রবিবার, ৮ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৬শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** সাবেক প্রিন্স অ্যান্ড্রুর দুই মেয়ের সঙ্গেও কুখ্যাত এপস্টেনের দেখাসাক্ষাৎ ছিল *** তারেক রহমানকে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘সবার আগে হাসিমুখ’ *** ক্ষমতায় গেলে ‘বিডিআর’ নাম পুনর্বহাল করবে বিএনপি *** পুলিশের এমন আগ্রাসী মনোভাবের কারণ কী, প্রশ্ন আজহারির *** যৌন হয়রানির অভিযোগে বেরোবির ২ শিক্ষককে বরখাস্ত *** ‘আসমানে ফয়সালা হয়ে গেছে তারেক রহমানই আগামীর প্রধানমন্ত্রী’ *** ‘বিএনপিকে খুঁজে বের করতে হবে দলটির ভেতরে জামায়াতের হয়ে কারা কাজ করছে’ *** গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়া কোনো অপরাধ নয়: বায়তুল মোকাররমের খতিব *** এক ব্যক্তিনির্ভর ‘পাশা’র নির্বাচন পর্যবেক্ষক কার্ড স্থগিত *** গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার: প্রেস সচিব

চীনের পুনরুত্থান অবশ্যম্ভাবী, কুচকাওয়াজে সি চিন পিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, ৪ঠা সেপ্টেম্বর ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

সামরিক শক্তিতে বিশ্বের সামনে নতুন আত্মবিশ্বাসের জানান দিল চীন। বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কয়ারে গতকাল বুধবার (৩রা সেপ্টেম্বর) বিজয় দিবসের বিশাল কুচকাওয়াজে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ঘোষণা করেন, চীনের পুনরুত্থান অবশ্যম্ভাবী। এটি আর ঠেকানো যাবে না।

তিনি বলেন, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে আধুনিকায়নের পথে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়ে তোলা হবে। এই পুনর্জাগরণ শুধু চীনের জন্য নয়, মানবজাতির ভবিষ্যতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। খবর এএফপির।

কুচকাওয়াজ ছাড়াও বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আকাশে উড়ে যায় যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টারের বহর, মাঠে প্রদর্শিত হয় ট্যাংক, ব্যালিস্টিক ও হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, পানির নিচের ড্রোন এবং অন্যান্য আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম। সবচেয়ে নজর কাড়ে স্থল, সমুদ্র ও আকাশভিত্তিক কৌশলগত পারমাণবিক শক্তি প্রদর্শন।

সিএমজির খবরে বলা হয়, অনুষ্ঠানে সি চিন পিং ভাষণে তার দেশের অতীতের সংগ্রামের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘আট দশক আগে চীনা জনগণ বিশ্ববাসীর সঙ্গে মিলে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে লড়েছিল। ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করে তারা শান্তির পতাকা উড়িয়েছে। বিপুল ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত সেই জয় মানবসভ্যতাকে রক্ষা এবং বিশ্বশান্তির ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে রয়েছে।’

সি চিন পিং সতর্ক করেন, মানবজাতি এখন একটি সংকটময় মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছে। শান্তি নাকি যুদ্ধ, সংলাপ নাকি সংঘাত, জয়-জয় সহযোগিতা নাকি শূন্য-শূন্য ফলাফল? এমন এক পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

সি চিন পিং বলেন, চীনা জনগণ ইতিহাসের সঠিক বাঁকে থাকবে, শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের পথে অটল থাকবে এবং বিশ্ববাসীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে মানবজাতির অভিন্ন ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবে।

সামরিক শক্তিকে চীনের পুনর্জাগরণের অপরিহার্য অংশ হিসেবে আখ্যায়িত করেন সি চিন পিং। সামরিক বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, পিপলস লিবারেশন আর্মি চীনের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষা করবে এবং বৈশ্বিক শান্তি ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিজয় দিবসের মহাসমাবেশ শুরু হয় প্রেসিডেন্ট ও বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের পদযাত্রার মধ্য দিয়ে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনসহ বিশ্বের ২৬টি দেশের নেতারা কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। সামরিক বাহিনীর সদস্যরা আকাশ ও স্থলে নানা নৈপুণ্য প্রদর্শন করেন। আকাশে ছোড়া হয় হাজারো রঙিন বেলুন, সঙ্গে আতশবাজির বর্ণিল আলোকচ্ছটা।

সি চিন পিং

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250