বৃহস্পতিবার, ২৯শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বিশ্বজুড়ে ব্যাংকিং খাতে বঞ্চনার শিকার মুসলিমরা *** সরকারি কর্মচারীদের পাঁচ বছরের বেশি থাকা ঠিক না: প্রধান উপদেষ্টা *** আড়াই মাস চেষ্টা করেও আল জাজিরা তারেক রহমানের সাক্ষাৎকার নিতে পারেনি *** মানুষের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় একসঙ্গে কাজ করতে হবে *** অজিত পাওয়ারকে বহনকারী বিমান বিধ্বস্তের আগে ‘রহস্যজনক নীরবতা’ *** ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার প্রত্যাহারের সংকেত বুঝতে পারছে না সরকার *** ‘আমি কিন্তু আমলা, আপনি সুবিচার করেননি’ *** প্রধান উপদেষ্টার কাছে অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি *** ভারত-ইউরোপের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ও বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি *** ‘গ্রিনল্যান্ড: মার্কিন হুমকি বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের বিষয়’

সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে এবার দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৩:৩৫ অপরাহ্ন, ২৮শে জানুয়ারী ২০২৬

#

ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া

সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

আজ বুধবার (২৮শে জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর তরিকুল ইসলাম এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আজ সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে আনিস আলমগীরকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। পরে বেলা ১১টার দিকে তাকে হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে, দুই হাতে হাতকড়া লাগিয়ে আদালতে আনা হয়। এ সময় তার সঙ্গে ১৫ থেকে ২০ জন পুলিশ সদস্য ছিলেন। কাঠগড়ায় তোলার আগে হেলমেট, হাতকড়া ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট খুলে রাখা হয়। শুনানি চলাকালে তিনি কাঠগড়ার পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে শুনানি শুরু হয়। আনিস আলমগীরের পক্ষে আইনজীবী ওকালতনামা গ্রহণ করেন। শুনানি শেষে আদালত তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। পরে তাকে আবার হাজতখানায় নেওয়া হয়।

২৫শে জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান এ মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। এর আগে ১৫ই জানুয়ারি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আনিস আলমগীরের নামে ২৫ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ এবং ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৪ কোটি ৯ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় হিসাবে তাঁর ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এতে মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮৯ টাকা।

অভিযোগে আরও বলা হয়, আনিস আলমগীরের বৈধ আয়ের উৎস থেকে মোট আয় পাওয়া গেছে ৯৯ লাখ ৯ হাজার ৮৫১ টাকা। এর মধ্যে অতীত সঞ্চয় ৫৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮২১ টাকা, টক শো ও কনসালটেন্সি থেকে আয় ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৯৭৭ টাকা, প্লট বিক্রি থেকে ২২ লাখ টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক সুদ বাবদ ৩ লাখ ২৪ হাজার ৫৩ টাকা অন্তর্ভুক্ত।

ঘোষিত ও গ্রহণযোগ্য আয়ের তুলনায় তার ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার সম্পদ বেশি পাওয়া গেছে, যা মোট অর্জিত সম্পদের প্রায় ৭৭ শতাংশ। এ অর্থকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে অভিযোগপত্রে।

গত বছরের ১৪ই ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাবাসাবাদের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ১৫ই ডিসেম্বর তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে তোলা হয়।

ওই দিন আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন করা হয়। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন। রিমান্ড শেষে ২০শে ডিসেম্বর কারাগারে পাঠানো হয় তাকে। এর পর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।

আনিস আলমগীর

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250