার পার্টির বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক মেয়র। এই সুপারিশ করতে গিয়ে আমিরুল ইসলাম নামের ওই মেয়র লেবার পার্টি থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনেরও অভিযোগ উঠেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের অনুসন্ধানে এ তথ্য উঠে এসেছে।

টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লন্ডনের এনফিল্ড কাউন্সিলের মেয়র আমিরুল ইসলাম তার কাউন্সিলের অফিশিয়াল ক্রেস্ট ও লোগো ব্যবহার করে ব্রিটিশ হাইকমিশন, ঢাকায় একটি ‘অফিশিয়াল’ চিঠি পাঠান। এতে বলা হয়, ভিসা আবেদনগুলো যেন গ্রহণযোগ্য বিবেচনা করা হয়।

টেলিগ্রাফের হাতে এই চিঠিগুলো এসেছে। মেয়র আমিরুল হাইকমিশনের কর্মীদের কাছে অনুরোধ করে লিখেছিলেন, উত্তর লন্ডনের এনফিল্ড কাউন্সিলের মেয়র হিসেবে অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তার ‘কিছু ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ ও পরিবারের সদস্য ব্রিটেনে আসবেন। তাদের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া যেন ‘সহজ’ করা হয়।

তবে ওই ঘটনার পর ৪৭ বছর বয়সী আমিরুল ইসলাম অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা হোম অফিসের তদন্তের মুখোমুখি হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে, তিনি তার পদমর্যাদার অপব্যবহার করে পরিবার, বন্ধু ও সহযোগীদের ভিসা পেতে সহায়তা করেছেন।

১৬০ পৃষ্ঠার ওই তদন্ত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আমিরুল ইসলাম মেয়র হওয়ার এক বছর আগেও এমন কিছু চিঠি পাঠিয়েছিলেন। এমনকি তিনি যে এই পদে আসবেন, তা জানার আগেই কয়েকটি চিঠি পাঠানো হয়েছিল।

২০২৪ সালের মে মাসে হোম অফিস কাউন্সিলর অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানায়, বাংলাদেশের দূতাবাসের কর্মীরা তাদের ডেপুটি মেয়রের কাছ থেকে ভিসাসংক্রান্ত একটি চিঠি পেয়েছেন। এরপরই এই তদন্ত শুরু হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কিছু চিঠিতে পাসপোর্ট নম্বর এবং জন্মতারিখ ছিল, যাতে উল্লেখিত ভিসা আবেদনগুলো ‘দ্রুত’ গ্রহণ করা হয়।

এদিকে আমিরুল ইসলাম তদন্তকারীদের বলেছেন, তার আগে আরও কয়েকজন মেয়র নিজের কার্যালয় ব্যবহার করে ভিসা আবেদনে সুপারিশ করেছেন। তদন্তে দেখা যায়, কাউন্সিলের কর্মীরা ভিসা আবেদনের জন্য চিঠি তৈরি করতে বিব্রতবোধ করলে মেয়র আমিরুল নিজেই কিছু চিঠি তৈরি করেন।

জে.এস/

আমিরুল ইসলাম

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250