সোমবার, ২৩শে মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৯ই চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ *** যুদ্ধ থামাতে কূটনৈতিক দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে তুরস্ক *** পুনর্গঠনের পথে আওয়ামী লীগ, নতুন নেতৃত্বে ফেরার প্রত্যাশা *** ‘সমালোচনা নিতে পারেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান’ *** বিদেশি কূটনীতিককে জামায়াত আমিরের জড়িয়ে ধরা ‘বিতর্ক’, শুভেচ্ছা নাকি অসদাচরণ? *** ‘ঈদের নামাজে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর একসঙ্গে উপস্থিতি নিছক আনুষ্ঠানিকতা নয়’ *** যুদ্ধ বন্ধে মরিয়া ট্রাম্প, আলোচনার জন্য উপযুক্ত ইরানি নেতা খুঁজে পাচ্ছেন না *** যুক্তরাষ্ট্রকে আকাশসীমা ও ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া নিয়ে মিথ্যাচার করছে উপসাগরীয় দেশগুলো *** ‘এক যুগে বাংলাদেশকে ৬.৫ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা দিয়েছে ভারত’ *** হলে হলে ছুটছেন তারকারা

‘রুহ’টা ভারতে! মাহি কেন লিখলেন এমন কথা

বিনোদন প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০২:৫৪ অপরাহ্ন, ২৩শে নভেম্বর ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

আড়াই বছরের শিশু ফারিশ চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির জীবনের সবচেয়ে উজ্জ্বল আলোর অধ্যায়। সেই আলো থেকে ছয় মাস ধরে দূরে তিনি। মা–ছেলের হয় না সরাসরি দেখাদেখি। এই না দেখাদেখিতে প্রতিদিন নতুন করে কষ্টের অধ্যায় রচিত হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের আলোঝলমলে নগরীতে থেকেও মনে হয় তার সবকিছু ফাঁকা। কারণ, তার ‘রুহ’ পড়ে আছে ভারতে। ছোট্ট ছেলে ফারিশকে নিজের রুহ বলে সম্বোধন করেছেন মাহি।

সন্তান জন্মের পর অভিনয় কমিয়ে দিয়েছিলেন। মাহির জীবনের পুরোটা সময় ছেলেকে ঘিরেই ছিল। কখনো ফারিশের হাত ধরে হাঁটা, কখনো খেলাধুলা, আবার মাঝেমধ্যে ভিডিওতে ধরা সেই হাসিখুশি মুহূর্ত—সবকিছু যেন এক অমূল্য ছিল। এখন সেই স্মৃতিগুলোই তাকে বাঁচিয়ে রাখে, আবার কষ্টও দেয়।

ছয় মাসের বেশি সময় ধরে মাহিয়া মাহি আছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে। শনিবার (২২শে নভেম্বর) রাতে মাহিয়া মাহি তার ফেসবুক পেজে একাধিক স্থিরচিত্র পোস্ট করে কান্নার ইমোজি দিয়ে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমার রুহটা ইন্ডিয়ায়, আর আমি আমেরিকায়।’ 

জানা গেছে, ভারতে বাবার কাছে আছে ফারিশ। মা–ছেলের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও কল। ফারিশ পর্দায় হাসলে মাহির চোখ ভিজে ওঠে। কখনো আবার কথার মধ্যেই থেমে যান তিনি। 

মাহি বলেন, ‘ছেলেটাকে খুব ছুঁয়ে দেখতে মন চায়। জড়িয়ে ধরে আদর করতে ইচ্ছা করে। কিন্তু ভিডিও কলে কি আর তা সম্ভব! মনটা চায়, দৌড়ে গিয়ে ছেলেটাকে বুকের ভেতর শক্ত করে জড়িয়ে ধরি।’

মাঝেমধ্যে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মাহির মন খারাপ হয়। ছোট্ট ছেলেটার কথা খুব মনে হয়। দূরদেশে একা বিছানায় শুয়ে তিনি কাঁদেন নিঃশব্দে। তারপর ধীরে ধীরে নিজের চোখ মোছেন, কথা প্রসঙ্গে এমনটাই জানা গেল। মাহি বলেন, ‘আর কিছুদিন, তারপরই ছেলের কাছে ফিরব।’

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়ালেও মাহির কথা স্পষ্ট, কিছু প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করতেই তার এই দূরে থাকা।

নিউইয়র্কে যাওয়ার পর প্রথম দিনের ছবির ক্যাপশনে লিখেছিলেন, ‘ঠিক আছে, ধন্যবাদ, বিদায়।’ মানুষ ভেবেছিল, তিনি হয়তো দেশত্যাগ করছেন চিরতরে। অথচ তার মন তো আটকে ছিল ছেলের কাছে, বাংলাদেশের স্মৃতিতে।

জে.এস/

মাহিয়া মাহি

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250