ছবি: বিসিবি
চট্টগ্রামে প্রথম ম্যাচ হেরে বিপদেই পড়ে যায় বাংলাদেশ। আয়ারল্যান্ডের কাছে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হেরে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। যদিও বড় লজ্জায় পড়তে হয়নি স্বাগতিকদের।
চট্টগ্রামেই পরের দুই ম্যাচে টানা জয় তুলে নিয়ে ২-১-এ সিরিজ নিশ্চিত করল বাংলাদেশ। আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে ভারত ও শ্রীলংকায় বসছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আসর। তার আগে শেষ টি-টোয়েন্টি সিরিজটা জিতে নিল লিটন দাসের দল।
আজ মঙ্গলবার (২রা ডিসেম্বর) সাগরিকায় সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ১১৭ রানে অলআউট হয়ে যায় আয়ারল্যান্ড। এরপর তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন আর সাইফ হাসানের ব্যাটে ভর করে দাপটে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। টাইগারেরা ৮ উইকেটের জয় তুলে নেন ৮ বল হাতে রেখে।
এর আগে টিম টেক্টরকে নিয়ে দারুণ সূচনা করেছিলেন পল স্টার্লিং। টেক্টর আউট হওয়ার পরও বাংলাদেশকে চোখ রাঙাচ্ছিলেন স্টার্লিং। যদিও এরপর ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ নেন স্বাগতিক বোলারেরা। টিম টেক্টরকে বোল্ড করে ডেডলক ভাঙেন শরিফুল ইসলাম।
এরপর শেখ মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমানেরা উইকেট শিকারের উৎসবে মেতে ওঠেন। রিশাদ ও মুস্তাফিজুর তিনটি করে এবং শরিফুল দুটি উইকেট নেন। একটি করে উইকেট নেন মেহেদী ও মো. সাইফউদ্দিন।
আয়ারল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেন অধিনায়ক স্টার্লিং। ২৭ বলের মোকাবেলায় এ রান করেন তিনি। এছাড়া জর্জ ডকরেল ১৯ ও টিম টেক্টর ১৭ রান করেন।
পাঁচটি ক্যাচ নিয়েছেন তানজিদ হাসান। আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যেই তিনিই প্রথম ফিল্ডার হিসেবে পাঁচটি ক্যাচ নিলেন। এর আগে মালদ্বীপের ভেদাগি মালিন্দা ও সুইডেনের সেদিক সাহাক টি-টোয়েন্টিতে পাঁচটি ক্যাচ নেন।
এরপর ব্যাট হাতেও নায়ক তানজিদ। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৪৫ ম্যাচে ১১তম ফিফটি করে বাংলাদেশকে জেতালেন তিনি। ক্রেগ ইয়াংকে মিড উইকেট অঞ্চল দিয়ে ছক্কা মেরে ৩৫ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন বামহাতি এ ব্যাটার। তার ফিফটিতে সহজ জয় পায় বাংলাদেশ।
৩৬ বলে ৪ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ৫৫ রানে অপরাজিত থাকেন তানজিদ। এছাড়া ২৬ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত ছিলেন পারভেজ হোসেন ইমন। তিনি ১টি চার ও ৩টি ছক্কায় সাজান ইনিংসটা।
এ দুজন ৪৬ রানের মধ্যে দুই উইকেট পতনের পর তৃতীয় উইকেট জুটিতে এ দুজন যোগ করেন ৫০ বলে ৭৩ রান। এর আগে সাইফ হাসান ১৯ রান করেন ১৪ বলে। ২ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কা মারেন তিনি। ম্যাচসেরা হয়েছেন তানজিদ হাসান।
খবরটি শেয়ার করুন