ফাইল ছবি
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের চোখের চিকিৎসা হয়েছে। গত সোমবার রাত সাড়ে ১১টায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে রাত দেড়টা নাগাদ তাকে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। তবে ইমরানের চিকিৎসায় সরকারের তরফে ‘স্বচ্ছতার’ অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার ও রাজনৈতিক দল।
দ্য ডন জানায়, পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসে (পিআইএমএস) চোখের ইনজেকশন দেওয়ার জন্য ইমরানকে নেওয়া হয়। গত মাসে ইমরানের চোখের সমস্যার বিষয়টি সামনে আসে। এরপর থেকে তার চিকিৎসা নিয়ে সরকারের সঙ্গে ইমরানের স্বজন ও রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) টানাপোড়েন চলছে।
ইমরানের স্বজনদের দাবি, তাকে ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও স্বজনদের উপস্থিতিতে ইসলামাবাদের শিফা হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে হবে। তবে সরকার তার চিকিৎসা লোকচক্ষুর আড়ালেই সম্পন্ন করছে।
চিকিৎসার বিষয়ে পিআইএমএস কর্তৃপক্ষ জানায়, চিকিৎসাপ্রক্রিয়ার পুরো সময় ধরে ইমরানের অবস্থা স্থিতিশীল ছিল। যথাযথ বিধি মেনেই সবকিছু করা হয়েছে। চিকিৎসা শেষে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও নথিপত্রসহ তাকে ডিসচার্জ করা হয়। আগামী ২৪শে মার্চ তাকে আরেকটি ইনজেকশন দেওয়ার কথা।
এদিকে, ইমরানের চিকিৎসার খবর চাউর হতেই পুরো প্রক্রিয়ায় ‘স্বচ্ছতার’ অভাব ছিল বলে অভিযোগ জানিয়েছে তার পরিবার ও পিটিআই।
পিটিআইয়ের অফিশিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে অভিযোগ করা হয়, এই ঘটনায় গোপনীয়তা নয়, স্বচ্ছতার প্রয়োজন। ইমরানকে শিফা আন্তর্জাতিক হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে। সরকার আসলে কী লুকাতে চাইছে! আমরা এরকম লুকোছাপার একটা গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা চাই।
ইমরানের বোন আলিমা খানম অভিযোগ করেন, ইমরানকে পিআইএমএসে নেওয়ার কথা আমরা খবরে জানতে পারি। আর কোনো বন্দীর স্বাস্থ্যসংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে যেখানে পরিবারকে আগে থেকে জানানোর আইন আছে, সেখানে আমাদের কিছু জানানো হয়নি কেন?
খবরটি শেয়ার করুন