ফাইল ছবি
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) আশা করছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে শুরু হওয়া বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম নতুন সরকারও অব্যাহত রাখবে।
আজ সোমবার (২৩শে ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, আমরা প্রত্যাশা করছি বিচারিক সংস্কার বাস্তবায়ন হবে, কমার্শিয়াল কোর্ট গড়ে তোলা হবে এবং অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় সুশাসন নিশ্চিত করা হবে।
তিনি বলেন, ইইউ-বাংলাদেশ সম্পর্কের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে এসব বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
মিলার ও ঢাকায় নিযুক্ত ইইউভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতেরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
এর আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
মিলার গণমাধ্যমকে জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা এবং সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যাশা করছে ইইউ।
তিনি বলেন, ইইউ বাংলাদেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বন্ধু, সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার ও বিনিয়োগকারী, সহায়তার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং নবনির্বাচিত সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অংশীদার।
তিনি বলেন, সংস্কার, বাণিজ্য, মানবিক বিষয়, অভিবাসনসহ ইইউ-বাংলাদেশ সম্পর্কের সব দিক নিয়েই আলোচনা হয়েছে। ইইউ রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশ ও ইইউর মধ্যে পার্টনারশিপ অ্যান্ড কো-অপারেশন অ্যাগ্রিমেন্ট চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা আশা করি খুব শিগগিরই বাংলাদেশের সঙ্গে এই চুক্তি সই করার অবস্থানে যেতে পারব।
মিলার বলেন, অবশ্যই বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
খবরটি শেয়ার করুন