রবিবার, ৮ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৫শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** সাবেক প্রিন্স অ্যান্ড্রুর দুই মেয়ের সঙ্গেও কুখ্যাত এপস্টেনের দেখাসাক্ষাৎ ছিল *** তারেক রহমানকে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘সবার আগে হাসিমুখ’ *** ক্ষমতায় গেলে ‘বিডিআর’ নাম পুনর্বহাল করবে বিএনপি *** পুলিশের এমন আগ্রাসী মনোভাবের কারণ কী, প্রশ্ন আজহারির *** যৌন হয়রানির অভিযোগে বেরোবির ২ শিক্ষককে বরখাস্ত *** ‘আসমানে ফয়সালা হয়ে গেছে তারেক রহমানই আগামীর প্রধানমন্ত্রী’ *** ‘বিএনপিকে খুঁজে বের করতে হবে দলটির ভেতরে জামায়াতের হয়ে কারা কাজ করছে’ *** গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়া কোনো অপরাধ নয়: বায়তুল মোকাররমের খতিব *** এক ব্যক্তিনির্ভর ‘পাশা’র নির্বাচন পর্যবেক্ষক কার্ড স্থগিত *** গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার: প্রেস সচিব

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে পুতিনের নয়, মোদির যুদ্ধ: ট্রাম্পের উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৮:১৯ অপরাহ্ন, ২৮শে আগস্ট ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারোর সাম্প্রতিক একটি মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তিনি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যুদ্ধ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। স্থানীয় সময় বুধবার (২৭শে আগস্ট) ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ মার্কিন শুল্ক আরোপের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি ওই মন্তব্য করেন।

ব্লুমবার্গ টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নাভারো বলেন, ভারতের রাশিয়া থেকে তেল কেনা মূলত মস্কোর যুদ্ধযন্ত্রকে শক্তিশালী করছে। তার ভাষায়, ‘ভারত যা করছে, তার জন্য আমেরিকার সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ভোক্তা, ব্যবসা ও শ্রমিকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কারণ, ভারতীয় পণ্যে উচ্চ শুল্কের কারণে আমাদের চাকরি, কারখানা এবং আয় নষ্ট হচ্ছে। আবার মোদির এই যুদ্ধের খরচ বহন করতে হচ্ছে আমেরিকার করদাতাদেরও।’

সাক্ষাৎকারের এই পর্যায়ে সাংবাদিক যখন প্রশ্ন করেন—‘আপনি কি আসলে পুতিনের যুদ্ধ বলতে চাইছেন?’ নাভারো তখন স্পষ্ট করে বলেন, ‘না, এটা মোদির যুদ্ধ।’ তিনি আরও দাবি করেন, রাশিয়ার সস্তা তেল কিনে ভারত যেমন লাভবান হচ্ছে, তেমনি আমেরিকাকে ইউক্রেনের যুদ্ধ ব্যয় বহন করতে বাধ্য করছে।

ভারত অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দেশটি জানিয়েছে, ১. ৪ বিলিয়ন মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য তারা যেখানেই সবচেয়ে কম দামে পাবে সেখান থেকেই তেল কিনবে এবং রাশিয়া থেকে তেল কেনা চালিয়ে যাবে। বর্তমানে ভারতের অপরিশোধিত তেলের ৩৫–৪০ শতাংশই যায় রাশিয়া থেকে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর আগে যা ছিল ২ শতাংশেরও কম।

আমেরিকার নতুন শুল্ক নীতিতে ভারতের ৫৫ শতাংশেরও বেশি রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। টেক্সটাইল, গয়না ও শ্রমনির্ভর খাত সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হবে, যদিও ইলেকট্রনিকস ও ওষুধ সাময়িকভাবে ছাড় পেয়েছে।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতের নীতি নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘ভারত সব সময় রাশিয়া থেকে বিপুল অস্ত্র ও জ্বালানি কিনেছে। এখনো তারা বিশ্বের অন্যতম বড় ক্রেতা। তাই যুক্তরাষ্ট্র ভারতের ওপর বাড়তি ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করছে।’

এদিকে রাশিয়ায় নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত বিনয় কুমার জানিয়েছেন, ‘ভারতের লক্ষ্য জনগণের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। রাশিয়া-ভারত সহযোগিতা বিশ্ব তেলবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সাহায্য করেছে।’

জে.এস/

ডোনাল্ড ট্রাম্প নরেন্দ্র মোদি পিটার নাভারো

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250