বৃহস্পতিবার, ২৯শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বিশ্বজুড়ে ব্যাংকিং খাতে বঞ্চনার শিকার মুসলিমরা *** সরকারি কর্মচারীদের পাঁচ বছরের বেশি থাকা ঠিক না: প্রধান উপদেষ্টা *** আড়াই মাস চেষ্টা করেও আল জাজিরা তারেক রহমানের সাক্ষাৎকার নিতে পারেনি *** মানুষের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় একসঙ্গে কাজ করতে হবে *** অজিত পাওয়ারকে বহনকারী বিমান বিধ্বস্তের আগে ‘রহস্যজনক নীরবতা’ *** ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার প্রত্যাহারের সংকেত বুঝতে পারছে না সরকার *** ‘আমি কিন্তু আমলা, আপনি সুবিচার করেননি’ *** প্রধান উপদেষ্টার কাছে অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি *** ভারত-ইউরোপের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ও বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি *** ‘গ্রিনল্যান্ড: মার্কিন হুমকি বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের বিষয়’

আমার দেশ সম্পাদকের বিরুদ্ধে টাকা পাচারের অভিযোগ সাংবাদিকের

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৬:৪১ অপরাহ্ন, ২৮শে ডিসেম্বর ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে বিদেশে টাকা পাচারের অভিযোগ তুলেছেন আল জাজিরার সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। তার প্রশ্ন, ঠিক কোন পদ্ধতিতে মাহমুদুর রহমান তুরস্কের নাগরিকত্ব পেয়েছেন? এটি পাওয়ার জন্য তিনি কত কোটি টাকা ব্যয় করেছিলেন? আর অর্থ ব‍্যয় না করলে কেন বা কি কারণে তুরস্কের সরকার তাকে দেশটির নাগরিকত্ব দিয়েছে? 

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে আজ রোববার (২৮শে ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় দেওয়া এক পোস্টে জুলকারনাইন সায়ের এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সংযুক্ত পাসপোর্টের তথ্য অনুযায়ী মাহমুদুর রহমানের পাসপোর্ট ইস্যু করেছে তুরস্ক এবং সেই সূত্রে একুশে পদকে ভূষিত মাহমুদুর রহমান তুরস্কের নাগরিক। কিছুদিন আগেও এই পাসপোর্ট ব‍্যবহার করে তিনি ভ্রমণ করেছেন। 

তিনি বলেন, যে কারণে এই পোস্টটি করা, তা হলো, ঠিক কোন পদ্ধতিতে তিনি তুরস্কের নাগরিকত্ব পেয়েছেন? এটি পাওয়ার জন্য তিনি কত কোটি টাকা ব্যয় করেছিলেন? আর অর্থ ব‍্যয় না করলে কেন বা কি কারণে তুরস্ক সরকার তাকে দেশটির নাগরিকত্ব দিয়েছে? 

জুলকারনাইন সায়ের বলেন, আমার দেশ সম্পাদক ও নিজেকে মাজলুম সাংবাদিক দাবি করা মাহমুদুর রহমান বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে ২০১৮ সালে মালয়েশিয়া যাবার পর থেকে ২০২৪ এ তুরস্কের নাগরিক হিসেবে দেশে ফেরার আগ পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে থাকলেও কোথাও কোনো চাকরি বা অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক কোনো কাজকর্ম তিনি করেন নাই বলে জানা যায়। 

তিনি বলেন, ধরে নেওয়া যায় এই সময় তার খরচের টাকার উৎস ছিল জমানো অর্থ বা তার পরিবার এবং কাছের মানুষেরা। কিন্তু ২০২০ সালে তুরস্কের নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্যে যে পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করতে হয় সেটা কি তিনি বৈধ চ‍্যানেলে বাংলাদেশ হতে নিয়েছেন? নাকি কোনো বিশেষ সংস্থা বা গোষ্ঠী তাকে এই পাসপোর্টটি পুরস্কার হিসেবে প্রদান করেছে? 

তিনি লেখেন, বাংলাদেশ থেকে পাসপোর্টে বিনিয়োগের জন্যে কোটি-কোটি টাকা বিদেশে পাঠানোর কোনো সুযোগ নেই। তাহলে কোন পদ্ধতিতে ওনার কাছে এত টাকা টাকা পাঠানো হয়েছিল? হুন্ডির মাধ্যমে? অন্যদের দুর্নীতির সবক দেওয়া এই সত্যবাদী যুধিষ্ঠির তাহলে কি দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে হুন্ডি করে দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করেছেন? আশা করি, মাহমুদুর রহমান এই বিষয়গুলো খোলাসা করবেন।

মাহমুদুর রহমান জুলকারনাইন সায়ের

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250