ফাইল ছবি
সুকেশ চন্দ্রশেখর দুর্নীতিকাণ্ডে জেল হওয়ার পর থেকেই তাকে পাত্তা দেন না শ্রীলংকান বংশোদ্ভূত বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। উলটো সুকেশের সঙ্গে তার সম্পর্ককে একেবারে ঝেড়ে ফেলতে চান এ অভিনেত্রী। কিন্তু জ্যাকুলিনকে কিছুতেই ভুলতে পারছেন না সুকেশ চন্দ্রশেখর।
জেলে বসেই বারবার জ্যাকুলিন-বন্দনায় মাততে দেখা গেছে সুকেশকে। আইনের চোখে তিনি 'ঠগ'। জেলে যাওয়ার পর থেকে জ্যাকুলিন তাকে পাত্তা না দিলেও সুকেশ কোনো সুযোগই বাদ দেন না। যখনই মনে হচ্ছে, তখনই প্রেম নিবেদন। আর তা একেবারেই খালি হাতে নয়।
এর আগে বড়দিনে গোটা একটা আঙুর বাগান উপহার দিয়ে প্রেমপত্র লিখেছিলেন তিনি। এবার ভালোবাসা দিবসে দিলেন বিলাসবহুল হেলিকপ্টার! সঙ্গে একইভাবে লম্বা চিঠি। তাতে জ্যাকুলিনকে ‘বেবি বম্মা’ সম্বোধন করে সুকেশের ঘোষণা— জ্যাকুলিনের হৃদয়ের প্রতিটি স্পন্দনই তার!
হাতে লেখা সেই চিঠিতে জেলবন্দি সুকেশ জানিয়েছেন, জ্যাকুলিনের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে জেলের এই ঠান্ডা দেয়ালে বসে নিজেকে মনে হচ্ছে যেন মরুভূমিতে একা হয়ে গেছেন। সুকেশ লিখেছেন—তোমার প্রতিটি হৃদস্পন্দন আমার জন্য। বিশেষ করে আজকের দিনে তা আমাদের মধ্যকার দূরত্বকে মনে করিয়ে দিচ্ছে। তবে যাই হয়ে যাক, আমাদের পরস্পরের প্রতি প্রেম তাতে নষ্ট হবে না।
সেই সঙ্গেই অভিনেত্রীকে তার জন্য আইনি ঝামেলায় পড়তে হয়েছে বলে দুঃখ প্রকাশও করেছেন সুকেশ। তবে সব ঝড় এবার থেমে যাবে জ্যাকুলিনের ‘প্রেমিক’ দাবি করে বলেছেন— এবার সব কিছুর সমাধান হবেই এবং অভিনেত্রীর মনে শান্তি ফিরে আসবে। সেই সঙ্গে সুকেশের ঘোষণা— ‘আমার বেবি, তুমি শুধুই আমার! চিরকাল আমার আত্মায় তুমিই মিশে থাকবে। অন্য কোনো পুরুষ তোমার হৃদয়ের ভগ্নাংশও কখনো পাবে না। আজকের দিনে যদি কোনো প্রেমকাহিনি লেখা হয়, তাহলে সেটি হবে আমার আর তোমার। আমার বট্টা বম্মাকে প্রেমদিবসের শুভেচ্ছা।
তবে সুকেশ চন্দ্রশেখরের এটা স্রেফ চিঠিই নয়, এর সঙ্গেই তার দাবি— তিনি জ্যাকুলিনের জন্য আস্ত হেলিকপ্টার পাঠিয়ে দিয়েছেন। জানিয়েছেন, ওই এয়ারবাসে খোদাই করা রয়েছে জ্যাকুলিনের নাম ও পদবির প্রথম অক্ষর। অন্দরসজ্জাও মনের মতো করে করিয়েছেন তিনি। মুম্বাইয়ের ট্রাফিক এড়িয়ে সহজেই জ্যাকুলিনকে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে এমন উপহার তিনি দিলেন বলে দাবি সুকেশের। এর পাশাপাশি তার আরও দাবি— এটা কিনতে পেরেছেন তার কষ্টার্জিত অর্থ থেকে!
জে.এস/
খবরটি শেয়ার করুন