বৃহস্পতিবার, ২৯শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘একাত্তরের গণহত্যাও কি ধর্মের লেবাস চড়িয়েই চালানো হয়নি?’ *** নির্বাচন সামনে রেখে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সুরক্ষার অঙ্গীকার চায় সিপিজে *** টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৯০ ক্রিকেটার ‘চরম ঝুঁকিপূর্ণ’ *** ‘তারেক রহমান মনোনীত ৩০০ গডফাদারকে না বলুন, বাংলাদেশ মুক্তি পাবে’ *** সরকারি কর্মচারীদের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’–এর পক্ষে প্রচার দণ্ডনীয়: ইসি *** যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের টানাপোড়েনে মধ্যস্থতা করতে চায় তুরস্ক *** ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডকে ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করছে ইইউ *** হাজিরা পরোয়ানাকে ‘জামিননামা ভেবে’ হত্যা মামলার ৩ আসামিকে ছেড়ে দিল কারা কর্তৃপক্ষ *** আওয়ামী ভোটব্যাংক: জয়-পরাজয়ের অদৃশ্য সমীকরণ *** ‘সজীব ওয়াজেদ জয়ের যুক্তি অযৌক্তিক নয়’

বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়ছে, দামের উত্তাপ কমছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ১১:০৬ পূর্বাহ্ন, ২৩শে অক্টোবর ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

চালের দামের তেজ কমতে শুরু করেছে। সরবরাহ বাড়ায় সবজির বাজারের উত্তাপও নামছে। কয়েকটি তো ১০ থেকে ২০ টাকা কমে মিলছে। শুল্কহ্রাস ও সরকার আমদানি করায় সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিতে চালে এক থেকে দুই টাকা কমেছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৩শে আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁও কাঁচাবাজার, মহাখালী ও কারওয়ান বাজার ঘুরে এ চিত্র পাওয়া যায়।

নতুন ধান ওঠার পরও টানা দুই মাস চালের বাজার চড়া ছিল। তবে আমদানি শুল্ক কমানো ও সরকারি উদ্যোগে আমদানির প্রভাবে খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি সরু বা মিনিকেট ৭২ থেকে ৮০ এবং মাঝারি বা বিআর-২৮ ও পায়জাম জাতের চাল ৫৮ থেকে ৬৬ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। মোটা বা গুটি স্বর্ণা ও চায়না ইরির কেজি ৫২ থেকে ৫৫ টাকা। ভারতীয় মাঝারি মানের চাল ৫৬ থেকে ৫৮ ও মোটা জাতের কেজি ৫০ থেকে ৫২ টাকা।

কারওয়ান বাজারের জনতা রাইস এজেন্সির স্বত্বাধিকারী সৌরভ হোসেন বলেন, ভারত থেকে আমদানির কারণে চালের সরবরাহ বেড়েছে। এর প্রভাবে দাম কিছুটা কমছে।

গত সপ্তাহে বেশির ভাগ সবজি ৬০ থেকে ৮০, এমনকি দুয়েকটি ১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হয়। তবে আজ বেশ কয়েকটি সবজি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমে বিক্রি হতে দেখা যায়। খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি কাঁকরোল ৮০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হয়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৯০ থেকে ১০০। গত সপ্তাহে ৭০ থেকে ৮০ টাকার ঢ্যাঁড়শ বিক্রি হয় ৬০ টাকায়।

প্রায় ২০ টাকা কমে পটোল ৬০ থেকে ৭০, উচ্ছে ৮০ থেকে ১০০, ঝিঙে ৬০ থেকে ৭০ ও মুলা ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হয়। ধুন্দলে ক্রেতার খরচ হচ্ছে ৬০ টাকা, গত সপ্তাহে যা ছিল ৭০ থেকে ৮০। কাঁচা পেঁপে ৩০ থেকে ৩৫, বরবটি ১০০ থেকে ১১০ এবং লম্বা বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হয়।

২০ টাকার মতো কমে টমেটো ও শসা যথাক্রমে ১০০ থেকে ১১০ ও ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের মতো কাঁচামরিচের কেজি ১৪০ থেকে ১৭০ টাকা।

আগারগাঁওয়ের সবজি ব্যবসায়ী সাইফুল মিয়া বলেন, কারওয়ান বাজারে পাইকারিতে সবজির দর বাড়লে সব জায়গায় বাড়ে। এখন বৃষ্টিপাত নেই। বাজারে সবজি বেশি আসছে, দামও কমছে।

দেশি মসুর ডাল আগের দাম ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায় এবং আমদানি মসুর ৯৫ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। বাজারে মুরগি, ডিম ও মাছের দামে তেমন হেরফের দেখা যায়নি।

জে.এস/

বাজার পরিস্থিতি

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250