ছবি: সংগৃহীত
এমএলএসের (মেজর লিগ সকার) একজন মুখপাত্রের মতে, লস অ্যাঞ্জেলেস এফসির বিপক্ষে ম্যাচ শেষে রেফারিদের জড়িয়ে যে ঘটনার আলোচনা উঠেছিল, সেখানে লিওনেল মেসি লিগের কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করেননি। তাই ইন্টার মায়ামির এই আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে কোনো ধরনের শাস্তির মুখে পড়তে হচ্ছে না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, প্রতিপক্ষের স্টেডিয়াম লস অ্যাঞ্জেলেস মেমোরিয়াল কলোসিয়ামের লকার রুম এলাকার একটি রুমে মেসিকে ঢুকতে বাধা দিচ্ছেন উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজ। তবে সুয়ারেজের বাধা এড়িয়ে মেসি ভেতরে যান এবং আট সেকেন্ড পর বেরিয়ে এসে সতীর্থদের সঙ্গে নিজেদের লকার রুমের দিকে চলে যান।
তবে এমএলএসের ওই মুখপাত্র ক্রীড়া বিষয়ক আমেরিকান সংবাদমাধ্যম দ্য অ্যাথলেটিককে জানিয়েছেন, ভিডিওতে দেখতে পাওয়া দরজাটি রেফারিদের লকার রুমের ছিল না। অর্থাৎ ৩৮ বছর বয়সী মেসি আসলে কোনো সংরক্ষিত এলাকায় (যেখানে খেলোয়াড়দের যাওয়ার অনুমতি নেই) প্রবেশ করেননি।
এর আগে ২০২৩ সালে একটি প্লে-অফ ম্যাচ শেষে রেফারিদের লকার রুমে ঢুকে পড়েছিলেন এফসি সিনসিনাটির ডিফেন্ডার ম্যাট মিয়াজগা। তখন তাকে তদন্তের মুখে পড়তে হয়েছিল এবং 'আচরণবিধি লঙ্ঘনের' দায়ে তিন ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
এমএলএসে রেফারিদের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো কারণে বিশ্বকাপজয়ী মেসি এখন পর্যন্ত কোনো শাস্তির মুখে পড়েননি। তবে গত বছর অল-স্টার ম্যাচে অংশ না নেওয়ায় তাকে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এছাড়া, গত মৌসুমে একটি ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের মুখ বা মাথা বা ঘাড় স্পর্শ করা বিষয়ক নিয়ম ভাঙায় তাকে জরিমানাও গুণতে হয়।
এমএলেসের শিরোপা ধরে রাখার অভিযানের শুরুটা মোটেও শুভ হয়নি মায়ামির। গতকাল রোববার গ্যালারিতে উপস্থিত ৭৫ হাজার ৬৭৩ জন দর্শকের সামনে তারা লস অ্যাঞ্জেলস এফসির কাছে ৩-০ গোলে হেরে গেছে। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৫ ম্যাচের মধ্যে প্রথমবার মেসি মাঠে থাকা সত্ত্বেও গোল করতে ব্যর্থ হয় ক্লাবটি।
বছরের প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে মেসিকে একদমই চেনা ছন্দে পাওয়া যায়নি। যদিও তিনি মাঠে ফিরেছিলেন হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট কাটিয়ে। তার নিষ্প্রভ থাকার দিনে পুরো ম্যাচে মায়ামি ১০টি শট নিলেও মাত্র দুটি লক্ষ্যে রাখতে পারে। কিন্তু প্রতিপক্ষের জাল কাঁপানোর জন্য তা যথেষ্ট ছিল না।
খবরটি শেয়ার করুন